সাংবাদিকতার প্রভাব খাটিয়ে সাতক্ষীরা শহরে বসবাসরত দুইজন সাংবাদিক পরিচয়দানকারী ব্যক্তি স্কুল ফাঁকি দিয়ে অপরাজনীতি ও দখলদারিত্বেরমত ঘৃণীত ও ফৌজদারী কাজে লিপ্ত আছেন। সেই শিক্ষকদের ভয়ে আবার প্রধান শিক্ষকেরা জড়ো সড়ো হয়ে বসেন। আর উপজেলা শিক্ষা অফিসার যেন নির্বিকার। সূত্র জানায়, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব দখলেরমত আইন বিরোধী কাজে জড়িয়ে পড়েছে আবুল কাশেম ও ফয়জুর রহমান পুটে নামের দুই মাধ্যমিক স্কুল শিক্ষক। সাংবাদিক পরিচয়দানকারী আবুল কাশেম উদয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক ও ফয়জুর রহমান বাবু ডিবি ইউনাইটেড মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। দু’জনই দেন সাংবাদিকতার পরিচয়, জিম্মি করে রাখেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে। এই আবুল কাশেম ২০১৮ সালে টিভি সাংবাদিকতা টিকিয়ে রাখতে জয় বাংলার দলে যোগদান করেন, এবং সে সময় তিনি যে কোন মিটিং শেষে জয়বাংলা বলতে ভুলতেন না। বর্তমানে তিনি বিএনপির সাবেক নেতা সেজে বাগিয়ে নিয়েছেন সরকারী বেতারের মত সংস্থার পরিচয় পত্র, আবার সেখান থেকে প্রতি মাসে মোটা অংকের ভাতাও তোলেন। সরকারী নিয়ম অনুযায়ী একই ব্যাক্তি সরকারী দুই প্রতিষ্ঠানের থেকে কোন রকম আলাদা ভাবে বেতন/ভাতা নেওয়ার কোন সুযোগ না থাকলেও উনি ঠিকই সেই সুবিধা ভোগ করছেন। অনেক ক্ষেত্রে বাধ্য হয়েই তাদের পক্ষে ছাফাই গান শিক্ষকেরা। স্কুলে দিনের পর দিন অনুপস্থিত থেকে বেতন তোলেন প্রতি মাসে। সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের দায়িত্বের আবহেলাকে দায়ী করেছেন শিক্ষক সমাজ। সোমবার ও মঙ্গলবার শিক্ষক ফয়জুর রহমান বাবু’র স্কুলে অনুপস্থিতির ব্যাপারে জানতে চাইলে ডিবি ইউনাইটেড মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোমিনুর রহমান মুকুল বলেন, একদিন ট্রেজারি কাজে পাঠিয়েছিলাম আর এক দিন বলতে পারবো না। সোমবার ও মঙ্গলবার শিক্ষক আবুল কাশেমের স্কুলে উপস্থিতির ব্যাপারে জানতে চাইলে উদয়ন মাধ্যমিক বিদ্যলয়ের প্রধান শিক্ষক রোকসানা খাতুন বাঁধা বাঁধা কন্ঠে বলেন, একদিন ছুটিতে ছিলেন। মঙ্গলবারের কথা বলতে পারবোনা। তিনি প্রায় স্কুলে অনুপস্থিত থাকেন এমন প্রশ্নে বলেন, কি আর করা তিনি তো সাংবাদিক। কিছু বলার নেই। তবে তিনি ক্লাস ঠিকমত নেন। সাতক্ষীরা সদরের শিক্ষক মাহমুদ হাসান জানান, স্কুলে একবার প্রবেশ করলে আর ছুটি না হলে বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। তবে প্রতিষ্ঠান প্রধান ছুটি দিলে অবশ্যই বাইরে যেতে পারে যে কোন শিক্ষক। অনুপস্থিত থেকে বেতন ভাতা নিলে শুধুমাত্র উক্ত শিক্ষকই নন বরং সংশ্লিস্ট প্রধান শিক্ষকও আইনের আওতায় আসবে এমন কি চাকুরি হারাতে পারেন। এমন ধরনের সুযোগ আমাদের নেই। এর দায় প্রধান শিক্ষকের। এব্যাপারে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার নারায়ন চন্দ্র জানান, আমি এব্যাপারে এখনই খোঁজ খবর নিচ্ছি। অভিযোগ সত্য হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর প্রধান শিক্ষকদের দায়িত্বে অবহেলা থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৩ দিন ১১ ঘন্টা ২১ মিনিট আগে
১১ দিন ১৫ ঘন্টা ৪৬ মিনিট আগে
১১ দিন ১৬ ঘন্টা ১৮ মিনিট আগে
১২ দিন ১২ ঘন্টা ৩৯ মিনিট আগে
১২ দিন ১২ ঘন্টা ৫৬ মিনিট আগে
১৩ দিন ৯ ঘন্টা ৩৩ মিনিট আগে
১৩ দিন ১৬ ঘন্টা ৫২ মিনিট আগে
১৩ দিন ২২ ঘন্টা ৫৬ মিনিট আগে