নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার প্রতিটি প্রান্তে এখন আমের সোনালী মুকুলের মৌ মৌ গন্ধ। শুধু বড় বাগানই নয়, এবার লোহাগড়ার পাড়া-মহল্লায় প্রতিটি বাড়িতে বাড়িতে থাকা আম গাছগুলোও মুকুলে ছেয়ে গেছে। সাধারণ মানুষের বসতবাড়ির আঙিনায় থাকা গাছগুলোতে মুকুলের এমন ব্যাপক উপস্থিতি দেখে এবার আমের বাম্পার ফলনের আশা করছে এলাকাবাসী।
ঘরে ঘরে মুকুলের হাসি
সরেজমিনে লোহাগড়া পৌরসভা ও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, ছোট-বড় বা নতুন-পুরানো—এমন কোনো আম গাছ নেই যেখানে মুকুল আসেনি। রাস্তার ধারের গাছ থেকে শুরু করে বসতবাড়ির পেছনের আঙিনা, সবখানেই মুকুলের রাজত্ব। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার লোহাগড়ায় মুকুলের আধিক্য অনেক বেশি। প্রতিটি ডাল এখন মুকুলের ভারে নুয়ে পড়ার উপক্রম।
লোহাগড়ার একজন গৃহিণী বলেন, "আমাদের বাড়ির আঙিনায় মাত্র দুটি আম গাছ আছে, কিন্তু এবার এমনভাবে মুকুল এসেছে যে পাতা দেখাই যাচ্ছে না। ঠিকমতো গুটি দাঁড়ালে পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে আত্মীয়-স্বজনকেও আম পাঠানো যাবে।"
বড় বাগান মালিকদের পাশাপাশি এখন সাধারণ মানুষও তাদের বাড়ির গাছের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। মুকুল ঝরে পড়া রোধে এবং পোকার আক্রমণ থেকে বাঁচাতে অনেকেই কৃষি অফিসের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা নিচ্ছেন।
উপজেলা কৃষি অফিসের মতে, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং গত কয়েকদিন ঘন কুয়াশা না হওয়ায় মুকুলগুলো বেশ সতেজ আছে। যদি আগামী কয়েক সপ্তাহ তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকে এবং বড় ধরনের ঝড়-বৃষ্টি না হয়, তবে লোহাগড়ায় আমের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে।
মুকুল যেন ঝরে না যায়, সেজন্য এই সময় বিকেলে হালকা পানি স্প্রে করা এবং প্রয়োজনবোধে সঠিক মাত্রায় ছত্রাকনাশক ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ।
লোহাগড়ার আনাচে-কানাচে প্রতিটি বাড়িতে আসা এই মুকুল এখন নতুন এক সম্ভাবনার স্বপ্ন দেখাচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
৩ দিন ১৪ ঘন্টা ২৭ মিনিট আগে
৪৪ দিন ১৮ ঘন্টা ৩২ মিনিট আগে
৪৮ দিন ১৮ ঘন্টা ৩৫ মিনিট আগে
৫৬ দিন ২১ ঘন্টা ৭ মিনিট আগে
৬২ দিন ৩ ঘন্টা ৩৩ মিনিট আগে
৬৪ দিন ১৬ ঘন্টা ২৪ মিনিট আগে
৬৫ দিন ৮ ঘন্টা ২৮ মিনিট আগে
৬৫ দিন ২৩ ঘন্টা ২২ মিনিট আগে