মিরসরাইয়ে লায়ন্স ক্লাবের দিনব্যাপী সার্ভিস প্রোগ্রাম নিয়োগপত্র পাচ্ছেন প্রাথমিকের চাকরিবঞ্চিতরা দিনাজপুরে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশীপ প্রতিযোগিতা ২০২৬ অনুষ্ঠিত নাঙ্গলকোট উপজেলা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক গ্রেফতার দিনাজপুরে ১ কোটি ১৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও প্রতারণার অভিযোগে ‘শাহীন স্টোরের’ বিরুদ্ধে মামলা শ্যামনগরে গাছ থেকে পড়ে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু নাগেশ্বরীতে ৬৩ পূজামণ্ডপের জন্য তৈরি হচ্ছে প্রতিমা: নিরাপত্তায় পুলিশের বিশেষ নজর ও পরিদর্শন নাগেশ্বরীতে ৬৩ পূজামণ্ডপের জন্য তৈরি হচ্ছে প্রতিমা: নিরাপত্তায় পুলিশের বিশেষ নজর ও পরিদর্শন শিল্পবর্জ্য ও দূষণের কারণে সুপেয় পানি কমছে : পানি সম্পদ মন্ত্রী জয়পুরহাটে মটর শ্রমিক ইউনিয়নের নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক ও শপথ কৃষকরাই দেশ গড়ার যোদ্ধা: রাষ্ট্রপতি লাখাইয়ে উর্ধ্বমুখী নিত্যপণ্যের দাম,অস্তিরতায় নিম্ন আয়ের মানুষ। জাতিসংঘ সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী আশাশুনি হাসপাতালকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করনে নতুন ভবনের সয়েল টেস্ট উদ্বোধন তা’মীরুল মিল্লাতে আলিমে ভর্তি নিয়ে ভোগান্তির অভিযোগ, নির্বাচিত হয়েও ভর্তি হতে পারেননি অনেকে! দিনাজপুরে সম্ভাবনাময় পর্যটন শিল্পের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস এমপি সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমের পীরগাছায় ছেলের হাতে বাবা খুন, ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন ১৬ বছরে পদার্পণ লালপুর উপজেলা প্রেস ক্লাব পীরগাছায় আল হাজরা ইয়াতিমখানার হাফেজ ছাত্রদের পাগড়ী প্রদান উপলক্ষে তাফসির মাহফিলের প্রস্তুতি ও সুধী সমাবেশ কবিরহাটে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের আরএমওর অনুপস্থিতি নিয়ে তোলপাড়



সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাক্তার শেখ ফয়সাল আহমেদের বিরুদ্ধে দায়িত্ব অবহেলা, দীর্ঘ অনুপস্থিতি ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে গালাগাল করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বায়োমেট্রিক হাজিরা রেকর্ড বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত তিন মাসে তিনি ৫০ দিন কর্মস্থলে ছিলেন না।


হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর এই তিন মাসে ডাক্তার ফয়সাল মাত্র ২৮ দিন হাজির ছিলেন। জুলাই মাসে উপস্থিতি ছিল মাত্র ১ দিন, আগস্টে ১২ দিন এবং সেপ্টেম্বরে ১৫ দিন। এর বাইরে ৫০ দিনই তিনি অনুপস্থিত ছিলেন।


এ ঘটনায় সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ও হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার মোঃ আব্দুস সালাম স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ পাঠিয়েছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর দুপুরে হাসপাতালের দপ্তরে ডাক্তার ফয়সাল অকথ্য ভাষায় গালাগাল ও মারমুখি আচরণ করেন।


সিভিল সার্জন ডাক্তার মোঃ আব্দুস সালাম জানান, হাসপাতালে দালাল চক্র অপসারণে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে অভিযান চালানো হয়েছিল। এই বিষয়ে জানতে চাইলে ডাক্তার ফয়সাল ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। তিনি নিজেও হাসপাতালের সামনে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন, সেখানেও রোগী ভাগিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।


তিনি আরও বলেন, আগের তদন্তগুলোতেও তার বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এবারও ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে আমরা মহাপরিচালকের কাছে আবেদন করেছি।


অন্যদিকে অভিযুক্ত ডাক্তার শেখ ফয়সাল আহমেদ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি প্রতিদিন হাসপাতালে রাউন্ড দিই, ভর্তি রোগীদের খাতায় আমার স্বাক্ষর আছে। বায়োমেট্রিক হাজিরায় সাইন না দিলেও আমি নিয়মিত ছিলাম। অভিযোগগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।


রাজনৈতিক প্রভাব সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার পরিবারে কেউ আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নয়। বরং আমাকে ইচ্ছার বিরুদ্ধে ওই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে, যা আমি প্রত্যাখ্যান করেছি।


এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। প্রমাণ মিললে ডাক্তার শেখ ফয়সাল আহমেদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

Tag
আরও খবর