লাখাইয়ে পরিদর্শিকা সুচিত্রার দুর্নীতি অনিয়মের তদন্তে নাটকীয়তা, ভুক্তভোগীদের কথা না শুনেই সটকে পড়ল তদন্ত কমিটি। জাবিপ্রবিতে সাংবাদিক সমিতির উদ্যোগে ‘বেসিক জার্নালিজম, মোজো ও এআই রিপোর্টিং’ কর্মশালা অনুষ্ঠিত চিলমারীতে "শিক্ষার্থী-অবিভাবক সমাবেশ ও পুরষ্কার" বিতরণ ‎সুন্দরবনে প্রবেশ বন্ধে প্রাণীদের মধ্যে স্বস্তি, বেড়েছে বিচরণ ক্ষেত্র *র‌্যাব-১৫ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে কক্সবাজারের উখিয়ায় অস্ত্র ও গুলিসহ এক রোহিঙ্গা যুবক গ্রেফতার।* ঈশ্বরগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি ‎ ‎মোংলায় প্রতিমন্ত্রীর সাক্ষর জাল করে তদবির বাণিজ্য, গ্রেফতার ১ ‎ আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউটের উদ্বোধন করলেন সেনাপ্রধান ৫ আগস্ট ছুটি নেই যাদের সরকারি দপ্তরে এআই ব্যবহারে সতর্কতার নির্দেশ পীরগাছায় ৫ আগস্টের ১১ দলীয় ঐক্যের গণমিছিল সফল করতে প্রস্তুতিমূলক সভা দৈহিক ও নৈতিক চরিত্র গঠনে খেলাধুলার কোন বিকল্প নেই- এমপি পিনাক চৌধুরী বেগমগঞ্জে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে লেখকদের নবনির্মিত বসার ঘর উদ্বোধন মাত্র ১০ মাসে কোরআনের হাফেজ ৯ বছরের আরহাম ভূঁইয়া বুটেক্সে শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ কদভানু তালিমুল কুরআন মহিলা মাদ্রাসা সম্পর্কে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ শ্যামনগরে ডিলার মূল্যের বেশি দামে সার বিক্রি করায় মোবাইল কোর্টে জরিমানা আমাদা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নতুন সভাপতি নির্বাচিত হলেন প্রাইম ইউনিভার্সিটির প্রাক্তন ছাত্র মো: সালাহউদ্দিন খান চন্দনাইশে মাদকসহ আটক দুই তরুণকে রাজনৈতিক মামলায় চালান আশাশুনিতে দেশের প্রথম ওয়েব সাইটের আন্ত:সংযোগ ও মনিটরিং সিস্টেম বাস্তবায়ন

৬২ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ঐতিহাসিক সরকারি বাঙলা কলেজ।

বাঙলা কলেজ নামটি শুনলেই আমাদের মনে যে দিকটি দোলা দেয় তা হলো বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষা হিসেবে বাংলাকে প্রতিষ্ঠার জন্য বাঙালিরা যে সংগ্রাম করেছিলেন তা ই বিশ্বের বুকে মাতৃভাষা আন্দোলন হিসেবে পরিচিত। বাংলা ভাষার জন্যে রক্তদানের কারণে যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি মিলে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর তারিখে। মাতৃভাষা বাংলাকে রক্ষার জন্য বুকের তাজা রক্ত উৎসর্গ করেছিলেন সে সময়ের দেশ ও ভাষা প্রেমিক শহীদ রফিক,সালাম,বরকত,শফিউর, আউয়াল সহ আরো অনেকে। যা পৃথিবীর ইতিহাসে বাঙালিরাই প্রথম নজির হিসেবে দেখিয়েছিল। এই ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনের সাথে যুক্ত এমনই একজন দেশ ও ভাষা প্রেমিক তমুদ্দিন মজলিশের ( ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন ) স্থপতি পৃন্সিপাল আবুল কাসেম। ১৯৬২ সালের ১ লা অক্টোবর তারিখে তিনি বাঙলা কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। মূলত ভাষা আন্দোলন পরবর্তী সময়ে বাঙালির জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে বাংলা ভাষাকে প্রতিষ্ঠা ও বাংলাকে সকল পর্যায়ের শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে তিনি এই কলেজটি প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে এই কলেজের সভাপতি ছিলেন বিশিষ্ট ভাষাবিদ ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ্, সাধারণ সম্পাদক পৃন্সিপাল ইব্রাহীম খাঁ এবং পৃন্সিপাল ( অধ্যক্ষ ) ছিলেন ভাষা সৈনিক, তমুদ্দিন মজলিশের অন্যতম সংগঠক দেশবরেণ্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আবুল কাসেম। পরবর্তীতে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পাকিস্তানি হায়েনারা কলেজটিকে বদ্ধভূমিতে ( বর্তমানে চিহ্নিত ) পরিণত করে রাখে এবং বাঙলা কলেজের সাইনবোর্ড নামিয়ে উর্দু কলেজ নামে সাইনবোর্ড স্থাপন করে। যদিও পূর্ব থেকেই বাঙলা কলেজ প্রতিষ্ঠা পশ্চিমা শাসকেরা ভালো ভাবে নেয়নি। ১৯৮৫ সালে কলেজটি জাতীয়করণ করা হয়। বর্তমানে অধ্যাপক মো.জাহাঙ্গীর হোসেন কলেজটিতে অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করছেন। কলেজটি রাজধানী ঢাকার মিরপুরে ২৫ একর জায়গার উপর অবস্থিত। বর্তমানে কলেজটিতে উচ্চমাধ্যমিক এবং স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ৩ টি অনুষদের অধীনে বিভিন্ন বিষয়ে পাঠদান করা হয়। কলেজটিতে ত্রিশ হাজারের উপরে শিক্ষার্থী রয়েছে। কলেজটিতে দুইটি ১০ তলাসহ মোট ৮ টি ভবন রয়েছে। এবং ছাত্রদের থাকার জন্য ২ টি ছাত্রাবাস ও যাতায়াতের জন্য বর্তমানে ২টি বাস রয়েছে। লাইব্রেরী,অডিটোরিয়াম,বিএনসিসি, রেডক্রিসেন্টসহ ছাত্র-ছাত্রীদের সংস্কৃতি চর্চার জন্য রয়েছে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক মাধ্যম ও রাজনৈতিক বিভিন্ন সংগঠন। ইতিহাস আশ্রিত এই বাঙলা কলেজের নীতিবাক্য হলো 'হে প্রভু আমাকে জ্ঞান দাও'। 


আরও খবর