দুই সাংবাদিকের ওপর হামলার প্রতিবাদে নোয়াখালীতে মানববন্ধন বানিয়াচংয়ে নিখোঁজ ফারিয়ার সন্ধানের দাবীতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন সাতক্ষীরা জেলা যুবদলের নতুন কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে কালিগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আনন্দ মিছিল শান্তি ও সামাজিক সংহতিতে অবদানের স্বীকৃতি পেল হাসি মুখ ইয়ুথ এন্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন। নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বরদাশত করা হবে না -আইসিটি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন এমপি ‎ ‎দীর্ঘ ১৯ বছর পর মোংলা বন্দর বণিক সমিতির নির্বাচনে প্রার্থীর ছড়াছড়ি, ব্যবসায়ীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ দীর্ঘ শূন্যতার অবসান: জাবিপ্রবিতে নতুন ট্রেজারার যোগদান বাংলাদেশকে ২০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি বাংলাদেশ-আজারবাইজান ভিসা অব্যাহতি চুক্তি সই সুদহার অপরিবর্তিত রাখল বাংলাদেশ ব্যাংক লাখাইয়ে মুড়িকাটা পেয়াজ চাষ সম্প্রসারণ কার্যক্রম এর উদ্বোধন। চন্দনাইশে নজরুল বর্ষ-২০২৬ প্রতিযোগিতার ফল প্রকাশ ঝিনাইগাতীতে কারিতাসের আয়োজনে বন্য হাতি সংরক্ষণ ও আয় বৃদ্ধিতে মৌমাছি চাষ বিষয়ক শিক্ষা সফর পাংশায় প্রবাসীর স্ত্রী হত্যা মামলায় প্রধান আসামির যাবজ্জীবন গোয়ালন্দে ৭ বছরের শিশু ধর্ষণের অভিযোগে মামলা। অভিযুক্ত আসামি গ্রেপ্তার গোয়ালন্দে ডেঙ্গু প্রতিরোধে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে রেড ক্রিসেন্টের পরিচ্ছন্নতা অভিযান শেরপুর জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি ঝিনাইগাতী থানার নুর মোহাম্মদ কুতুবদিয়ায় ৯৩২ কোটি টাকা ব্যয়ে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ হবে -পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ‎বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপের শঙ্কা: মোংলা থেকে ৭২০ কিমি দূরে অবস্থান, উপকূলজুড়ে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত কুলিয়ারচরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের গনসংযোগ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ফলদ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের দুই দিনের কর্মসূচি কক্সবাজারে

আগামী ৫ ও ৬ জুলাই কক্সবাজারে কর্মসূচী পালন করবে ফলদ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন। ৬৪তম জেলা হিসেবে কক্সবাজারে আগামী দুই দিন এ কর্মসূচী পালনের মধ্য দিয়ে সংগঠনটি তার সমগ্র বাংলাদেশ পদার্পণ সম্পন্ন করবে। এর আগে ৬৩টি জেলায় এ কর্মসূচি পালন করেছে সংগঠনটি।


শুক্রবার(৫ জুলাই) দুপুর ৩টায় সুগন্ধা বিচ থেকে কক্সবাজার পৌরসভা পর্যন্ত র‍্যালি। বিকাল ৪টায় কক্সবাজার পৌরসভা মিলনায়তনে সেমিনার। 

এতে সভাপতিত্ব করবেন ফলদ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন এর সভাপতি দ্রাবিড় সৈকত। প্রধান অতিথি থাকবেন, মেয়র মাহাবুবুর রহমান চৌধুরী, বিশেষ অতিথি থাকবেন বিডি ক্লিন এর প্রতিষ্ঠাতা ফরিদ উদ্দিন, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সোহেল রানা। মূল বক্তা উদ্ভিদবিদ আজহারুল ইসলাম খান (বৃক্ষবন্ধু)। এরপর কক্সবাজার পৌরসভা মিলনায়তনে সন্ধ্যা ৬টায় ফল উৎসব শুরু হবে।


পরদিন শনিবার(৬ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টায় রামুর খুনিয়া পালংয়ের কেচুয়াবনিয়া

ফলদ বৃক্ষরোপণ অভিযান চলবে।


বিদেশী কাঠনির্ভর ক্ষতিকর গাছের বৃক্ষরোপণের বদলে সারাদেশে ফল গাছ রোপণ ও সচেতনতায় কাজ করা সংগঠন ‘ফলদ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন’ গত ১২ বছরে দেশের ৬৩টি জেলায় তাদের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছে। নিজস্ব অর্থায়ন ও সদস্যদের স্বেচ্ছাশ্রমের বিনিময়ে পরিচালিত এ সংগঠনটি মূলত মেহগনি, ইউক্যালিপ্টাস, রেইনট্রি, একাশিয়ার মত ক্ষতিকর গাছের বদলে মানুষকে ফল গাছ রোপণে উৎসাহিত করে আসছে। সেই সঙ্গে প্রতি বর্ষায় গ্রামেগঞ্জে মানুষের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে ফলের চারা রোপণ করাই সংগঠনিটির অন্যতম কাজ। 


গত এক যুগে সংগঠনটি দেশের ৬৩টি জেলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ৩ লাখেরও বেশি ফল গাছ রোপণ করেছে। 


গত কয়েক দশকে বাংলাদেশের এই উর্বর মাটিকে বিদেশি আগ্রাসী ইউক্যালিপ্টাস, একাশিয়া, মেহগনি, রেইনট্রি ও শিশুর মত গাছের একচেটিয়া বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে অকার্যকর করে ফেলা হয়েছে। চোখের সামনে যা আমাদের জাতীয় উন্নয়নকে নানাভাবে বাঁধাগ্রস্ত করছে। 

মেহগনি, একাশিয়া, রেইনট্রি, ইউক্যালিপ্টাসই এখন আমাদের প্রায় ৭০ ভাগ বৃক্ষ; যা আমাদের পুষ্টি ও অর্থনৈতিক ক্ষতিসহ জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ। এসব গাছ আমাদের স্থানীয় বাস্তুসংস্থান, পশুপাখি ও অনুজীবের জন্য উপযোগী নয়। কেবল কাঠের কথা চিন্তা করে এই ভুল বনায়নের কারণে ইতিমধ্যেই স্থানীয় অন্যান্য প্রজাতির স্থান দখল করে নিয়েছে এ গাছগুলো। কাঠ ছাড়া আমাদের জীবনে যাদের আর কোনো অবদান নাই, সমস্ত বিবেচনায়ই সেই কাঠের উপকারের তুলনায় ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি। 

সামাজিক বৃক্ষরোপণ এবং বনায়ন উভয় ক্ষেত্রেই কেবল কাঠ নির্ভর গাছ নির্বাচন বাংলাদেশের জীববৈচিত্র্যকে কেবল ধ্বংসই করছে তা নয়, এর কারণে আমাদের জাতীয় পুষ্টি এবং অর্থনীতির মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। অথচ অধিক হারে ফল গাছ রোপণের মাধ্যমে একযোগে দেশের পুষ্টি-অর্থনীতি ও জীববৈচিত্র্য উভয়ের উন্নয়ন সম্ভব। যা কিনা বৈশ্বিক পরিবেশগত উন্নয়নেও স্বাভাবিকভাবেই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। 


বহিরাগত এই পাঁচটি গাছে আমাদের পাখির খাবার ও বাসস্থান নেই। আমাদের শিশুরা অপুষ্টিতে ভুগছে, আমাদের বিপুল পরিমান ফল আমদানী করেত হয়; অথচ এই উর্বর মাটির দেশ থেকে সারা বছরই ফল রপ্তানী করা যেতো। 

একই গাছ থেকে ফল ও কাঠের চাহিদা মেটানোর মাধ্যমে কম জমিকে অধিক হারে কাজে লাগিয়ে একটা টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব। তাছাড়া আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, গাব, তাল, তেতুল, পেয়ারা, জলপাই, বেল এবং নিম, তেলসুর, গর্জন, গামারি, নাগেশ্বর ছাড়াও স্থানীয় প্রকৃতিবান্ধব আরও অনেক ফলদ, বনজ গাছ হতে পারে উন্নতমানের কাঠেরও উৎস।

Tag
আরও খবর