দেশে মাদক পরিবহন, সীমান্ত পারাপার এবং রাজধানীর অভ্যন্তরীণ হটস্পট পরিচালনার পেছনে রাজনৈতিক মদদ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কিছু অসাধু কর্মকর্তার প্রত্যক্ষ যোগসাজশ রয়েছে বলে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন।
আজ শুক্রবার (৬ নভেম্বর ২০২৬) রাজধানীর সিডরাপ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণের চ্যালেঞ্জ ও করণীয়’ শীর্ষক এক জাতীয় সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব গুরুতর তথ্য ও পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন।
সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন বলেন, "সীমান্তের ওপার থেকে রাজধানী ঢাকা পর্যন্ত বিস্তৃত شبکه ও একাধিক প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের হাতবদলে দেশে মাদকের বিস্তার ঘটছে। রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয় এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অসাধু সদস্যদের মদদ ছাড়া এই বিশাল পরিবহন ও সরবরাহ চেইন সচল রাখা একেবারেই অসম্ভব।"
অনুসন্ধানী তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি আরও জানান, কিছু নির্দিষ্ট পরিবহন সংস্থার মাধ্যমে কৌশলে মাদক সরবরাহের স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে। এমনকি জীবনরক্ষাকারী ওষুধের আড়ালে বিভিন্ন রাসায়নিক কেমিক্যাল দেশে এনে ঢাকায় কৃত্রিম মাদক মেথামফেটামিন বা ‘মেথ’ তৈরির ল্যাব পরিচালনার চাঞ্চল্যকর তথ্যও উঠে এসেছে।
মাদকের ভয়াবহ ছড়ানো বন্ধে বাস্তবসম্মত কৌশল তুলে ধরে ঢাকা-৬ আসনের এই প্রতিনিধি বলেন, "বাস্তবতার নিরিখে মাদকের সব চাহিদা শতভাগ রাতারাতি বন্ধ করা কঠিন হলেও এর মূল সরবরাহ ব্যবস্থা বা সাপ্লাই চেইন অবিলম্বে ধ্বংস করতে হবে। এ জন্য রাজনৈতিক পরিচয় বা পদ-পদবি বিবেচনা না করে মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত সকল ব্যক্তি ও মদদদাতাকে কঠোর আইনের আওতায় আনতে হবে।
১ ঘন্টা ২৮ মিনিট আগে
২ ঘন্টা ১৬ মিনিট আগে
২০ ঘন্টা ৩১ মিনিট আগে
২২ ঘন্টা ১৪ মিনিট আগে
২২ ঘন্টা ৪৮ মিনিট আগে
১ দিন ২২ মিনিট আগে
১ দিন ২৫ মিনিট আগে