আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক উত্তাপে কাঁপছে যশোর। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) প্রথমবারের মতো ঐতিহ্যবাহী এই জেলায় পা রাখছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। খুলনার কর্মসূচি শেষ করে এদিন দুপুরে তিনি যশোরে এসে পৌঁছাবেন। শীর্ষ নেতার এই আগমনকে কেন্দ্র করে গোটা জেলা এখন তোরণ, ব্যানার আর ফেস্টুনে ঢাকা এক ‘উৎসবের নগরী’।জেলা বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুর ১২টা থেকে যশোর উপশহর কলেজ মাঠে নির্বাচনি জনসভার মূল কার্যক্রম শুরু হবে। তবে জনস্রোত সামাল দিতে শুধু কলেজ মাঠ নয়, আশপাশের আরও তিনটি স্থানকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এগুলো হলো:
* কলেজ মাঠ সংলগ্ন ঈদগাহ ময়দান
* বাদশাহ ফয়সাল ইসলামী ইনস্টিটিউট স্কুল মাঠ
* উপশহর পার্ক
যাঁরা মূল প্যান্ডেলে জায়গা পাবেন না, তাঁদের জন্য শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে বসানো হচ্ছে বিশালাকার এলইডি স্ক্রিন, যাতে দূর থেকেও প্রিয় নেতার ভাষণ শোনা ও দেখা যায়।সরেজমিনে দেখা গেছে, পাড়া-মহল্লায় চলছে প্রচার মিছিল আর মাইকিং। যশোর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন বলেন, "চেয়ারম্যানের আগমনকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে অভূতপূর্ব প্রাণচাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। আমরা প্রায় ২ লাখ মানুষের সমাগমের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছি।" তারেক রহমান মঞ্চে ওঠার আগে বৃহত্তর কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, নড়াইল, মাগুরা ও ঝিনাইদহ জেলার শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং আসন্ন নির্বাচনের প্রার্থীরা বক্তব্য রাখবেন।
এদিকে হাই-প্রোফাইল এই রাজনৈতিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে স্থানীয় প্রশাসন। যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, জনসভাস্থল ও আশপাশের এলাকায় পাঁচ শতাধিক পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। ইউনিফর্মধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের ঠিক আগ মুহূর্তে তারেক রহমানের এই যশোর সফর দক্ষিণবঙ্গের রাজনৈতিক সমীকরণে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে আট জেলার নেতাকর্মীদের এক মঞ্চে এনে শক্তি প্রদর্শনই এখন বিএনপির মূল লক্ষ্য।
৪ দিন ১৫ ঘন্টা ৪৭ মিনিট আগে
৬ দিন ১৩ ঘন্টা ১০ মিনিট আগে
৮ দিন ৭ ঘন্টা ৩ মিনিট আগে
৮ দিন ৭ ঘন্টা ৫২ মিনিট আগে
৮ দিন ৮ ঘন্টা ৩৬ মিনিট আগে
৯ দিন ৭ ঘন্টা ৪৪ মিনিট আগে
১০ দিন ৫ ঘন্টা ৩১ মিনিট আগে
১২ দিন ১৪ ঘন্টা ৫৪ মিনিট আগে