ডোমারে ভিডিপি-টিডিপির গাছের চারা বিতরণ সরকারি প্রণোদনায় চৌদ্দগ্রামে ফারমার্স মিনি কোল্ড স্টোরেজ চালু কালিগঞ্জের চৌমুহনী ফাজিল মাদ্রাসায় এমপি রবিউল বাশারের সংবর্ধনা ও নবীনবরণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চলমান থাকবে: কালিগঞ্জে ইউএনও তানিয়া নগরীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ৪ প্রতিষ্ঠানে ২৯ হাজার টাকা জরিমানা চিলমারীতে "ফ্রেন্ডশীপের (FDIDP) প্রকল্পের সাথে, সরকারি স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের" এডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত। চিলমারীতে "ফ্রেন্ডশীপের (FDIDP) প্রকল্পের সাথে, সরকারি স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের" এডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত। ঝিনাইগাতী থানার ওসি এস এম নুর মোহাম্মদ শেরপুর জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত উলিপুর সরকারি কলেজে নবীন বরন অনুষ্ঠিত বিজেএসে দেশসেরা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিয়াম জাতীয় শিতোরিউ কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে জয়পুরহাটের ৩২ পদক জয় শ্রীমঙ্গলে বাসতঘর থেকে দুর্লভ ‘আইড ক্যাট স্নেক’, উদ্ধার ফরিদপুরে বিদ্যুৎ অপচয় রোধে রাতের অভিযানে ৭ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ফরিদপুর পৌরসভার শিক্ষাবৃত্তির তালিকা প্রকাশ, বৃত্তি পাবেন ১১শিক্ষার্থী অন্ধকার মাঠে কিশোরদের আড্ডা, শ্রীমঙ্গলে রাতের পরিদর্শনে ইউএনওর সতর্কবার্তা দুই সাংবাদিকের ওপর হামলার প্রতিবাদে নোয়াখালীতে মানববন্ধন বানিয়াচংয়ে নিখোঁজ ফারিয়ার সন্ধানের দাবীতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন সাতক্ষীরা জেলা যুবদলের নতুন কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে কালিগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আনন্দ মিছিল শান্তি ও সামাজিক সংহতিতে অবদানের স্বীকৃতি পেল হাসি মুখ ইয়ুথ এন্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন। নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বরদাশত করা হবে না -আইসিটি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন এমপি

উখিয়া রেঞ্জে উচ্ছেদ হয় ঝুপড়ি, নির্মিত হয় অট্টালিকা

কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের উখিয়া রেঞ্জের ৮ টি বনবিটের অধিকাংশই সংরক্ষিত বনভুমি বেদখল হয়ে গেছে। সংশ্লিষ্ট বনবিভাগের বিট কর্মকর্তা, প্রহরী ও হেডম্যানদের ম্যানেজ করে নির্মাণ করা হচ্ছে একের পর এক বহুতল ভবন। তবে দায় এড়াতে মাঝে মধ্যে ঝুপড়ি ঘর উচ্ছেদ করে থাকেন সংশ্লিষ্টরা।


বৃহস্পতিবার উখিয়া রেঞ্জের দোছড়ি বিটের খয়রাতিপাড়া এলাকায় দুইটি টিনের ঘর দখল মুক্ত করে বনবিভাগ। উখিয়া সদর ও দোছড়ি বিটের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা মো. সাজ্জাদুজ্জামান অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।


যদিও একই বনাঞ্চলের আশে-পাশে অসংখ্যা স্থাপনা ও বহুতল ভবন নিমার্ণ অব্যাহত রয়েছে। ফলে বৃহস্পতিবার এই ঝুপড়ি ঘর দুইটি উচ্ছেদ নিয়ে প্রশ্ন করেছে স্থানীয় লোকজন। তাদের জানিয়েছে, যেই এলাকায় উচ্ছেদ করা হয়েছে, তার আশপাশে হাজারো পাকা বাড়িঘর রয়েছে। কিন্তু বনবিভাগের লোকজনদের ম্যানেজ করার কারনে তা উচ্ছেদ বা তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয় না।


একই রেঞ্জের বনবিভাগের আওতাধীন শীলের ছড়া, শৈলার ডেবা, ধইল্লা ঘোনা, হাজম রোড, আদর্শ গ্রাম, কুতুপাল, পাতাবাড়ী, ভালুকিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় অসংখ্যা বহুতল ভবন নির্মাণ অব্যাহত থাকতে দেখা গেছে। যেখানে ভালুকিয়াপালং আমতলীতে দ্বিতল বিশিষ্ট একটি ভবনের নিমার্ণ কাজ প্রায় শেষ। বাড়িটির মালিক কে জানতে চেষ্টা করা হলেও কথা বলতে রাজী নন স্থানীয়রা। তবে এক ব্যক্তি বলেছেন, বনবিভাগ ভালো জানেন কারা এটা নিমার্ণ করেছেন। একই ভাবে রাজাপালং ইউনিয়নের হরিণমারা, কুতুপালং, থাইংখালী ও পালংখালী স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায় রাস্তার পাশেই দেখা গেছে পাকা স্থাপনা নিমার্ণের দৃশ্য।


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক লোকজন জানান, উখিয়ায় যেখানে বাড়ি নির্মাণের কাজ শুরু সেখানেই কালা সোনা নামক ব্যাক্তি হাজির। বনবিভাগকে ম্যানেজ করার কথা বলে আদায় করে মোটা অংকের টাকা। এবং তাকে ম্যানেজ না করলে ফরেস্ট ডিপার্টমেন্টের লোক এসে ডিস্টার্ব করে। কালা সোনার সাথে উখিয়া রেঞ্জের সদর বিট কর্মকর্তা সাজ্জাদুজ্জামান, মুন্সি আওয়াল ও কালাম এই দুইজন কালা সোনার সকল কর্মকান্ডে জড়িত।





অভিযোগের বিষয়ে বৃহস্পতিবার বিকালে উখিয়া রেঞ্জের সদর ও দোছড়ি বিট কর্মকর্তা মো. সাজ্জাদুজ্জামানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অপকটে স্বীকার করেন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদেরও সীমাবদ্ধ আছে। তবুও পাতাবাড়ী এলাকায় অট্রালিকা নির্মাণকারী জনৈক অশোক কুমারের বিরুদ্ধে দুইটি মামলা দেয়া হয়েছে।


বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উখিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা গাজী মুহাম্মদ শফিউল আলম এর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি দখলের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, নতুন করে এখন দখল হচ্ছে না।


তিনি বলেন, অট্রালিকা নির্মাণের তথ্য থাকলে দেন। দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।


উখিয়া রেঞ্জ এ ৮ টি বনবিটে কি পরিমান সরকারি জমি বেদখল রয়েছে, এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি স্থানীয়দের দখলের বিষয়ে পরিসংখ্যান দিতে না পারলেও রোহিঙ্গাদের কারনে ৫ হাজার ৮শত, ৩৬ একর জমি বেদখল রয়েছে বলে দাবি করেন। তার কর্মকালীন সময়ে দখলবাজদের বিরুদ্ধে সাড়ে ৩ হাজার মামলা দায়ের করেছে বলে দাবি করেন এই কর্মকর্তা।


গতকাল কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের বিভাগীয় বনকর্মকর্তা (ডিএফও ) মো. সারওয়ার আলমের সাথে কয়েকদফা যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেনি। তাঁকে না পেয়ে সন্ধ্যায় কক্সবাজারে সহকারী বনসংরক্ষক (এসিএফ) মো. আনিসুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সু-নিদিষ্ট তথ্য দেন, ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি বন রক্ষার্থে নানা উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তার আলোকে ইতিমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে।


তিনি উখিয়া একটি দখলের ঘটনা উল্লেখ করে বলেন, দখলবাজের বিরুদ্ধে ২০১৭ সাথে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। আদালতের রায়ের পর কয়েকদিন আগে তা উচ্ছেদ করা হয়েছে। তিনি বন রক্ষার্থে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

Tag
আরও খবর