মোংলা প্রতিনিধিঃ
সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টিতে শিশু চিত্রাঙ্কন ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
বুধবার (৫ নভেম্বর) সকালে হলদিবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে ধারিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা), ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ ও পশুর রিভার ওয়াটারকিপার।
আয়োজনে সহযোগিতায় ছিলো হলদিবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ফাদার রিগন শিক্ষা উন্নয়ন ফাউন্ডেশন। হলদিবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন।
বুধবার সকাল ১০টায় চিত্রাঙ্কন ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফাদার রিগন শিক্ষা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের সভাপতি সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাস। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার প্রশান্ত কুমার হাওলাদার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা অফিসার এস এম মাসুদ রানা, উপাধ্যক্ষ বিভাষ চন্দ্র বিশ্বাস, উপজেলা পল্লী জীবিকায়ন কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন ও স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো. আনিসুর রহমান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সুন্দরবন রক্ষায় আমরা’র সমন্বয়কারী।
অন্যান্যদের বক্তব্য রাখেন হলদিবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিশ্বজিৎ মন্ডল, হলদিবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিশ্বাস বাসন্তী, ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) এর নেতৃবৃন্দ,ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ’র মেহেদী হাসান প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় উপজেলা কৃষি অফিসারা বলেন, “জ্বালানির চাহিদার প্রধান অংশ পূরণ করছে জীবাশ্ম জ্বালানি। ফলে প্রাকৃতিক সম্পদ দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে এবং পরিবেশের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে যা জলবায়ু পরিবর্তনকে ত্বরান্বিত করছে। কাজেই জীবাশ্ম জ্বালানির পরিবর্তে নবায়নযোগ্য জ্বালানির উপর নির্ভরতার কোনো বিকল্প নেই। টেকসই সবুজ বাংলাদেশ বিনির্মাণে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতেই আমাদের আস্থা রাখতে হবে।”
উপজেলা সমাজসেবা অফিসার এস এম মাসুদ রানা বলেন, “নবায়নযোগ্য জ্বালানি হলো এমন শক্তির উৎস যা স্বল্পসময়ের ব্যবধানে পুনরায় ব্যবহার করা যায় এবং ব্যবহারের ফলে শক্তির উৎসটি নিঃশেষ হয়ে যায় না।”
পরিবেশকর্মী পশুর রিভার ওয়াটারকিপার এর নত্রিবৃন্দ বলেন, “জ্বালানি নিরাপত্তার স্বার্থে আমদানি নির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানি নীতি পরিহার করে পরিবেশবান্ধব নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।”
সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, “বিশ্বের উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণ জীবাশ্ম জ্বালানির উত্তোলন ও ব্যবহার। কাজেই জলবায়ু উষ্ণতা রোধে ন্যায্য জ্বালানি রূপান্তর ঘটাতে হবে এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির উপর আস্থা রাখতে হবে।”
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে ‘বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের প্রাকৃতিক দৃশ্য বিষয়ক শিশু চিত্রাঙ্কন’ ও ‘বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নবায়নযোগ্য জ্বালানির উপরই নির্ভরশীল’ শীর্ষক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। সবশেষে পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়।
২ ঘন্টা ৪৪ মিনিট আগে
৩ ঘন্টা ৩৩ মিনিট আগে
৪ ঘন্টা ০ মিনিট আগে
৬ ঘন্টা ৩২ মিনিট আগে
৭ ঘন্টা ২৪ মিনিট আগে
৭ ঘন্টা ৩৬ মিনিট আগে
১৫ ঘন্টা ৩ মিনিট আগে