নোয়াখালীতে বিএনপি নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি, গুলিবিদ্ধ ২: বিক্ষোভ মিছিল, সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধনের পর 2 শুটারকে ধরতে দুই লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা।
রিপন মজুমদার জেলা প্রতিনিধি নোয়াখালী;
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী বাজারে জেলা বিএনপির সাবেক ধর্মবিষয়ক সম্পাদক ও চৌমুহনী হকার্স সমবায় সমিতির সভাপতি,বাঁধান পরিবহনের চেয়ারম্যান হাজী আবুল কাশেমকে (৬০) লক্ষ্য করে অতর্কিত গুলি চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এসময় স্থানীয় ফার্মেসি ব্যবসায়ী ও বেস্ট কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক ইয়াছিন সেন্টুর বুকে গুলি লাগে।গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে ইয়াছিন সেন্টুর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
বৃহস্পতিবার ( ৬ই আগষ্ট) রাত পৌনে ১২টার দিকে চৌমুহনী বাজারের হকার্স মার্কেটের মূল গলি এলাকার ওবায়দুলের চায়ের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার বিকেলে চৌমুহনী হকার্স সমবায় সমিতি ও স্থানীয় বিএনপি যৌথভাবে চৌমুহনী বাজারে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে।
বিক্ষোভ শেষে শনিবার সকালে হকার্স মার্কেটে সকল দোকান বন্দ রেখে মানববন্ধন কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
শুক্রবার সন্ধ্যায় হকার্স সমবায় সমিতির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে হামলায় আহত হাজী আবুল কাশেম ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দেন। সংবাদ সম্মেলনে হাজী আবুল কাশেম অভিযোগ করে বলেন, "বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আমলে আমার বিরুদ্ধে ৪২টি মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছিলো, হকার্স মার্কেটে চাঁদাবাজি ও মাদকের বিস্তার ঘটাতে একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা চালিয়ে আসছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তির দিকে ইঙ্গিত করে তিনি আরও বলেন, ২০২৬ সাল পর্যন্ত মদ খাওয়ার লাইসেন্সধারী ও বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত ঐ ব্যক্তি আমাকে হত্যা এবং হকার্স মার্কেট দখলের অপচেষ্টায় লিপ্ত আছে।হামলার বিবরণ দিয়ে তিনি জানান, বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১২টার দিকে তিনি ও তার সহযোগী ইয়াছিন সেন্টুসহ অফিস থেকে হেঁটে বাসায় ফিরছিলেন। পথে ওবায়দুলের চায়ের দোকানের সামনে পৌঁছালে হেডলাইটবিহীন একটি মোটরসাইকেলে আসা দুই যুবক সামনে আসে, এবং পেছনে থাকা যুবক তাঁকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি চালায়।
প্রথম গুলিটি তাঁর ডান হাত ঘেঁসে চলে যায়, এরপর চিৎকার দিতে না দিতেই মোটরসাইকেলটি আবার ঘুরিয়ে আসলে আমার পেছনে থাকা ইয়াছিন সেন্টু আমার সামনে আসলে আবার গুলি চালালে ইয়াছিন সেন্টুর বুকে লাগে, এরপর আরেকটি গুলি করতে দেখে আমি মাটিতে লুটিয়ে পড়ি। গুলির শব্দে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।এ বিষয়ে নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বেগমগঞ্জ সার্কেল) এএনএম ইমরান খান জানান, ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে হামলাকারীদের শনাক্ত করতে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে নেমেছে। অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।
১ ঘন্টা ১৩ মিনিট আগে
১ ঘন্টা ৩৪ মিনিট আগে
২ ঘন্টা ২৩ মিনিট আগে
২ ঘন্টা ২৫ মিনিট আগে
২ ঘন্টা ২৫ মিনিট আগে
২ ঘন্টা ২৯ মিনিট আগে