বাংলাদেশে ৩৯০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে কানাডা জনগণের সেবা ও ভালোবাসাকে সঙ্গী করে আবারও নির্বাচনে লড়তে চান ইমদাদুল হক ভূঁইয়া নাঙ্গলকোটে বাড়ি মেরামতে বাধা, রডের আঘাতে গুরুতর আহত মাসুম বেগমগঞ্জে মুখোশ পরে দোকানে ঢুকে ব্যবসায়ীকে গুলি জামালপুরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সিআইডি টিমের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শ্যামনগরে দুর্গা পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ড.মনিরুজ্জামান লাখাইয়ে পুজা মণ্ডপ পরিদর্শনে লাখাই প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ। সাংবাদিকদের উদ্দেশে এমপি সুলতান মাহমুদ বাবু বললেন, 'আমি যদি দুর্নীতি করি, সেটাও লিখবেন' তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসায় আলিম প্রথম বর্ষের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে পিএফজি ও ওয়াইপিএজি'র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত ঢাকায় পেশাদার বারিস্তা গড়ে তুলছে DSCA, দেশের প্রথম ISO-সার্টিফায়েড কফি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান উলিপুরে ছাত্র হিযবুল্লাহ্ কুড়িগ্রাম জেলা শাখার কাউন্সিল ও সম্মেলন অনুষ্ঠিত শার্শায় মোবাইলে ভিডিও ধারন করে প্রবাসী স্ত্রীর আত্মহত্যা সাতকানিয়ায় ‘মৌসুমী হিজড়া’র বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সুরক্ষায় সেরার স্বীকৃতি পেলো শেরপুর জেলা প্রকৃতি ও জীবন ক্লাব যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পেলেন মৌসুমী জাতীয় পতাকার মান রক্ষা করা প্রতিটি সৈনিকের পবিত্র দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য অটুট রাখতে হবে : রাষ্ট্রপতি মহাষ্টমী: দেবীবন্দনা ও আমাদের সার্থকতা -সচ্চিদানন্দ দে সদয় পীরগাছায় ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন !! তদন্ত প্রতিবেদনে অনিয়ম ও অর্থ দাবির অভিযোগ

রাবিতে ফর্মফিলাপ যেন এক ভোগান্তির নাম

© ফাইল ছবি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ফর্ম ফিলাপ করা যেন এক মহা ভোগান্তির নাম। শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে এমনটাই জানান তারা।ফর্ম ফিলাপ করতে হলে কয়েকটি ধাপে কার্জক্রম সমাপ্ত করে এরপর সেটি ব্যাংকে জমা দিলে তবেই কাজ সম্পন্ন হবে।

ফর্মফিলাপ করতে শুরুতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে স্টূডেন্ট আইডি লগইন করে সংশ্লিষ্ট বিভাগের পরীক্ষার ফর্ম পুরণ করতে হয় শিক্ষার্থীদের, এরপর সেই ফর্ম বিভাগে জমা দিয়ে নিতে হয় বিভাগের সভাপতির সাক্ষর, পরে আবার সেটি শিক্ষার্থীকে নিয়ে যেতে হয় তার হলে, সেখানেও রয়েছে আরেক ভোগান্তি। হল প্রাধ্যক্ষের সাক্ষর নিতে ব্যাংকে জমা করতে হয় ৫০ টাকা! সেই পে স্লিপ জমা দিলে তবেই মেলে সাক্ষর, সাক্ষর নেওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে একদিন পর্যন্ত! প্রাধ্যক্ষের সাক্ষর সম্পন্ন হলে সেই ফর্মটি জমা দিতে হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রণি ব্যাংকের শাখায়। 

এ নিয়ে শিক্ষার্থীদের মনে ব্যাপক ক্ষোভ থাকলেও ভিন্ন সূরে কথা  বলছেন কতৃপক্ষ। তাদের দাবী এ বিষয়ে  কাজ করতে সময় লাগবে, আগামী ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ের সমাধান সম্ভব নয়।

ফর্মফিলাপের ভোগান্তির বিষয়ে একাধিক শিক্ষার্থীর সাথে কথা বলে দেশচিত্র, তাদের মধ্যে মার্কেটিং বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ইমরান হোসেন বলেন, ফর্মফিলাপ প্রক্রিয়া আমাদের রাবিতে খুবই জটিল। আগেই একদিন সময় হাতে রাখতে হয়, কারণ হল বা ডিপার্টমেন্ট কোনো একটার সিগনেচার না নিতে পারলেই বিপত্তি। প্রথমেই ফর্ম নিয়ে ছুটে যেতে হয় ডিপার্টমেন্টের চেয়ারম্যানের সিগনেচার নেওয়ার জন্য, এরপর আবার হলে দৌড়াতে হয় প্রোভস্ট স্যারের সিগনেচার নেওয়ার জন্য, যদি তিনি অফিসে থাকেন তবে সিগনেচার পাওয়া যাবে, নাহলে আবার একদিন উপেক্ষা করতে হবে।জমার দিনই প্রোভস্টের সিগনেচার পাওা যেন অমুল্য রতন কুড়িয়ে পাওয়ার মতন। সব শেষে আবার যাওয়া লাগে ব্যাংকে সেখানে লম্বা লাইনে দাঁড়ানোর প্রস্তুতি নিয়েই যেতে হয়। এ সমস্ত কাজ করতে গিয়ে সময়ের অপচয় যেমন হয় তেমনি ভোগান্তির মাত্রা বেড়ে যায় হাজার গুন। 

দ্বিতীয় বর্ষের আরেক শিক্ষার্থী আব্দুর রহমান বলেন, পরিক্ষার ঠিক পূর্ব মুহূর্তে এই বিষয়টা একেবারেই বিরক্তিকর। আমি সবশেষ ফর্মফিলাপের সময় চেয়ারম্যান স্যারের সাক্ষরে জন্য ২ ঘন্টার বেশি সময় অপেক্ষা করেছি, এর পর প্রাধ্যক্ষের সাক্ষরের জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে দেড় ঘন্টারও বেশি। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ফর্মফিলাপের কার্যক্রম শেষ করেছি। আর অনাবাসিক শিক্ষার্থী হলে তো ভোগান্তি আরো বেশি।

এ বিষয়ে উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিনকে প্রশ্ন করলে তিনি দেশচিত্রকে বলেন, বহুদিন থেকেই ফর্মফিলাপ সিস্টেমকে ডিজিটালাইজেশন করার কথা হয়ে আসছে, আমরা প্রশাসনে নব্য এসেই সকল বিষয়ে বিচার বিশ্লেষন করছি, শিগ্রই এই প্রক্রিয়াটি পূর্নাঙ্গ অনলাইনের আওতায় আনা হবে। তবে সামনেই ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা থাকায় আমাদের আইসিটি সেন্টার অত্যান্ত চাপে আছে, ভর্তি পরীক্ষা শেষ হলেই তাদের সাথে আলোচনা করে আমরা ফর্মফিলাপের বিষয়টি নিয়ে কাজ করবো।

ছাত্র উপদেষ্টা ড. আমিরুল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে দ্রুতই সমাধান আসবে, তবে আইসিটি সেন্টারের সাথে মিটিংয়ের মাধ্যমে সমাধান করা হবে। কত সময় লাগবে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটি বেশ সময় সাপেক্ষ, তাই এত দ্রুত হবে না, তবে আমি ছাত্রদের সকল অসুবিধা সমাধানে বদ্ধপরিকর, এবং তাদের সকল যৌক্তিক দাবির সাথে আমি আছি।

উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়কে ডিজিটাল করার লক্ষে ৫০ বছরের মাস্টার প্ল্যান নিয়েছিলেন তৎকালীন উপাচার্য আব্দুস সোবহান।  ২০১৮ থেকে ২০৬৭ সালের এই মহাপরিকল্পনার বাস্তবায়নের লেশ মাত্র দেখা যায়নি এখনো। বিশ্ববিদ্যালয়কে ডিজিটাল করার লক্ষে নেওয়া উল্লেখযোগ্য তেমন কোনো সিদ্ধান্তই বাস্তবায়িত হতে দেখা যায়নি।


ডিসি/সাজ্জাদ হুসাইন/এসআর

আরও খবর




6accfa678b4a8-121026091903.webp
এইচএসসির ফল ২৫ থেকে ২৯ অক্টোবরের মধ্যে

৬ দিন ২ ঘন্টা ৫৮ মিনিট আগে