যশোর-৪ (অভয়নগর-বাঘারপাড়া ও সদর উপজেলার বসুন্দিয়া) আসনে আসন্ন নির্বাচনী লড়াইয়ে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন সাবেক ধর্ম ও পানি সম্পদ মন্ত্রী এবং বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (বিএলডিপি)-র চেয়ারম্যান এম. নাজিম উদ্দিন আল আজাদ। বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদ এবার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে অবতীর্ণ হয়েছেন। নির্বাচন কমিশন থেকে তাঁর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার পর তিনি ‘মোটরসাইকেল’ প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন।১৯৪৬ সালে যশোর সদরের বসুন্দিয়া ইউনিয়নের ঘুনি গ্রামে জন্মগ্রহণ করা নাজিম উদ্দিন আল আজাদ যশোরের রাজনীতির একজন জীবন্ত কিংবদন্তি। তাঁর রাজনৈতিক ক্যারিয়ার প্রায় পাঁচ দশকের। ১৯৭৯ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে বিএনপি থেকে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে চমক সৃষ্টি করেছিলেন তিনি। পরবর্তীতে ১৯৮৮ সালেও এই আসন থেকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হন। তাঁর সুদীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি জাতীয় সংসদের হুইপসহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই অভয়নগর, বাঘারপাড়া এবং বসুন্দিয়া অঞ্চলের রাজনৈতিক চিত্র বদলে যেতে শুরু করেছে। আজাদের সমর্থকরা মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে ব্যাপক উৎসাহের সাথে প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছেন।
বিশেষ করে স্থানীয় প্রবীণ ভোটারদের মাঝে তাঁর অতীতের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। ভোটারদের একাংশের মতে, অভিজ্ঞতার বিচারে তিনি অনন্য, যা তাঁকে নির্বাচনী দৌড়ে এগিয়ে রাখতে পারে।নির্বাচনী মাঠে নিজের অবস্থান এবং জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করে নাজিম উদ্দিন আল আজাদ বলেন, “আমি কোনো পদের মোহ থেকে রাজনীতি করিনি, সবসময় সাধারণ মানুষের অধিকার ও সুখে-দুখে পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। যশোরের মানুষ উন্নয়ন ও সততার পার্থক্য বোঝেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে এলাকার মানুষের যে ভালোবাসা আমি পেয়েছি, আশা করি ভোটাররা তাঁদের মূল্যবান রায়ের মাধ্যমে আমাকে আবারও সেবা করার সুযোগ দেবেন।”যশোর-৪ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ১৬ হাজার ৮০০ এবং নারী ভোটার ২ লাখ ১৭ হাজার ০৩৬ জন। স্থানীয় বিশ্লেষকদের মতে, এবারের নির্বাচনে এই আসনে ‘অভিজ্ঞতা’ এবং ‘পরিবর্তন’-এর এক কঠিন লড়াই হতে যাচ্ছে। একদিকে তরুণ ও নতুন প্রজন্মের ভোটারদের চাওয়া, অন্যদিকে নাজিম উদ্দিন আল আজাদের মতো বর্ষীয়ান নেতার ব্যক্তিগত ইমেজ—সব মিলিয়ে ভোটের সমীকরণ এখন বেশ জটিল।বাঘারপাড়া ও অভয়নগরের চায়ের দোকান থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লায় এখন আলোচনার তুঙ্গে ‘মোটরসাইকেল’। শেষ হাসি কে হাসবেন, তা দেখার জন্য এখন অধীর অপেক্ষায় এই জনপদের মানুষ।
৪ দিন ১৬ ঘন্টা ৫৬ মিনিট আগে
৬ দিন ১৪ ঘন্টা ১৯ মিনিট আগে
৮ দিন ৮ ঘন্টা ১২ মিনিট আগে
৮ দিন ৯ ঘন্টা ০ মিনিট আগে
৮ দিন ৯ ঘন্টা ৪৪ মিনিট আগে
৯ দিন ৮ ঘন্টা ৫২ মিনিট আগে
১০ দিন ৬ ঘন্টা ৪০ মিনিট আগে
১২ দিন ১৬ ঘন্টা ২ মিনিট আগে