/ সম্পাদকীয় ও কলাম

করোনা কালের অবস্থা: চাই সচেতনতা

সায়েম আহমাদ - রিপোর্টার

আপডেট: 07-04-2021 14:38:53

করোনা কালের অবস্থা

পৃথিবীর বুকে ছোট বড় সব ধরনের মানুষের কাছেই চিরো চেনা হয়ে গেছে ভয়াবহ আত্তঘাতী করোনা ‌নামক ভাইরাস। চলমান পৃথিবীটা যেন থমকে দাঁড়িয়েছে এক নিমিষেই । মহামারির করোনা মানুষের অস্বাভাবিক জীবন যাপন এর মূল কারণ। সামাজিক দূরত্ব বিশ্বের মানুষকে নতুন ভাবে জীবন যাপন করতে শিখিয়েছে, একাকীত্ব জীবন পার‌ করতে মানুষের ব্যাপকভাবে হিমসিম খেতে হচ্ছে । এরকম অস্বাভাবিক জীবন যাপন যেন মানুষের বহুমুখী করে তুলেছে। দেশের মধ্যে অসংখ্য অসহায় পরিবার রয়েছে, করোনা তাদের জীবনের ধারাকে করে দিয়েছে ছন্নছাড়া। শারীরিক শ্রম শক্তি দিয়ে তারা তাদের নিজেদের এবং পরিবার পরিজনের জন্য খাবারের ব্যাবস্থা করে, কিন্তু এই মহামারির করোনা ভাইরাস করে দিয়েছে তাদের কর্মহীন। এই কঠিন সময়ে কাজকর্মে ব্যাঘাত ঘটে যাওয়ার কারণে তাদের হতে হয় অর্থহীন। এ রকম ভয়াবহ সময়ে নিজেদের মনোবল ও শ্রমশক্তি ব্যাপকভাবে ভূমিকা পালন করছে। নিজেদের দৈনন্দিন জীবন ভালোভাবে কাটানোর জন্য এই ভয়াবহ করোনা ভাইরাস ব্যাপকভাবে বিরাজমান করছে।

ভয়াবহ সময়ে নিজেদের সকল বিষয়ে প্রস্তুত থাকতে হবে একাকিত্ব জীবন যাপন সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে করোনা ভাইরাস থেকে দূরে থাকতে হলে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

এই মহামারির সময়ে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়াই ব্যাপক ভাবে শিক্ষার্থীদের ওপর বিশাল এক চাপ নেমে এসেছে।

করোনা ভাইরাস দেশের ছেলে ও মেয়েদেরকে করে দিয়েছে লেখাপড়া থেকে অনেক দূরত্ব, এই কঠিন সময়ে লেখাপড়া থেকে অধিক দূরত্বে থাকায় পরিপূর্ণ ভাবে জ্ঞান লাভ করতে পারছে না শিক্ষার্থীরা । সরকার লেখাপড়া করার জন্য অনলাইনে লেখাপড়ার সুযোগ করে দিয়েছে । কিন্তু পড়াশোনা করতে হলে মন কে হাসিখুশি থাকতে হয় । কিন্তু এরকম সময়ে নিজেদের মনোবল ভেঙে যায় ভাইরাস এর প্রকটে কারনে। এরকম কঠিন সময়ে মন মানসিকতা পরিবর্তন হয়ে যাওয়াটাই স্বাভাবিক ব্যাপার। কারণ করোনা নামক ভাইরাস এর কথা মনে এলে ভয়ে শরীর ঝিম ঝিম করে ওঠে। সেই সময়ে লেখাপড়া করার মতো কোনো মন মানসিকতার সৃষ্টি হয় না। তার কারনে লেখাপড়া থেকে অধিক পিছিয়ে পরেছে শিক্ষার্থীরা।

পৃথিবীর অন্যতম যোগাযোগের মাধ্যম হলো স্মার্ট মোবাইল ফোন। পৃথিবীর বহুসংখ্যক মানুষের কাছে এই সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম স্মার্ট ফোন আছে । আমরা খুব সহজেই দেশের ও দেশের বাইরের সব ধরনের খবরাখবর জানতে পারি । করোনা এর এই একাকীত্বের জীবন যাপন এর কারণে স্বাভাবিক জীবন যাপন না করতে পারায় স্মার্ট ফোন এর মাধ্যমে ঘরে বসেই সকল বিষয়ে যোগাযোগ করতে পারি। করোনা ভাইরাস মানুষের দূরত্বে রাখার জন্য পরিবারের কেউ যদি অসুস্থ হয়ে পড়েন তাহলে কঠিন সময়ে ঘরের বাইরে যাওয়া খুবই ভয়াবহতা বিরাজমান করে । সেজন্য আমাদের এই বিপদের সময়ে মোবাইল ফোন থেকে আমারা হাসপাতালে যোগাযোগ করতে পারি । সকল বিষয়ে আমার ঘরে বসে যোগাযোগ করতে পারি। মানুষের একাকীত্ব সময়ে এটি একটি অন্যতম ভূমিকা পালন করেছে ‌‌। করোনা ভাইরাস এর এই কঠিন সময়ে একাকীত্ব জীবন যাপন মানুষকে করে দিয়েছে ছন্নছাড়া জীবন। সবমিলিয়ে মানুষের জীবন বাঁচানো হলো মূল বিষয়। সাবধানতা অবলম্বন করে দেশকে ভালো রাখতে হলে আমাদের সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

এই কঠিন সময়ে নিজেদের সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সমাজের শান্তি রক্ষায় নিজেকে করোনা ভাইরাস থেকে মুক্ত রাখতে এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের ভালো রাখতে হলে আমাদের সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। সর্বদা ছোট বড় সবাইকে মুখে মাস্ক পরিধান করতে হবে । ঘরের বাইরে বের হলে মাস্ক অবশ্যই পড়তে হবে । ঘন ঘন জীবাণু নাশক দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলতে হবে। নিজকে ভাইরাস থেকে মুক্ত রাখুন অপরকে ও ভাইরাস মুক্ত রাখুন । নিয়ম মেনে চলুন দেশকে ভালো রাখুন।

লেখক

আশিকচৌধুরী



Tag

Comments (0)

Comments