উলিপুরে মাদক সেবনের দায়ে তিনজনের কারাদণ্ড ও জরিমানা আবু সাঈদ-ওয়াসিম স্মৃতি ফুটবল: জাবিপ্রবিতে চ্যাম্পিয়ন গণিত বিভাগ ঝিনাইগাতীতে দেশীয় মাছ ধরার ১২০০ মিটার অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল আটক ও ধ্বংস ১০৪ লিটার বাংলা মদসহ চন্দনাইশে দুজন গ্রেপ্তার, নারী মূলহোতা পলাতক পাওনা ফেরত না পেয়ে বুশরা গ্রুপের সম্পত্তি বিক্রি বন্ধের দাবি আমানতকারীদের ‎গভীর সমুদ্রে থাকা ১২ জেলেকে উদ্ধার করেছে কোস্ট গার্ড সাপে কাটা মেধাবী ছাত্র শাহিনের মৃত্যুতে শোক, পরিবারের পাশে শেরপুর জেলা প্রশাসন বরিশালে কার্যক্রম গতিশীল করতে বিএমপি কর্মকর্তাদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা লাখাইয়ে সুতাংনদীর স্তূপীকৃত বালি নিলাম দিতে গিয়ে স্থানীয়দের তোপের মুখে উপজেলা প্রশাসন। লালপুরে ইমো হ্যাকিং চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার কুলিয়ারচরে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী বড় ভাইসহ ৪ জনকে মারধোরের অভিযোগ ভোজ্যতেল পরিমাপে কারচুপি ও বিভিন্ন অপরাধে নরসিংদীতে জরিমানা ৩ লাখ টাকা বারইয়ারহাটে আল-আবরার হজ্ব কাফেলার ওমরা কনফারেন্স শেরপুরে বিনা লাইসেন্সে পশুখাদ্য উৎপাদন, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা লক্ষ্মীপুর নজরুলের আগমনের শতবর্ষে জেলা সাহিত্য সংসদের প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ মিরসরাইয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের মাসিক সমন্বয় সভা কুল্যা টু বাঁকা সড়ক মরণফাঁদে পরিণত দ্রুত সংস্কারের দাবি চন্দনাইশে বেশি দামে ইউরিয়া সার বিক্রি, ডিলারকে জরিমানা লাখাইয়ে পবিত্র জসনে জুলুস ঈদে মিলাদুন্নবী (স) উদযাপিত। ৪টার পর ক্যাম্পাসে অবস্থান নিষিদ্ধ, শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন ‘কলেজ নাকি কিন্ডারগার্টেন?’

৩৩ বছরে অচল রাকসুর সাড়ে ৩ কোটি টাকা গেল কোথায়?

ফাইল ছবি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) অচল রয়েছে ৩৩ বছর। নির্বাচন না হলেও একজন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে প্রতি বছর ছাত্র সংসদ ফি বাবদ নেওয়া হচ্ছে ১৫ টাকা, আবাসিক হোক কিংবা অনাবাসিক, তাকে বাধ্যতামূলক ৩০ টাকা হারে দিতে হচ্ছে হল সংসদ ফি। প্রায় তিন যুগ ধরে রাকসু অচল থাকলেও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে এই খাতে ফি নেওয়ার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

হিসাব কষে দেখা গেছে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থীকে তার ৫ বছরের শিক্ষাজীবনে রাকসু বাবদ ফি দিতে হচ্ছে ২২৫ টাকা। দীর্ঘদিন নির্বাচন না হওয়ার ফলে তৈরি হচ্ছে না রাকসু বডি। এতে নির্দিষ্ট ফি দিয়েও একজন শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতি-নির্ধারণে তার প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে পারছে না।


বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাবিতে বর্তমানে নিয়মিত শিক্ষার্থী আছেন ২৬ হাজার ৩১৫ জন। ফলে প্রতি বছর রাকসু ও হল সংসদ ফান্ডে জমা হচ্ছে ১১ লাখ ৮৪ হাজার ১৭৫ টাকা। শিক্ষার্থী সংখ্যা কিছুটা কমিয়ে ধরলেও ৩৩ বছরে কেবল রাকসু ফান্ডেই জমা থাকার কথা প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা। ছাত্র সংসদ ফি থেকে প্রাপ্ত এ টাকা আসলে কোথায় যাচ্ছে, এমন প্রশ্নের জবাবে রাকসুর কোষাধ্যক্ষ ড. মো. জাফর সাদিক বলেন, ছাত্র সংসদের টাকা ফান্ডেই জমা আছে। আমি যোগ দেওয়ার আগে একবার স্পোর্টস প্রোগ্রামের জন্য মনে হয় এখান থেকে খরচ করা হয়েছিল, এছাড়া আর কোনও খাতে রাকসুর টাকা খরচ হয়নি। রাকসু নির্বাচন যখন হবে, তখন নিয়মানুযায়ী যেভাবে টাকাটা খরচ হওয়ার কথা, সেভাবেই হবে।


নির্বাচন না দিয়ে ফি নেওয়া কতটা যৌক্তিক এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আপনি এসব প্রশ্ন সভাপতিকে জিজ্ঞাসা করেন। আমাকে নয়।’


তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. ফরিদ উদ্দিন খান রাকসু ফি নেওয়ার যৌক্তিকতা নেই উল্লেখ করে বলেন, ‘যেটি ফাংশনাল না বছরের পর বছর ধরে, সে খাতে শিক্ষার্থীদের কাছ ফি নেওয়া হচ্ছে। নীতিগতভাবে তো নয়ই, আইনগতভাবেও এর কোনো যৌক্তিকতা থাকার কথা নয়। রাকসু যেহেতু ফাংশন করছে না, আমি মনে করি এ বাবদ ফি আদায় অবিলম্বে স্থগিত করা উচিত।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী সাকলাইন গৌরব বলেন, ‘রাকসু নির্বাচনের খবর নেই, ছাত্র সংসদ অকার্যকর হয়ে আছে। অথচ প্রশাসন প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে অনৈতিকভাবে রাকসুর ফি নিচ্ছে। ৩৩ বছরে জমা ফান্ডের টাকার হিসাব কি তারা আদৌ দিতে পারবে?’


রাকসু আন্দোলন মঞ্চের সমন্বয়ক আব্দুল মজিদ অন্তর এ বিষয়ে বলেন, ‘আমরা সবার আগে চাই রাকসু নির্বাচন। রাকসু কার্যকর হলে, এ ফান্ডের অর্থ নিয়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ প্রশাসনের কাছে কৈফিয়ত চাইবে। তবে যেহেতু দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচন হচ্ছে না, সেক্ষেত্রে রাকসু ফি সাময়িকভাবে স্থগিত করা যেতে পারে।’

রাকসু ফান্ডে বর্তমানে কত টাকা জমা আছে এবং কী খাতে এই টাকা খরচ হয় তা জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক অবায়দুর রহমান প্রামাণিকের সাথে যোগাযোগ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী অর্থ ও হিসাব সংক্রান্ত সার্বিক বিষয়ের তত্ত্বাবধানে থাকেন কোষাধ্যক্ষ। তবে তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য দিতে রাজি হননি। 


বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম সাঊদের কাছেও একই প্রশ্ন নিয়ে হাজির হন এ প্রতিবেদক। তিনিও রাকসু ফি নেওয়ার যৌক্তিকতা প্রসঙ্গে কোনো কথা বলতে রাজি হননি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সুলতান-উল-ইসলাম বলেন, ‘রাকসু সম্পর্কিত বিষয়গুলো নিয়ে রাকসুর সভাপতি অর্থাৎ উপাচার্যকে জিজ্ঞেস করুন। এ বিষয়টি নিয়ে আমার জায়গা থেকে কোনো মন্তব্য দেওয়ার সুযোগ নেই।’

রাকসু সম্পর্কিত এসব বিষয়ে কথা বলার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম সাব্বির সাত্তারের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। উপাচার্য অফিসে সকল নিয়ম মেনেই দেখা করার সময় চাওয়া হয়। কিন্তু কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে মোবাইল ফোনে রাবি উপাচার্যের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তবে তিনি এ বিষয়ে মন্তব্য দিতে রাজি হননি।

সাজ্জাদ হুসাইন / বিভি/ডিসি 


আরও খবর




6a79616e705ce-100826112814.webp
এসএসসির ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ

১৫ দিন ১৬ ঘন্টা ৩৯ মিনিট আগে