বগুড়ার আদমদীঘিতে দুই মাদক কারবারির জেল-জরিমানা ক্ষেতলালে সড়কে খড় শুকানোর দায়ে মোবাইল কোর্ট, ২ জনকে জরিমানা আক্কেলপুরে মাসুম বিল্লাহ হত্যার বিচার দাবিতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশনের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ লাখাইয়ে ৩৭ ঘন্টা পর নিখোঁজ ভারসাম্যহীন ফখরুদ্দিনের লাশ উদ্ধার,গ্রেফতার -০২। নাগেশ্বরী উপজেলা ছাত্রদলকে সুসংগঠিত করে মানবিক রাজনীতি করতে চান আকাশ জমি বিরোধে থানায় লিখিত অভিযোগ ক্ষেতলালে পানির দামে কুরবানি পশুর চামড়া বিক্রি ক্ষেতলালে ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে শ্যালক-দুলাভাই নিহত, আহত ১ ক্ষেতলালে একদিনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২, শিশুকে অপহরণ করে হত্যাচেষ্টা, আত্মহত্যায় ২ নারীর মৃত্যু বুধহাটা দ্বাদশ শিব ও কালী মন্দির পরিদর্শনে এমপি হাফেজ রবিউল বাশার সহায়তার নামে প্রতারণা, হাতিয়ে নেওয়া প্রায় ২ কোটি টাকা ফেরত পেতে আবারও মামলা নাগেশ্বরী ব্লাড ব্যাংক আয়োজনে তৃষ্ণার্ত মানুষদের মাঝে শরবত বিতরণ করা হয় না ফেরার দেশে চলে গেলেন সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বেনাপোলে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা নস্যাৎ, সীমান্তে হাই অ্যালার্ট ‎দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে রেল যোগাযোগে আসছে নতুন গতি: চালু হচ্ছে নতুন ট্রেন দিনাজপুরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত চৌদ্দগ্রামে মাত্র ৬ ঘন্টার ব্যবধানে পানিতে ডুবে ৩ শিশুর মৃত্যু শাজাহানপুরে মাদ্রাসা ছাত্রকে বলাৎকার, অভিযুক্ত গ্রেফতার !! দিনাজপুরে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিশ্ব বিশ্ব দুগ্ধ দিবস পালিত মঠবাড়িয়ায় উদ্ধারকৃত দুই মরদেহের রহস্য উদঘাটন, মামালা দায়ের

হারিয়ে যাচ্ছে বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ধাতব মুদ্রা: প্রচলন রাখতে দরকার যথাযথ ব্যবস্থা

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 20-09-2022 02:17:35 pm

ছবি: লেখক


◾শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ


১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর মুদ্রা হিসেবে 'টাকা' প্রতিষ্ঠিত হয়। স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম কাগুজে মুদ্রা ১ টাকার নোট। ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ এ নোট প্রচলনের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম নিজস্ব কাগুজে মুদ্রা চালু হয় এবং একই বছরে ৫ টাকা, ১০ টাকা ও ১০০ টাকার মূল্যমান নোট ঘোষণা করা হয়। আর এর কিছুদিন বাদে কাগুজে মুদ্রার পাশাপাশি ১,৫,১০ ও ২৫ পয়সার ধাতব মুদ্রা চালু করা হয়।


 আমরা বর্তমান প্রজন্মের  মানুষ এসব পয়সার সাথে তেমন পরিচিত নয়। আর তাই তো রূপকথার গল্পের মতো দাদা-দাদি, নানা-নানি বা বয়োজ্যেষ্ঠ মানুষের কাছে আমরা জানতে পারি তারা মাত্র ৫ পয়সা বা ১০ পয়াসার বিনিময়ে অনেক পণ্য ক্রয় করতে পারতেন। এমনকি কারো কারো মুখে শোনা যায় একসময়  মাত্র ২৫ পয়াসার বিনিময়ে এক ব্যাগ ভর্তি বাজার করে আনতে পারতেন। বর্তমান এসব ধাতব মুদ্রার ব্যবহার নেই বললেই চলে। আমরা এসব পয়সার ধাতব মুদ্রার সাথে পরিচিত না থাকলেও ১ টাকা ও ২ টাকা কিংবা ৫ টাকা ধাতব মুদ্রার সাথে সবাই পরিচিত।  ১, ২,  ও ৫ টাকার ধাতব মুদ্রা যথাক্রমে ১৯৭৪,  ২০০৪ ও ১৯৯৩ সালে প্রকাশিত হয়। বর্তমান বাংলাদেশে এই তিনটি ধাতব মুদ্রার ব্যবহার চালু রয়েছে। কিন্তু এই তিনটি ধাতব মুদ্রা চালু থাকার সত্য  বাংলাদেশের বেশ কয়েকটা অঞ্চলে মুদ্রা দুটির ব্যবহার একেবারেই নেই।  ছোট খাটো ব্যবসা থেকে শুরু করে বড় কোনো ব্যবসায়ও এ দুই তিনটা ধাতব মুদ্রার ব্যবহার নেই। একটি দোকানে নিম্নমানের চকলেট বাদে আর তেমন কিছুই ১ টাকার বিনিময়ে পাওয়া যায় না। আর ১ টাকার কোনো পন্য বিক্রি করতে না পারায় একজন দোকানির কাছেও  ১ টাকর ধাতব মুদ্রার অভাব হয়ে পড়ে। এমতবস্থায় ১ টাকার ধাতব মুদ্রার অভাবে একজন দোকানি চকলেট দিয়ে লেনদেন সারেন অনেক সময়। আবার অপরদিকে দেখা যায় একজন ক্রেতার কাছে ১ টাকার বা ২ টাকার ধাতব মুদ্রা থাকার সত্বেও যদি দোকানিকে দিয়ে সমমূল্যের কোনো পণ্য নিতে চায় দোকানি দিতে রাজি হন না। এমনিভাবে যদি গাড়িওলাকে ভাড়ার টাকা দেওয়া জন্য ১ টাকা বা ২ টাকার ধাতব মুদ্রা দেওয়া হয় তখন তিনি নিতে চান না। কারণ তিনি এই ধাতব মুদ্রা কোন কিছু কিনতে পারবেন না। এছাড়াও যদি ভিক্ষুকদের টাকাগুলো দিতে চায় তারাও টাকাগুলো নিতে অনীহা প্রকাশ করেন। কারণ সারাদিনের ভিক্ষায় অর্জিত টাকাগুলো নিয়ে কেনাকাটা করতে গেলে চরম বিপাকে পড়তে হবে তাদের। অর্থাৎ সকল ধরনের লেনদেনের ক্ষেত্রেই ধাতব মুদ্রা নিয়ে রীতিমতো বিপাকে পড়ছেন সর্বস্তরের মানুষ। সর্বস্তরের মানুষের মন্তব্য যদি এমতাবস্থা চলতে থাকে তাহলে অল্প কিছুদিনের মধ্যে ধাতব মুদ্রাগুলে বিলীন হয়ে যাবে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি , বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ধাতব মুদ্রার প্রচলন হারিয়ে যাওয়ার আগেই প্রচলন রাখতে দরকার যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে তা বাস্তবায়ন করতে করা। কেননা, এসব কিছুর সাথে আমাদের দেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য জড়িয়ে আছে। এগুলোই আমাদের বড় পরিচয়, এগুলোই আমাদের দেশের গৌরব। 



লেখক:

শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ

শিক্ষার্থী, ইতিহাস বিভাগ

ঢাকা কলেজ, ঢাকা

আরও খবর