মধুপুরে আইসিটি মন্ত্রী: বিভিন্ন দেশে কিশোর-কিশোরীদের সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধের বিষয়টি আমরাও যাচাই করছি নজরুল বর্ষ উপলক্ষে ঝিনাইগাতীতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ গ্রামের ছেলে বাধন এখন বিসিএস ক্যাডার ৩টি সন্তান রেখে ইমামের সঙ্গে পালালেন প্রবাসীর স্ত্রী শ্যামনগরে হিন্দু ধর্মের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত প্রবেশ টিকিটে 'বাড়তি' ১৫ টাকা, বরিশাল প্লানেট পার্কে দর্শনার্থীদের অসন্তোষ ইসলামের প্রথম নারী নার্স, যাকে যোদ্ধার সমান মর্যাদা দিয়েছিলেন নবী (সা.) চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি শিবা সানু, সম্পাদক জয় চৌধুরী কেপ ভার্দের স্বপ্নযাত্রা থামিয়ে শেষ ষোলোতে আর্জেন্টিনা পল্লী বিদ্যুতের ‘ভূতুড়ে বিল’ নিয়ে বিপাকে লোহাগাড়াবাসী ক্ষেতলালে তিন দিনব্যাপী নজরুল উৎসবের উদ্বোধন ক্ষেতলালে নানার বাড়ির পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু নান্দাইলে জাতীয় ইমাম সমিতির উদ্যোগে ইমাম-মুয়াজ্জিন ও মাদরাসা শিক্ষকদের মাঝে ফলজ গাছের চারা বিতরণ শ্রীমঙ্গলে 'চায়ের জনপদ কনটেন্ট ক্রিয়েটর অ্যাওয়ার্ড’, বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ী কনটেন্ট নির্মাতাদের হাতে ক্রেস্ট, সনদ ও পরিবেশবান্ধব গাছ উপহার দিনাজপুরে ৪ হাজার অসহায় পরিবার পেল জিআর চাল ও ৭শ জনকে নগদ অর্থ সহায়তা ইরান-বাংলাদেশের স্পিকার বৈঠকে জয়পুরহাটে ডিবির অভিযানে ৫ অনলাইন জুয়াড়ি গ্রেফতারসহ ৪ স্মার্টফোন জব্দ লাখাইয়ে কৃষি প্রযুক্তি মেলার সমাপনী ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত। ‎সাগর উত্তাল: ইলিশের ভরা মৌসুমে অনিশ্চয়তায় উপকূলের হাজারো জেলে দেওয়ানগঞ্জে সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন, ছাগল পাচ্ছে ৭৭০ পরিবার

একজন জনপ্রিয় অধ্যাপক এবং আদর্শ বাবার শেষ পরিণতি

 জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবীণ অধ্যাপক আব্দুল আউয়ালের তিন সন্তানের মধ্যে মেয়ে সবার বড়, নাম রেজিনা ইয়াছমিন আমেরিকা প্রবাসী। 

বড় ছেলে উইং কমান্ডার (অব.) ইফতেখার হাসান। ছোট ছেলে রাকিব ইফতেখার হাসান অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী। জীবনে এত কিছু থাকার পরও তার দু’চোখে অন্ধকার। থাকেন আগারগাঁও প্রবীণ নিবাসে।

দীর্ঘ ১৭ বছর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন সুনামের সঙ্গে। ২০০৬ সালে অবসর নেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক (অব.) ড. এম আব্দুল আউয়াল (৭০)। অবসরের পর কিছুদিন ভালোই চলছিল তার। অধ্যাপক আব্দুল আউয়ালের সংসারে দুই ছেলে, এক মেয়ে।

আব্দুল আউয়াল জানান, শিক্ষকতার আগে ১৯৬৫-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ এটমিক এনার্জিতে চাকরি করেন এরপর শিক্ষকতা। জীবনে অনেক টাকা-পয়সা উপার্জন করেছি। 


২০০৬ সালে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবসর নেন। এরপর ছেলে-মেয়েরা আমার খোঁজ খবর নেওয়া বন্ধ করে দেয়।


কল্যাণপুর হাউজিং এস্টেটে নিজের ফ্ল্যাট ছিল আব্দুল আউয়ালের। এছাড়া পল্লবীতেও বেশ কিছু জমি ছিল। কিন্তু এসব বড় ছেলে কৌশলে বিক্রি করে টাকা পয়সা নিজের অ্যাকাউন্টে জমা করেছেন, আক্ষেপ করেই বলেন অধ্যাপক আউয়াল।

তিনি বলেন, ওরা আমাকে এতো কষ্ট দেয় কেন। আমাকে নিয়ে এতো ছলচাতুরি করে কেন? বলতে বলতে ডুকরে কেঁদে উঠেন অধ্যাপক। তিনি বলেন, আমি কি এই জন্য এতো কষ্ট করে ওদের মানুষ করেছিলাম?

অধ্যাপক আউয়াল বলেন, চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর কিছু দিন বড় ছেলের সঙ্গেই থাকতাম। ছেলের সংসারে থাকার সময় জানতে পারি ছেলে ও বউয়ের মধ্যে সম্পর্ক ভালো যাচ্ছে না। একদিন বাসায় থাকা অবস্থায় বউয়ের মুখে গা*লি শুনে বাসা থেকে নেমে আসি। আর ফিরে যাইনি। ওরাও কেউ খোঁজ নেয়নি। 

ছোট ছেলে অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশে আসে ২০১৪ সালে। এসে মিরপুর-১ নম্বরে একটি দোকানে আমার সঙ্গে দেখা করে কথা বলে। সেখানে গেলে আমাকে জানায় তার বিয়ে ঠিক হয়েছে। আমি ওর বাবা অথচ আমাকে জানালও না যে বিয়ে করতে যাচ্ছে। বিয়ে করে আবার চলে যাবে, একথা শুনে ছেলের বউকে দেখতে চান তিনি। কিন্তু তার সাথে দেখা করা যাবে না বলে জানায় ছেলে।

এ অধ্যাপক আফসোসের সুরে বলছিলেন, অথচ এই ছেলের পড়ালেখার জন্যও পেনশনের টাকা থেকে ২৬ লাখ পাঠিয়েছি। সেই ছেলেও আমাকে কোনো দিন ফোন করে না। মাঝে মাঝে ইমেইলে চিঠি লেখে।

🇯🇵অতি উচ্চ শিক্ষিত হতে গিয়ে আমরা দিন দিন আরও অমানুষ হয়ে যাচ্ছি। অথচ অনেক গরিব, মূর্খ আছে যারা বাবা মাকে নিয়েই একসাথে থাকে। 

তাহলে তারা কি আমাদের মতো মুখোশধারী শিক্ষিতের চেয়ে ভালো নয়? তাই উচ্চ শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিকতা ও মনুষ্যত্ববোধটাও সবার শিক্ষাগ্রহন করা উচিৎ

লেখক : প্রণব মন্ডল, কবি এবং সাহিত্যিক।

Tag
আরও খবর