পদত্যাগের ঘোষণা ইশরাকের, দুপুরে সংবাদ সম্মেলন বাংলাদেশে ৩৯০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে কানাডা সাংবাদিকের সঙ্গে প্রেম করার ১১ সুবিধা জনগণের সেবা ও ভালোবাসাকে সঙ্গী করে আবারও নির্বাচনে লড়তে চান ইমদাদুল হক ভূঁইয়া নাঙ্গলকোটে বাড়ি মেরামতে বাধা, রডের আঘাতে গুরুতর আহত মাসুম বেগমগঞ্জে মুখোশ পরে দোকানে ঢুকে ব্যবসায়ীকে গুলি জামালপুরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সিআইডি টিমের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শ্যামনগরে দুর্গা পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ড.মনিরুজ্জামান লাখাইয়ে পুজা মণ্ডপ পরিদর্শনে লাখাই প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ। সাংবাদিকদের উদ্দেশে এমপি সুলতান মাহমুদ বাবু বললেন, 'আমি যদি দুর্নীতি করি, সেটাও লিখবেন' তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসায় আলিম প্রথম বর্ষের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে পিএফজি ও ওয়াইপিএজি'র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত ঢাকায় পেশাদার বারিস্তা গড়ে তুলছে DSCA, দেশের প্রথম ISO-সার্টিফায়েড কফি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান উলিপুরে ছাত্র হিযবুল্লাহ্ কুড়িগ্রাম জেলা শাখার কাউন্সিল ও সম্মেলন অনুষ্ঠিত শার্শায় মোবাইলে ভিডিও ধারন করে প্রবাসী স্ত্রীর আত্মহত্যা সাতকানিয়ায় ‘মৌসুমী হিজড়া’র বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সুরক্ষায় সেরার স্বীকৃতি পেলো শেরপুর জেলা প্রকৃতি ও জীবন ক্লাব যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পেলেন মৌসুমী জাতীয় পতাকার মান রক্ষা করা প্রতিটি সৈনিকের পবিত্র দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য অটুট রাখতে হবে : রাষ্ট্রপতি

আজ বিশ্ব সিজোফ্রেনিয়া দিবস

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 24-05-2026 12:10:06 pm

আজ ২৪ মে (রোববার) বিশ্ব সিজোফ্রেনিয়া দিবস। এ দিবসের মূল লক্ষ্য হচ্ছে, এ রোগ সম্পর্কে বিশ্ববাসীকে সচেতন করে তোলা এবং এ নিয়ে প্রচলিত ভুল ধারণা ও কুসংস্কার দূর করা। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘সামাজিক সহানুভূতির শক্তিকে উজ্জীবিত করি’।


সিজোফ্রেনিয়া একটি জটিল ধরনের মানসিক রোগ (সাইকোটিক ডিজঅর্ডার)। সিজোফ্রেনিয়া রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির চিন্তা, আবেগ-অনুভূতি, সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা ও ব্যক্তিসম্পর্ক মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। একসময় সিজোফ্রেনিয়া রোগকে মানসিক রোগের ক্যানসার বলা হতো। বর্তমান আধুনিক গবেষণায় দেখা গেছে, সঠিক সময়ে এ রোগ নির্ণয় করে চিকিৎসা দেয়া হলে এটি নিরাময়যোগ্য। বর্তমান বিশ্বে সিজোফ্রেনিয়া রোগীর সংখ্যা প্রায় ২ কোটি ৬০ লাখ। আমাদের দেশে এর সংখ্যা প্রায় ১৬ লাখ।


এ জটিল মানসিক রোগে মূলত চিন্তা, আবেগ, আচরণ, ইচ্ছাশক্তি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতার মধ্যে গোলমাল দেখা দেয়। রোগীর নিজস্ব চিন্তা ও আচরণের মধ্যে সমন্বিত ধারা বজায় থাকে না, বাস্তবতার সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙে পড়ে। ফলে রোগীর ব্যক্তিগত ও গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হয়। 'সিজো' অর্থ ভেঙে যাওয়া, 'ফ্রেনিয়া' অর্থ মন; অর্থাৎ, এ রোগে মনের নানা ক্রিয়া-বিক্রিয়ার মধ্যে সামঞ্জস্যপূর্ণ মিল হারিয়ে যায়, বিশৃঙ্খলার জট তৈরি হয় মনের ভেতর। যদি এর চিকিৎসা না করা হয় কিংবা চিকিৎসা শুরু হতে বিলম্ব ঘটে, তাহলে রোগ ক্রমান্বয়ে জটিল হতে থাকে।


একা একা কথা বলা বা নিজে নিজে কথা বলা মানসিক রোগ সিজোফ্রেনিয়া বা মুড ডিসওর্ডারের লক্ষণ। এসব রোগীরা অনবরত একা একা কথা বলতে থাকেন। তাদের কথাগুলোর মধ্যে তেমন একটা সামঞ্জস্যতা নেই। কখনও বা কোন কারণ ছাড়া হাসতে থাকা। অদৃশ্য কোনো কিছুর সঙ্গে অনবরত কথা বলতে থাকা। নিজে নিজে কথা বলে উত্তর দেয়া। বাচ্চাদের মতো করে বায়না ধরা। যেমন টাকা দাও ২০ লাখ টাকা দিয়ে কম্পিউটার কিনবো। অথবা দোকান মালিক বলেছে ২০ লাখ টাকা দিলে দোকান মালিক তাকে মাসে ৫০ হাজার টাকা দিবে। কোনো কাজ করতে ভালো লাগে না। অহেতুক চিন্তা-ভাবনা করা। পৃথিবীর প্রতি অনাসক্ত। পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে ইচ্ছা করে ইত্যাদি। শারীরিক দিক দিয়ে শরীরের ভিতরে এক রকম বাইরে আরেক রকম অনুভূতি কাজ করে। শরীরের বাইরে শরীর থেকে রক্ত পড়ছে অথচ তার কোনো অনুভূতি নাই। আকাশ কুসুম চিন্তা করা কিংবা দাবি করা।


ডিপ্রেশন বা অ্যাংজাইটির মতো সমস্যা গুলি ধীরে ধীরে সাধারণ মানুষের মধ্যে গুরুত্ব পেলেও, আড়ালে থেকে যাচ্ছে সিজোফ্রেনিয়া নামক এ ভয়ানক মানসিক রোগ। সিজোফ্রেনিয়া একপ্রকার জটিল এবং দীর্ঘস্থায়ী মানসিক ব্যাধি। এ রোগে আক্রান্ত রোগীর চিন্তাধারা এবং অনুভূতির প্রকাশের মধ্যে কোনো প্রকার সঙ্গতি থাকে না ৷ রোগী বাস্তবতার বোধ বা উপলব্ধি হারিয়ে ফেলে, প্রায়ই অলীক প্রত্যক্ষণ, ভ্রান্তবিশ্বাস ইত্যাদিতে ভোগে।


সিজোফ্রেনিয়া রোগের লক্ষণ হচ্ছে:

চিন্তার মধ্যে গণ্ডগোল। আচরণের সমস্যা। অনুভূতির সমস্যা।


চিন্তার মধ্যে হরেক রকম অসংলগ্নতা দেখা দিতে পারে। যেমন: অহেতুক সন্দেহ করা : রাস্তা দিয়ে মানুষ যাচ্ছে মনে হচ্ছে তার দিকে বিশেষ দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে, তাকে দেখে হাসছে, সমালোচনা করছে।


ভ্রান্ত বিশ্বাস করা: এ ভ্রান্ত বিশ্বাসের প্রকাশভঙ্গি বিভিন্নভাবে প্রকাশ পেতে পারে। এটা রোগীর বয়স, ধর্মীয় চেতনাবোধ, শিক্ষাগত যোগ্যতা, সামাজিক অবস্থার ওপর নির্ভর করছে। যেমন- আশপাশের লোকজন তার ক্ষতি করছে, খাবারে ও পানিতে বিষ মিশিয়ে তাকে হত্যা করার চেষ্টা করছে, তাকে সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতি করার চেষ্টা করছে।


রোগীর মনের গোপন কথা না বললেও আশপাশের লোকজন জেনে যায়- কেউ কেউ তারের মাধ্যমে, ফোনের মাধ্যমে, টেলিস্কোপের মাধ্যমে অথবা অন্য কোনো অজানা যন্ত্রের মাধ্যমে জেনে যায়।


রোগীর কাজকর্ম, চিন্তাচেতনা এগুলো তার নিজের না বাইরে থেকে কেউ নিয়ন্ত্রণ করছে। মঙ্গলগ্রহ থেকে কেউ যেন তার সঙ্গে কথা বলছে।


সে স্বপ্নের মধ্য দিয়ে উপর থেকে বিশেষ ক্ষমতা লাভ করছে আর তাকে নির্দেশ দিয়েছে মানুষের সেবা করার জন্য। তার নিজের বিশেষ ক্ষমতা আছে, কারণ সে অমুক ফেরেস্তা কিন্তু রোগীর পোশাক-পরিচ্ছদ ও চালচলন ঐ রকম নয়। অনেকে বলে আমার সঙ্গে পরীর যোগাযোগ আছে।


এমনো দেখা গেছে নিজের বাবার নাম পরিবর্তন করে অন্য একজনের নাম বলে কিন্তু সুস্থ হওয়ার পর আবার নিজের বাবার নাম ঠিক বলছে।


আচরণের সমস্যা এ হাসছে আবার কোনো কারণ ছাড়াই কাঁদছে। হঠাৎ উত্তেজিত হওয়া, মারতে উদ্যত হওয়া। বকাবকি ও গালিগালাজ করা। বাথরুমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকা। মানুষের সঙ্গে মিশতে না চাওয়া। একা ঘরের মধ্যে সীমাবদ্ধ জাবনযাপন করা। হঠাৎ করে কাপড় বা অন্য কিছুতে আগুন ধরিয়ে দেয়া। বাইরে বাইরে ঘুরে বেড়ানো (দিনের পর দিন) অথচ আগে এমন আচরণ ছিল না । হারিয়ে যাওয়া যেমন ব্রিজের নিচে, মাজারে, গোপন জায়গায় লুকিয়ে থাকা। আত্মহত্যার চেষ্টা করা। উল্টাপাল্টা আচরণ করা ও কথা বলা। গায়ের কাপড়-চোপড় সবার সামনে খুলে ফেলা। নিজের পায়খানা-প্রস্রাব মুখে দেয়া ও দেয়ালে লাগানো । নিজের খাওয়া দাওয়া ঘুম ও শরীরের প্রতি খেয়াল না রাখা।


অনভূতির সমস্যা

গায়েবি আওয়াজ শোনা : আশপাশে কোনো লোকজন নেই, অথচ রোগীরা কথা শুনতে পায় : কেউ কেউ একদম স্পষ্ট কথা শুনতে পায় ২/৩ জন লোক রোগীর উদ্দেশ্য করে কথা বলছে।


আবার কখন ফিসফিস আওয়াজ পাখির ডাকের মতো শব্দ শুনতে পায়। এ কথা শোনার কারণে অনেকে কানে তুলে বা আঙুল দিয়ে বসে থাকে। নাকে বিশেষ কিছুর গন্ধ পাওয়া। চামড়ার নিচে কি যেন হাঁটছে, এরকম অনুভূতি লাগা।


পরিবারের কেউ বা পরিচিতজনরা তার খাবারে বিষ মিশিয়ে দিচ্ছে– এমন সন্দেহ করে থাকেন এ রোগীরা। এ ছাড়া আরও অমূলক সন্দেহ করে থাকেন তারা। এ ধরনের রোগীদের নিয়ে সাধারণত পরিবারের লোকেরা খুব সমস্যায় পড়ে যান। রোগীর অদ্ভুত আচরণগুলো মানিয়ে নিতে বেশ কঠিন হয়ে পড়ে।


সিজোফ্রেনিয়ার লক্ষণগুলোর কারণে রোগীর যদি শিক্ষাজীবন, পারিবারিক জীবন, কর্মজীবন ও সামাজিক জীবনের ব্যাঘাত ঘটে এবং লক্ষণগুলো ৬ মাসের অধিক সময় থাকে, তখন তাকে আমরা সিজোফ্রেনিয়া হিসেবে ধারণা করতে পারি। সঠিক চিকিৎসা ও পরিবারের আন্তরিকতার মাধ্যমে রোগীরা ফিরে পেতে পারে কর্মজীবন ও সংসার জীবন।

আরও খবর
deshchitro-6ad260f203dd2-161026113754.webp
আল-আমিন হোসেনের লেখা কবিতা "মেঘকন্যা"

২ দিন ১৩ ঘন্টা ৩১ মিনিট আগে



6ab2088728d48-220926104807.webp
আজ বিশ্ব গন্ডার দিবস

২৭ দিন ২ ঘন্টা ২১ মিনিট আগে


6aad3c200ff72-180926072656.webp
শরৎ বিকেল - ইফতেখার রবিন

৩০ দিন ১৭ ঘন্টা ৪২ মিনিট আগে




deshchitro-6a7c71c1882b3-120826071441.webp
কাজী এহসানুল হক জিহাদের লেখা কবিতা "দরদাম"

৬৭ দিন ১৭ ঘন্টা ৫৫ মিনিট আগে