শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের পাঁচগাঁও গ্রামে বসতবাড়িতে হামলা, মারধর, শ্লীলতাহানির চেষ্টা ও নগদ টাকা চুরির অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারগিছ বেগম নড়িয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ মে রাত সাড়ে ৯টার দিকে পূর্ব বিরোধের জেরে মজিদ বেপারীর নেতৃত্বে কয়েকজন ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে নারগিছ বেগমের বসতবাড়িতে প্রবেশ করেন। এ সময় তারা তার স্বামী সেলিম মোল্লাকে ঘর থেকে বের হতে বলেন। দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে অভিযুক্তরা ঘরে প্রবেশ করে লাঠিসোটা দিয়ে এলোপাতাড়িভাবে মারধর করলে সেলিম মোল্লা আহত হন।
স্বামীকে রক্ষা করতে গেলে নারগিছ বেগমও হামলার শিকার হন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, এ সময় অভিযুক্তদের মধ্যে দুজন তার শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের চেষ্টা করে।
এদিকে, আহতদের উদ্ধার করতে এগিয়ে এলে নারগিছ বেগমের মা জাহানারা বেগম (৬০) হামলার শিকার হন। অভিযোগে বলা হয়, তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে লোহার রড দিয়ে আঘাত করা হলে তার কোমরের বাম পাশের হাড় ভেঙে যায়।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, হামলার সময় তার বিছানার তোষকের নিচে রাখা ৯৮ হাজার টাকা চুরি করে নিয়ে যায় এক অভিযুক্ত। পরে তাদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এলে অভিযুক্তরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যায়।
পরে স্থানীয়রা আহত নারগিছ বেগম, তার স্বামী সেলিম মোল্লা ও মা জাহানারা বেগমকে উদ্ধার করে নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। জাহানারা বেগমের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে রেফার করেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, "এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আহতদের চিকিৎসা সংক্রান্ত কাগজপত্র ও ঘটনার অন্যান্য তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।”
৩ ঘন্টা ৩৯ মিনিট আগে
৩ ঘন্টা ৫৯ মিনিট আগে
৪ ঘন্টা ১৮ মিনিট আগে
৪ ঘন্টা ৫৪ মিনিট আগে
৪ ঘন্টা ৫৮ মিনিট আগে
৫ ঘন্টা ২ মিনিট আগে