বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র একসঙ্গে কাজ করবে: সার্জিও গর দুপুরের মধ্যে ৭ জেলায় ৬০ কি.মি. বেগে ঝড়সহ বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা সার্টিফিকেট নয়, মানুষের প্রতি ভালোবাসাই প্রকৃত নেতৃত্বের অলংকার'—অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন জাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে বাঁশখালীর বন্যাদুর্গত ৩৮ পরিবারে আর্থিক সহায়তা প্রণোদনার বীজ বিতরণে অনিয়মের তথ্য সংগ্রহে বাধা ও সাংবাদিককে হত্যার হুমকি কক্সবাজারে প্রাইভেটকার ভর্তি গাঁজাসহ একাধিক থানায় ৬ মামলার আসামীসহ ২ মা/দ/ক কারবারি আটক। দিনাজপুরে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট এর শুভ উদ্বোধন লোহাগাড়ার বিভিন্ন সড়কের এখনো বেহাল দশা, জনদুর্ভোগ চরমে হিঙ্গুলী ইউনিয়ন শ্রমিকদলের ৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন; সভাপতি আলমগীর, সম্পাদক হুমায়ুন হাতিয়ায় পুকুরে ভাসছিল অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ নোয়াখালীতে ১২ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ফাজিল অনার্স পরীক্ষার্থীদের নিয়ে তা'মীরুল মিল্লাতে দোয়া অনুষ্ঠান সম্পন্ন এখন বিএনপির অবস্থা ব্রেইনলেস আওয়ামী লীগের মতো : সারজিস আলম ইসলামী যুব মজলিসের দেশব্যাপী দাওয়াতী ক্যাম্পেইন উপলক্ষে বড়লেখায় যুব সমাবেশ শার্শার ​বাগআঁচড়ায় প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত, চ্যাম্পিয়ন রজনীগন্ধা বরিশালে পূজা উদযাপন পরিষদের সম্মেলন: সম্প্রীতির আহ্বান, গুণীজনদের সম্মাননা কচুয়ায় প্রতিটি গ্রামের পাড়া-মহল্লায় মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলাই একমাত্র পথ...... যুবদল নেতা রাকিব রাসেল ইউএনওর ছবি ব্যবহার করে 'ফেক ফেসবুক আইডি' খুলে সরকারি কর্মকর্তাসহ সাংবাদিকদের নামে অপপ্রচার বগুড়ায় আইসক্রিম কারখানায় অভিযানে ১০ লাখ টাকার মালামাল জব্দ, জরিমানা- সিলগালা আজ অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়বেন শান্তরা

ভোটের রাজা মির্জা আজম

ইবতেশাম রহমান - রিপোর্টার

প্রকাশের সময়: 23-09-2023 06:37:06 pm

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম
মির্জা আজম একজন বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ। বর্তমানে, তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ১৯৯১, জুন ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়নে জামালপুর-৩ (সংসদীয় আসন নং: ১৪০) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ সালে বিএনপি সরকার গঠন করলে তিনি জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় হুইপ এবং ২০০৮ সালে তার নিজ দল সরকার গঠন করার পর সরকারদলীয় হুইপ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য হওয়ার পর থেকে তিনি একই বছরের ১২ জানুয়ারি হাসিনার তৃতীয় মন্ত্রিসভায় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান।
মির্জা আজম মাধ্যমিকে থাকাকালীন ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের মাধ্যমে রাজনীতিতে জড়িত হন। সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ উচ্চ মাধ্যমিক পড়াবস্থায় ১৯৭৯ সালে কলেজের ছাত্র সংসদের আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ১৯৮১ সালে জামালপুর জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি, ১৯৮৭ সালে জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক, ১৯৯১ সালে জেলা সভাপতি ও ১৯৯৩ সালে কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন।
যুবলীগে থাকাবস্থায় ১৯৯১ সালে তিনি জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে মূল দলীয় রাজনীতে প্রবেশ করেন এবং একই বছর আওয়ামী লীগের মনোনয়নে জামালপুর-৩ আসন থেকে প্রথমবারের মত ৩৯,৯০৭ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালে জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পান এবং সে বছর জুনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৮০,০৫৬ পেয়ে বিজয়ী হন। ২০০১ সালের নির্বাচনে ১,১৯,৬১১ ভোট পেয়ে পুনরায় বিজয়ী হন।
২০০৩ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত তিনি একই সাথে যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরমধ্যে ২০০৮ সালের নবম (১,৭১,৯২৬ ভোট পেয়ে) ও ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়) জয়লাভ করেন। ১৯৯১ সালে গঠিত সংসদে তিনি খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য, ১৯৯৬-এর জুনে গঠিত সংসদে সরকারি প্রতিশ্রুতি সংক্রান্ত কমিটি ও বিজ্ঞান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য, ২০০১ সালে বিরোধী দলীয় হুইপ, ২০০৮ সালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সরকারদলীয় হুইপ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি একই আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পান।২০১৯ সালের ২১ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় কাউন্সিলে নতুন কমিটিতে মির্জা আজমকে সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নির্বাচিত করা হয়।

আওয়ামী লীগের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা কে? এই প্রশ্নটির এক কথায় উত্তর দেয়া সম্ভব হবে না। বেশ কয়েকটি নাম আসবে। তবে প্রথম দিকে যে নামগুলো আসবে তার মধ্যে অন্যতম হবে মির্জা আজম। ছয়বারের এমপি, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন, এখন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক। জনপ্রিয়তায় তার সমকক্ষ আওয়ামী লীগের নেতা খুব কমই পাওয়া যাবে। সদা হাস্যজ্জল, কর্মীবান্ধব। সারাক্ষণ কর্মীদের নিয়েই ব্যস্ত থাকেন। রাজনীতিতে সবকিছু সঁপে দেওয়া এই মির্জা আজমকে অনেকে মনে করেন যে, সাধারণ সম্পাদক হিসেবে একজন যোগ্য প্রার্থী। তিনি যেভাবে কর্মীদেরকে আগলে রাখেন, কর্মীদের সমস্যার সমাধান করেন এবং আওয়ামী লীগের কোন্দল, বিভক্তি, কমিটি বাণিজ্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকেন সেজন্য অনেকে মনে করেন যে মির্জা জনের মতো কেউ যদি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হতো তাহলে হয়ত আওয়ামী লীগের যে ত্রুটি-বিচ্যুতিগুলো আছে সেগুলো কাটিয়ে ওঠা যেত।
আরও খবর