বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন চার শিক্ষার্থী পেল শিক্ষা জীবন বদলে দেওয়ার হুইল চেয়ার ঝিনাইগাতীর কাংশা ইউনিয়ন পরিষদের পুরাতন স্থানে নতুন ভবন নির্মাণের দাবিতে আয়নাপুরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত স্বামীর সঙ্গে অভিমান, গোয়ালন্দে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার দুপুরের মধ্যে ১৩ অঞ্চলে ৬০ কি.মি. বেগে ঝড়ের শঙ্কা সমঝোতা স্মারকে সই করলেন ট্রাম্প-পেজেশকিয়ান বুটেক্সে চতুর্থ আন্তর্জাতিক টেক্সটাইল সম্মেলন ২০ জুন পানি নিষ্কাশনের জন্য কাটা বাঁধই এখন দুর্ভোগের কারণ, পানিবন্দী ৩ হাজার পরিবার ‎সুন্দরবনে মাছ শিকারের সময় কুমিরের আক্রমণে নারী জেলের মর্মান্তিক মৃত্যু শ্যামনগরে সুবিধা বঞ্চিত একশত শিশুদের মাঝে ফ্যামিলি কিটবক্স বিতরণ সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যা মানবাধিকারের লঙ্ঘন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাসের ধাক্কায় সাবেক ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির মৃত্যু ঠিকাদার আওয়ামী লীগ নেতা : রাস্তা নির্মাণে নিম্নমানের কাজ করছেন যুবদল নেতা বারইয়ারহাট উম্মাহাতুল মু'মিনিন (রাঃ) মহিলা মাদরাসার হিফজ সমাপনী ও সংবর্ধনা বিদ্যালয়ে প্রেম নিবেদন, থানায় ৩ কিশোর, বহিষ্কার ২ ছাত্রী স্কুলে ঢুকে প্রেম নিবেদন অতপর থানায় তিন কিশোর,বহিষ্কার দুই ছাত্রী জনগণের টাকা পাচার হতে দেয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নির্ভর করছে মায়ানমারের সদিচ্ছার ওপর: পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রবাসীদের পাসপোর্ট ফি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বার্তা ঝিনাইগাতীতে আদিবাসী নারীদের অধিকার ও নেতৃত্ব বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত ‎দেশীয় প্রযুক্তিতে কোস্টগার্ডের সক্ষমতা বৃদ্ধি: ডকইয়ার্ডে ৫টি রিভারাইন পেট্রোল ভেসেলের নির্মাণকাজ শুরু

স্বামী-স্ত্রী পাশাপাশি দাঁড়িয়ে নামাজ পড়তে পারবে কি?

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 06-05-2023 01:40:35 pm

পুরুষরা মসজিদে জামাতে নামাজ পড়বে, এটাই নিয়ম। তারপরও মাঝে মাঝে কারণবশতঃ ঘরে নামাজ পড়তে হয়। এসব সময় স্বামী-স্ত্রী একত্রে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে নামাজ পড়তে পারবে কি? আবার স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে জামাতে নামাজ পড়ার নিয়মই বা কী?


হ্যাঁ, স্বামী-স্ত্রী পাশাপাশি দাঁড়িয়ে নামাজ পড়তে পারবে। যদি জামাত ছাড়া আলাদা আলাদা নামাজ পড়া হয়। ব্যক্তিগতভাবে নামাজ পড়ায় পাশাপাশি দাঁড়ানোয় কোনো ক্ষতি নেই। তবে উভয়ে মিলে জামাতে নামাজ পড়লে তখন স্ত্রীকে অবশ্যই পেছনের কাতারে দাঁড়াতে হবে, পাশাপাশি দাঁড়ানো যাবে না। (রদ্দুল মুহতার ১/৫৭২, আপকে মাসায়েল আওর উনকা হল ২/২২৮, ফাতাওয়ায়ে ফকিহুল মিল্লাত ৩/৪৫৪)


স্বামী-স্ত্রীর জামাতের ক্ষেত্রে ইসলামের বিধান হলো- স্ত্রীকে স্বামী নিজের এক কাতার পেছনে দাঁড় করাবে। স্ত্রী স্বামীর বরাবর (পাশাপাশি) দাঁড়াবে না। হাদিসে পাকে এসেছে-


হজরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, ‘আমাদের ঘরে আমি এবং এক এতিম হজরত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পেছনে (জামাতের সঙ্গে) নামাজ পড়েছি। আর আমাদের পেছনে আমার মা উম্মে সুলাইম (ইকতিদা করেন)।’ (বুখারি)


উল্লেখ্য যে, উম্মে সুলাইম রাদিয়াল্লাহু আনহা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মাহরাম ছিলেন।


কখনো মসজিদের জামাত না পেলে সেক্ষেত্রে একাকী নামাজ না পড়ে বাসায় স্ত্রী, সন্তানদের নিয়ে জামাতে নামাজ পড়াই উত্তম। এক্ষেত্রে দাঁড়ানোর পদ্ধতি হল, স্ত্রী স্বামীর বরাবর হয়ে দাঁড়াবে না বরং একটু পিছনে দাঁড়াবে। আর নাবালেগ শিশু থাকলে তারা ইমামের ডান পাশে দাঁড়াবে। (বাদায়েউস সানায়ে ১/৩৮৫; আলবাহরুর রায়েক ১/৩৪৫; আদ্দুররুল মুখতার ১/৫৫৩)


এ সম্পর্কে হাদিসের দিকনির্দেশনাও রয়েছে। হজরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন-


أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ صَلَّى بِهِ وَبِأُمِّهِ أَوْ خَالَتِهِ ‏.‏ قَالَ فَأَقَامَنِي عَنْ يَمِينِهِ وَأَقَامَ الْمَرْأَةَ خَلْفَنَا


রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁকে এবং তার মা কিংবা খালাকে নিয়ে নামাজ আদায় করলেন। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে তাঁর ডান পার্শ্বে দাঁড় করালেন এবং নারীদে আমাদের পেছনে দাঁড় করালেন।’ (মুসলিম ১৩৭৭)


তবে এমনটি যেন না হয়

ঘরে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে জামাতের অজুহাতে মসজিদে নামাজের জামাত তরক করা যাবে না। বাড়িতে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে নিয়মিত জামাত করা যাবে না। কেননা মসজিদে নামাজের জামাতের গুরুত্বের ব্যাপারে একাধিক হাদিসের মাধ্যমে কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে। যেমন- এক হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন-


مَنْ سَمِعَ الْمُنَادِيَ فَلَمْ يَمْنَعْهُ مِنَ اتِّبَاعِهِ عُذْرٌ ‏”‏ ‏.‏ قَالُوا وَمَا الْعُذْرُ قَالَ خَوْفٌ أَوْ مَرَضٌ ‏”‏ لَمْ تُقْبَلْ مِنْهُ الصَّلاَةُ الَّتِي صَلَّى


‘যে ব্যক্তি মুয়াজ্জিনের আজান শোনা সত্ত্বেও কোনোরূপ ওজর ছাড়া (বিনা কারণে) জামাতে নামাজ আদায়ে বিরত থাকে তার অন্যত্র (একাকি) নামাজ কবুল হবে না। (অর্থাৎ তার নামাজকে পরিপূর্ণ নামাজ হিসেবে গণ্য করা হবে না)। সাহাবিগণ জিজ্ঞাসা করলেন, ওজর কী? নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ভয়-ভীতি অথবা অসুস্থতা।’ (আবু দাউদ ৫৫১)