বাংলাদেশকে ২০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি বাংলাদেশ-আজারবাইজান ভিসা অব্যাহতি চুক্তি সই সুদহার অপরিবর্তিত রাখল বাংলাদেশ ব্যাংক লাখাইয়ে মুড়িকাটা পেয়াজ চাষ সম্প্রসারণ কার্যক্রম এর উদ্বোধন। চন্দনাইশে নজরুল বর্ষ-২০২৬ প্রতিযোগিতার ফল প্রকাশ ঝিনাইগাতীতে কারিতাসের আয়োজনে বন্য হাতি সংরক্ষণ ও আয় বৃদ্ধিতে মৌমাছি চাষ বিষয়ক শিক্ষা সফর পাংশায় প্রবাসীর স্ত্রী হত্যা মামলায় প্রধান আসামির যাবজ্জীবন গোয়ালন্দে ৭ বছরের শিশু ধর্ষণের অভিযোগে মামলা। অভিযুক্ত আসামি গ্রেপ্তার গোয়ালন্দে ডেঙ্গু প্রতিরোধে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে রেড ক্রিসেন্টের পরিচ্ছন্নতা অভিযান শেরপুর জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি ঝিনাইগাতী থানার নুর মোহাম্মদ কুতুবদিয়ায় ৯৩২ কোটি টাকা ব্যয়ে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ হবে -পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ‎বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপের শঙ্কা: মোংলা থেকে ৭২০ কিমি দূরে অবস্থান, উপকূলজুড়ে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত কুলিয়ারচরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের গনসংযোগ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম কি ও কেন হেদায়েত তুর্কীর 'বেগম পাড়া' দিয়ে শাহীন আহমেদ রাজের সহকারী পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চান তারেক রহমান তারেক রহমানের সঙ্গে এরদোয়ানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক, সম্পর্ক সুদৃঢ় করার প্রত্যয় আমিরাবাদে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসন ও গণমাধ্যমের মতবিনিময় মিরসরাইয়ে তিন শিক্ষক ‘গুণী শিক্ষক’ মনোনীত চিলমারীতে "ব্রহ্মপুত্র নদে ডানতীর রক্ষা প্রকল্পের ধস, আতঙ্ক গ্রামবাসী

ডাক্তার থাকেন না, নার্স দিয়েই চলছে শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা সেবা

গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বশেমুরবিপ্রবি) এর মেডিকেল সেন্টারে ৩ জন ডাক্তার থাকা সত্বেও একজন নার্স ও একজন ব্রাদারের উপর নির্ভর করতে হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২ হাজার শিক্ষার্থীর। একজন ডাক্তারকে সকালের টাইমে পাওয়া গেলেও দুপুরের পর ডাক্তার শুন্য অবস্থায় থাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টার।


৩ দিন সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় দুপুর ২ টার পরে লাঞ্চের টাইম শেষে ডাক্তারের চেম্বার ফাঁকা পড়ে থাকে। লাঞ্চের পরে শিক্ষার্থীরা চিকিৎসা সেবা নিতে আসলে তারা ডাক্তারের অভাবে নার্সের/ব্রাদারের মাধ্যমে চিকিৎসা নিয়ে থাকেন।


দুপুরের পর সেবা নিতে আসা একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, "আমরা সেবা নিতে এসে ডাক্তার না পেয়ে বাধ্য হয়ে নার্স/ব্রাদারের কাছে থেকে চিকিৎসা সেবা নিলাম"।


এ বিষয়ে মেডিকেল সেন্টারের সিনিয়র ব্রাদার রাজীব কুমার বাছাড় জানান, "ডাক্তার না থাকায় আমাদের উপর কিছুটা চাপ পরে। এছাড়া শিক্ষার্থীরা এসে ঔষধ চায়, ঔষধ দেওয়াতে ভুল হলে পরে কোন সমস্যা ঘটতে পারে এজন্য আমরা আতঙ্কে থাকি"।


মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসা নেওয়া এনিম্যাল সায়েন্স এন্ড ভেটেরিনারি মেডিসিন বিভাগের শিক্ষার্থী খাদিজাতুল কুবরা তমা জানান" মেডিকেল সেন্টারে কখনোই ডাক্তার পাওয়া যায় না, কোন একটা সমস্যা নিয়ে গেলে বলে এখানে হবে না! কাশির জন্য গিয়েছিলাম ডাক্তার তো নেই বরং নার্স কিছু ঔষধ দিয়েছে, কোন প্রেসক্রিপশন ও দেয়নি আর বলছে অন্য ডাক্তার দেখাতে। চিকিৎসা তো জরুরি সেবা তাহলে ডাক্তারদের দিনের ১২ ঘন্টার মধ্যে অন্তত ৬ ঘন্টা তো উপস্থিত থাকা উচিত। নাম মাত্রই মেডিকেল সেন্টার চলছে। নার্সদের একটু ভুলে সেবা নিতে আসা শিক্ষার্থীদের সাথে ঘটে যেতে পারে বড় কোন দুর্ঘটনা! এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি"।


লাঞ্চের পরে কেন চিকিৎসক পাওয়া যাচ্ছে না, "এ বিষয়ে চিকিৎসা কেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার ডা. রোকাইয়া আলম বলেন, আমরা মর্নিং ও ইভিনিং সিডিউল ভাগ করে নিয়েছিলাম সে অনুযায়ী আমি প্রতিদিনই সকাল ৯টা থেকে দুপুর১ টা পর্যন্ত আমার ডিউটি পালন করি। তবে গত পরশু ফিজিক্যাল চ্যালেঞ্জের ভাইভাতে থাকার কারণে আমি ছিলাম না। এছাড়া আমি প্রতিদিন থাকি, আজও আমি ১ টা পর্যন্ত ছিলাম। অন্যরা কেন থাকছেন না এ বিষয়ে  আগামীকাল সকালে আমি অন্য ডাক্তারদের সাথে কথা বলব"।


এছাড়া তিনি আরো বলেন, "আরেকটি ব্যাপার এখন পেশেন্টের লোড অনেক বেশি হয়, একদিন আউটডোরে ২৫০ শিক্ষার্থীও দেখতে হয়েছে। ২৫০ জন পেশেন্ট দেখা একজন ডাক্তারের পক্ষে সম্ভব না। এতগুলো পেশেন্ট দেখার পরে ইভিনিং এ ডাবল টাইমে আর ডিউটি করা সম্ভব হয় না। আজ মেডিকেল সেন্টার থেকে প্রশাসনের কাছে ডাক্তার চেয়ে একটা চাহিদা পত্র পাঠানো হয়েছে, আরো দুইজন ডাক্তার দিলে পুরো টাইম কাভার দেয়া আমাদের জন্য ভালো হয়"।


জানা যায়, দুপুরের পরে চিকিৎসা কেন্দ্রে বসার কথা ডা. নিখিল চন্দ্র বালার। তবে এ বিষয়ে তার সাথে কথা হলে তিনি বলেন, এই ব্যাপারে আমার অফিস প্রধান ডা. অভিষেক বিশ্বাস এর সাথে কথা বলেন।


বাকি দুইজন ডাক্তার কে পাওয়া গেলেও সিনিয়র মেডিকেল অফিসার ডা. অভিষেক বিশ্বাস কে কখনও মেডিকেল সেন্টারে পাওয়া যায় না এমন অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। সরেজমিনে গিয়ে এর সত্যতাও পাওয়া যায়।


ডাক্তারদের কেন পাওয়া যাচ্ছে না এ ব্যাপারে সিনিয়র মেডিকেল অফিসার ডা. অভিষেক বিশ্বাস বলেন, "এ ধরনের কোন অভিযোগ আসলে আপনারা প্রশাসনের সাথে কথা বলেন। এ বিষয়ে আমার কোন বক্তব্য নেই"।


সিনিয়র মেডিকেল অফিসারের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, উনাকে পার্টটাইমে নেওয়া। ইমার্জেন্সি প্রয়োজনেই ওনাকে ডাকা হয়। আর বাকি দুইজন ডাক্তারদের তো ফুলটাইম মেডিকেল সেন্টারে থাকার কথা। ডাক্তারদের তো অর্ধেক টাইম থাকার কথা নয়, তারা ফুল টাইম থাকবেন। তাদের তো শিফটিং করার কথা না। শিফটিং করার পরেও তারা কেন থাকছেন না এ বিষয়ে প্রক্টর বলেন, আমি তাদের সাথে কথা বলে দ্রুতই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।

Tag
আরও খবর