চাটখিলে টিসিবির পণ্য গুদামে, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা জনগণের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতে সরকার আগামীতে স্বাস্থ্য কার্ড প্রদাণের কথা ভাবছে-তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম লালপুরে খাল পুনঃখনন প্রকল্পের উদ্বোধন লাখাইয়ে পুলিশ পৃথক পৃথক অভিযান চালিয়ে ইয়াবা এবং দেশিয় মদসহ গ্রেপ্তার- ০৩। ঈশ্বরগঞ্জে পিএফজির ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত নবজীবন নার্সিং ইনস্টিটিউটে নবীন বরণ অনুষ্ঠিত কুলিয়ারচরে সপ্তাহব্যাপী ‘পৌর কর মেলা’র শুভ উদ্বোধন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান খাল খননের প্রবর্তক : এমপি সুলতান মাহমুদ বাবু প্রকল্পে অনিয়ম, কোটি টাকা লুটপাটের অভিযোগ গোয়ালন্দে প্রধান শিক্ষককে লাঞ্চিত করা সেই কথিত ছাত্র নেতাকে গ্রেফতারের দাবি গোয়ালন্দের উজানচরে জাটকা সংরক্ষণে ২৮০ জেলেকে চাল বিতরণ নিখোঁজ চিকিৎসককে ঘিরে রহস্য, ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র উৎপাদনে আবারো ইতিহাস গড়ল গলাচিপায় পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র বিতরণে বারবার বিলম্ব, ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী–অভিভাবক আওয়ামী লীগ আমলে প্রতিবন্ধী ভাতার অর্থও লুটপাট করা হয়েছে : এমপি সুলতান মাহমুদ বাবু শ্যামনগরে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালন নোয়াখালীতে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস গোবিপ্রবিতে সাইবার নিরাপত্তায় নারীদের ভূমিকা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত আদমদীঘিতে শ্রমিক দলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত উলিপুরের বাইপাস সড়কের সংযোগস্হল পরিবর্তনের আবেদন আয়ের উৎস ও গৃহহীন হবার আশংকায় এলাকাবাসী

কুড়িগ্রাম হানাদার মুক্ত দিবস পালিত


আজ ৬ ডিসেম্বর, কুড়িগ্রাম পাকিস্তানী হানাদার মুক্ত দিবস।  ১৯৭১ এর এইদিন বাংলার দামাল ছেলেরা সশস্ত্র মুক্তি সংগ্রামের মধ্য দিয়ে পাক সেনাদের হটিয়ে কুড়িগ্রামকে হানাদার মুক্ত করে স্বাধীনতা যুদ্ধের চুড়ান্ত বিজয় অর্জিত না হলেও এ অঞ্চলে সেদিন উদিত হয় স্বাধীন বাংলার পতাকা। 


মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে ৬ ও ১১ নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল গোটা কুড়িগ্রাম অঞ্চল। শুধুমাত্র ব্রহ্মপুত্র নদ দ্বারা বিচ্ছিন্ন রৌমারী ছিল মুক্তাঞ্চল। সেখানেই চলত মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ। নভেম্বরের প্রথম থেকেই মিত্র বাহিনীর সাড়াশী আক্রমন তীব্র হতে থাকে। একে একে পতন হতে থাকে পাক সেনাদের শক্ত ঘাঁটিগুলো। মুক্ত হয় জেলার ভুরুঙ্গামারী, নাগেশ্বরী, চিলমারী, উলিপুরসহ বিভিন্ন এলাকা। এরপর পাকসেনারা শক্ত ঘাঁটি গড়ে তোলে কুড়িগ্রাম শহরে। কুড়িগ্রামকে মুক্ত করতে মিত্র বাহিনীর বিমান হামলায়  বেসামাল হয়ে পড়ে পাক সেনারা। ৫  ডিসেম্বর থেকে  মিত্র বাহিনীর সাড়াশী আক্রমণে পিছু হটতে শুরু করে তারা। এরপর আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ  ৬ ডিসেম্বর কুড়িগ্রাম হয় হানাদার মুক্ত। 


সেদিনের সেই মুক্তির কথা মনে পড়লে এখনও আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন বীর মুক্তিযোদ্ধারা। স্মৃতিচারণ করেন তাদের অনুভুতিগুলো। কোম্পানী কমান্ডার আব্দুল হাই বীর প্রতীকের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা ৬ ডিসেম্বর বিকেল ৪ টায় শহরে প্রবেশ করে নতুন শহরস্থ ওভারহেড পানির ট্যাংকসহ বিভিন্ন স্থাপনার ওপর স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন করে। মুক্তিযোদ্ধাদের স্বাগত জানাতে হাজারও মুক্তিকামী মানুষ মিলিত হয় বিজয় মিছিলে।


দিবসটি উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও  বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন বিজয় র‍্যালি সহ স্বাধীনতার বিজয়স্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পন ও আলোচনাসভা সহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন  করেছে। 







আরও খবর