চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নসহ দেশবাসীকে বিএনপি নেতা সাজ্জাদ উল্লাহর ঈদের শুভেচ্ছা মিরসরাইয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়েরের ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত ক্ষেতলালে যুবকের মরদেহ উদ্ধার হামের রোগীদের দায়িত্বরত ডাক্তার ও নার্সদের ঈদের ছুটি বাতিল : স্বাস্থ্যমন্ত্রী আগামী এক মাসের মধ্যেই রামিসা হত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হবে: প্রধানমন্ত্রী কোম্পানীগঞ্জ দুটি আমের জন্য শিশুকে অমানবিক নির্যাতন সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবিতে শ্রীমঙ্গলে সংবাদ সম্মেলন শ্যামনগরে সুন্দরবন সংরক্ষণ ও যুবদের ক্ষমতায়নে আর্থস্কাউট স্কুল ক্যাম্পেইন লাখাইয়ে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা ও বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত। লাখাইয়ে পার্টনার কংগ্রেস -২০২৬ অনুষ্ঠিত। ‎কুতুবদিয়ায় পুকুরে ডুবে ৭ বছর বয়সী শিশুর মৃত্যু কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী মহাসড়কে বাস মিনিট্রাক সংঘর্ষ জয়পুরহাটে ট্রাকের চাপায় মাহফুজুল ইসলাম নামের এক এনজিও কর্মীর মৃত্যু রায়পুরে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ স্থানীয়দের লালপুরের ৩নং চংধুপইল ইউনিয়ন পরিষদের উন্মুক্ত বাজেট সভা অনুষ্ঠিত ঈদুল আযহা উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জয়পুরহাট চ্যাম্পিয়নস ট্রফি বরিশালে হেযবুত তওহীদ ছাত্র ফোরামের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁওয়ে চলন্ত মাহেন্দ্র থেকে পরে যুবকের মৃত্যু। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বাড়ল লালপুর-বাগাতিপাড়ার উন্নয়নে জীবন উৎসর্গ করতেও প্রস্তুত এমপি সানজিদা ইয়াসমিন তুলি

নবজাতকের কানে আজান দেবেন কীভাবে?

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 18-05-2023 10:49:19 am

◾প্রশ্ন : সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর ডান কানে আজান ও বাঁ কানে ইকামত দিতে হবে। আজান ও ইকামতের শব্দগুলো কি জোরে বলতে হবে, নাকি আস্তে কানের কাছে গিয়ে বলতে হবে?


◾উত্তর : ডান কানে আজান ও বাঁ কানে ইকামতের হাদিসটার দুর্বলতা আছে। তবে আজানটা সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত হয়েছে। এ জন্য আজান দিলেই যথেষ্ট। তবে আজানটা জোরে নয়, যেন বাচ্চার কান ফেটে যায়, বাচ্চা ভয় পায়, কান্নাকাটি আরম্ভ করে, এমনভাবে নয়।


আসলে এর উদ্দেশ্যটা আমাদের জানতে হবে। আজানের উদ্দেশ্য হচ্ছে, এই বাচ্চা দুনিয়াতে এসেছে, সে যেন ইসলামের ওপর থাকে, ফেতরাতের ওপর থাকে। এ জন্য প্রথম ধ্বনি তার কানে যেন যায়, আল্লাহু আকবার, আল্লাহ সবচেয়ে বড় এবং সর্বশেষ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, এটাও যেন তার কানে যায়। আল্লাহর শাহাদাত, তাওহিদের সাক্ষ্য, রাসুলের রিসালাতের সাক্ষ্য, সালাতের সাক্ষ্য, কল্যাণের সাক্ষ্য—এগুলো সবই যেন আপনার সন্তানের ওপর আসর করে, তার ওপর যেন প্রভাব পড়ে, এটাই শরিয়ত চায়। এটা যদি আপনি আদায় করতে পারেন। আস্তে আস্তে বলুন কানের কাছে, যেন আজানের শব্দগুলো যায়, জোরে নয়। অনেক বাড়িতে আজান দিয়ে বসে। এটা আবার ভুল কাজ। বাড়িতে আজান দেওয়াটা ঠিক নয়। বাচ্চাকে কোলে নিয়ে আস্তে আস্তে তার কানের কাছে আজানটা বলুন। পুরুষ-নারী যে কেউ আজান দিতে পারবেন। কারো জন্য নিষেধ নেই। তবে উত্তম হচ্ছে পুরুষ বলা, আজান যেহেতু পুরুষের কাজ।


এখানে উদ্দেশ্য হচ্ছে বাচ্চাকে শোনানো, নামাজের জন্য ডাকা বা আহ্বান করা নয়। বাচ্চাকে এটা শোনানোর অর্থ হচ্ছে বাচ্চা যেন তাওহিদবাদী হয়, রাসুল (সা.)-এর রিসালাতকে যেন স্বীকার করে, দ্বীনের ওপর যেন থাকে, নামাজ আদায়কারী হয়, এটাই মূল উদ্দেশ্য। রাসুল (সা.) কী উদ্দেশ্যে কোন কাজটা করেছেন, সেটা জানলে আমাদের জন্য আমল করা সহজ হবে। সুতরাং বাচ্চাকে কোলে নিয়ে ধীরে ধীরে বলবেন, খুব জোরে নয়। কারণ, এটা করতে গিয়ে বাচ্চার ওপর যেন উল্টো প্রভাব না পড়ে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।


আর ইকামত নয়, শুধু আজানই দেবেন। তবে ডান বা বাঁ কান নির্দিষ্ট নয়। আপনি কোলে নিয়ে আস্তে আস্তে বলবেন, বাচ্চা শুনবে। এখানে কান কোনো লক্ষ্য নয়।