উলিপুরে ট্রেনে কাটা পরে বৃদ্ধার মৃত্যু লোহাগড়ায় গ্রাম পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের মাসব্যাপী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ" কোর্সের উদ্ধোধন ঝিনাইগাতীর নকশী সীমান্ত থেকে ১৪৭ বোতর ভারতীয় ইস্কাফ সিরাপ উদ্ধার নালিতাবাড়ীর সিবিও নেতৃবৃন্দের জামালপুরের উন্নয়ন সংঘের সীডস প্রকল্প পরিদর্শন মাঝ নদীতে ইঞ্জিন বিকল হয়ে ট্রলারডুবে নিখোঁজ দুই জেলে ইসরায়েলে ভোট আজ, চ্যালেঞ্জের মুখে নেতানিয়াহু জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী কুলিয়ারচরে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কর্মঘণ্টায় তালা: চরম ভোগান্তিতে সেবাগ্রহীতারা রাষ্ট্র কাঠামোর সংস্কার না হলে তারেক রহমানও একই পথে হাঁটবেন: নাহিদ ইসলাম দুধ-কলা একসঙ্গে খেলে শরীরে কী ঘটে? ইয়োহেই সাসাকাওয়ার নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রী সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ার করতেও পিছপা হবে না পুলিশ : আইজিপি চুনতিতে ৪০ বছর পর উদ্ধার বনভূমিতে বৃক্ষরোপণ সিংড়ায় স্বামীর থাপ্পড়ে স্ত্রীর মৃত্যুর অভিযোগ সিংড়ায় স্বামীর থাপ্পড়ে স্ত্রীর মৃত্যুর অভিযোগ জয়পুরহাটে হত্যা মামলার ২৩ বছর পর মোজাম নামে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড শ্যামনগরে দলিত জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে মতবিনিময় সভা মারকাজুত তাহফিজ মাদ্রাসার ১৮ সংবর্ধিত হাফেজকে নিয়ে কক্সবাজার ভ্রমণের ঘোষণা, এক বছরে হিফজ সম্পন্নকারীদের চট্টগ্রাম-কক্সবাজার বিমানে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি ঝিনাইগাতীর সীডস প্রকল্পের সিবিও নেতৃবৃন্দের দেওয়ানগঞ্জে সিএসএ কার্যক্রম পরিদর্শন ও অভিজ্ঞতা বিনিময় জাবিপ্রবির সার্বিক উন্নয়নে রাষ্ট্রপতির সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস

একজন বৃক্ষ প্রেমিকের গল্পকথা

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 17-11-2023 07:56:10 am

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার প্রয়োজনবোধে বৃক্ষ রোপণ করেন তানভীর। © ছবি : দেশচিত্র



◾ শেখ আব্দুল্লাহ : বৃক্ষ প্রেমিক ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী তানভীর হোসেন। ছোটবেলা থেকে তার শখের কাজ বৃক্ষ রোপণ করা। দিন যাচ্ছে সময়ের সাথে তার এ শখ ও বৃক্ষের প্রতি ভালোবাসা আরো বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি ছোটবেলা থেকে বিভিন্ন যায়গা থেকে গাছের চারা সংগ্রহ করে তাদের বাড়ির আঙিনায় লাগাতেন এবং পড়াশোনা পাশাপাশি সেগুলোর পরিচর্যা করতেন। স্কুল কলেজে পড়াকালীন তিনি নিজ হাতে স্কুল কলেজ প্রাঙ্গণে অনেক গাছ লাগিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে এসেও তিনি শত ব্যস্তার মাঝে তার শখকে আঁকড়ে ধরে রেখেছেন। এখন তানভীর হোসেন পড়াশোনা করছেন ঢাকা কলেজে অনার্স চতুর্থ বর্ষে। তিনি ঢাকা কলেজের দক্ষিণ ছাত্রাবাসের একজন আবাসিক ছাত্র। 


কলেজ কর্তৃপক্ষ ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলার জন্য প্রতিবছর ক্যাম্পাসে কিছু গাছ লাগান। কিন্তু সঠিক পরিচর্যার অভাবে গাছগুলো মারা যায়। তানভীর হোসেন সময় পেলে এসব গাছের যত্ন নেন। আবাসিক হলের থাকার সুবাদে ক্যাম্পাস ঘুরে ঘুরে তিনি গাছের যত্ন নিতে পারেন।তিন শুধু কলেজ কর্তৃপক্ষের লাগানো গাছের পরিচর্যা করেন না, নিজের লাগানো গাছেরও পরিচর্যা করেন। 


পড়াশোনা খরচ থেকে তিনি টাকা বাঁচিয়ে গাছ কিনেন এবং নিয়মিত সে গাছগুলো পরিচর্যা করেন।ইতোমধ্যে ক্যাম্পাসে তিনি বেশকিছু গাছ লাগিয়েছেন।  


তানভীর হোসেন দেশচিত্রকে জানায়, গাছ লাগানো এখন তার শখের যায়গায় সীমাবদ্ধ নেই। ছোট বেলায় তিনি গাছ লাগিয়েছেন শখের বসে; এখন তিনি গাছ লাগান শখ এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার প্রয়োজনবোধে। তিনি গাছ লাগানোর প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে বলেন বর্তমান আমাদের মধ্যে চলছে গাছ কাটার প্রতিযোগিতা। গাছ কেটে শিল্প-কারখানা গড়ে তুলা হচ্ছে , ইটের ভাটায় ব্যাপক হারে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে ।


কিন্তু যেভাবে গাছ কাটা হচ্ছে, সেভাবে কেউ গাছ লাগানোর দিকে দৃষ্টি দিচ্ছেন না। প্রানী বেচে থাকার জন্য অপরিহার্য উপাদান অক্সিজেন, যেটি আমরা গাছ থেকে পাই। যদি এভাবে আমরা গাছ কাটতে থাকি তাহলে একসময় চরম অক্সিজেন সংকট দেখা দেখা দিবে এবং পুরো প্রাণীজগৎ একসময় ধ্বংস হয়ে যাবে। এছাড়াও তিনি আরো বলেন প্রাকৃতিক ও অপ্রকৃতিক ভাবে প্রতিনিয়ত কার্বনডাইঅক্সাইড গ্যাস সৃষ্টি হয়। এ কার্বনডাইঅক্সাইড গ্যাস বায়ুমন্ডলের তাপ বৃদ্ধি করে। গাছ বায়ুমন্ডল থেকে কার্বনডাইঅক্সাইড গ্যাস শোষণ করে বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রার ভারসাম্য বজায় রাখে।  


যদি আমরা এভাবে গাছ কাটতে থাকি তাহলে বায়ুমন্ডলে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাবে। পৃথিবীতে উষ্ণতা বৃদ্ধি পাবে। ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ গলতে শুরু করবে এবং স্থলভাগ থেকে সমুদ্রপৃষ্ঠে পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে। একসময়ে ধীরে ধীরে স্থলভাগ পানির নিচে চলে যাবে এবং পুরো জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হয়ে যাবে। 


তানভীর হোসেন সবাইকে গাছের প্রতি যত্নশীল হওয়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছেন। তিনি নিজে গাছ লাগাচ্ছেন এবং অন্যকে গাছ লাগানোর জন্য উৎসাহ দিচ্ছেন। তিনি বলেন গাছ কাটা বন্ধ করতে এবং নতুন গাছ লাগাতে আমাদের সবার একসাথে কাজ করতে হবে। ইতোমধ্যে 'গ্রীন ভয়েস' নামে একটি সেচ্ছাসেবী সংগঠন পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গাছের গুরুত্বের দিকে লক্ষ্য রেখে কাজ করে যাচ্ছে। গ্রীন ভয়েসের সেচ্ছাসেবীরা বিভিন্ন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান কেন্দ্র করে গাছ লাগাচ্ছেন এবং সে গাছের পরিচর্যা করছেন। তানভীর হোসেন গ্রীন ভয়েসর একজন সক্রিয় সদস্য। তিনি বলেন গ্রীন ভয়েসের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য আমার অনেক ভালো লেগেছে। বর্তমান গাছ কাটার যে প্রতিযোগিতা বেড়েছে, সেটি দমনের জন্য এরকম একটি সেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রয়োজন ছিল। আমি এরকম একটি সংগঠনের আশায় ছিলাম। গ্রীন ভয়সের সাথে কাজ করে আমার বেশ ভালো লাগছে। আমি আজীবন গ্রীন ভয়েসের সাথে গাছ কাটা দমন এবং গাছ লাগানো ও পরিচর্যার লক্ষ্যে কাজ করে যেতে চাই। 

তাই আমাদেরও উচিত গাছ কাটা বন্ধে এবং গাছের পরিচর্যায় তানভীর হোসেনের মতো গাছের প্রতি যত্নশীল হওয়া। বিভিন্ন সভা-সেমিনার আয়োজন করে সাধারণ মানুষকে গাছ লাগানোর জন্য উদ্বুদ্ধ করা। 


আরও খবর







deshchitro-69aeeff67528b-090326100614.webp
শিবচরে আমের সোনালি মুকুলে নতুন সম্ভাবনা

২৩১ দিন ২২ ঘন্টা ১৯ মিনিট আগে