বিড়ালের মা গ্রেপ্তার মাদক পাচারকারীদের প্রতিহত করতে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে: এমপি রুবেল দলিত জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে মতবিনিময় সভা ‎বাগেরহাটের দিঘি থেকে কক্সবাজারের সাফারি পার্কে: অনশনের পর নতুন ঠিকানায় ধলাপাহাড় আদমদীঘির চাঁপাপুরে পুলিশ ক্যাম্প উদ্বোধন আদমদীঘিতে অসহায় ও দু:স্থ রোগিদের মাঝে চেক বিতরণ নোয়াখালীর সেনবাগে গরুর ঘাস কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মর্মান্তিক মৃত্যু সুশিক্ষার জন্য আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ড. সুব্রত বড়ুয়া নিজ দলের নেতাদের মারধর ও সিট দখল: সংবাদ প্রকাশের পর জাবিপ্রবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক বহিষ্কার বরিশাল রুপাতলীর মহাসড়ক এখন ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীদের দখলে! সাংবাদিকের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ রোহিঙ্গা সংকটকে ভুলে যাওয়া সংকটে পরিণত হতে দেওয়া যাবে না : হুমায়ুন কবির লোহাগাড়ার সাংবাদিক জগতের নক্ষত্র এম এম আহমদ মনির অসুস্থ নয়া রাষ্ট্রপতিকে যুক্তরাষ্ট্রের অভিনন্দন সেনবাগের ছিলোনিয়া ইউনিয়ন হাই স্কুল অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের গঠনতন্ত্রে আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর নোয়াখালীর সেনবাগে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৫, দুই মাদকসেবীর কারাদণ্ড ক্ষেতলালে ডিবি ও পুলিশের যৌথ অভিযান: নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা রাসেলসহ আটক ২, পাঠানো হলো কারাগারে উলিপুরে ভাওয়াইয়া শিল্পী কছিম উদ্দিনের ৩৪ তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত ক্ষেতলালে ১ হাজার সিম ও ১৯টি স্মার্টফোনসহ অনলাইন জুয়াড়ি গ্রেপ্তার কালাইয়ে মাদকাসক্ত স্বামীর নির্যাতনে স্ত্রীর মৃত্যু

কেনো অনগ্রসর ছিলেন হরিচাঁদ ঠাকুরের মানুষগুলি?

..একটি  কৃষক পরিবার  আর্থিক অনটনে থাকলেও কয়েক বছর  পর কৃষকের ছেলেগুলি যখন বড় হয় এবং কর্মক্ষম হয়, তখন পরিবারটিতে  আর্থিক স্বচ্ছলতা ফিরে আসে। কয়েক বছর  পরে, যৌথ পরিবারটি যখন ভেঙ্গে যায় তখন নতুন অনুপরিবারগুলিতে  আবার নেমে আসে আর্থিক অভাব-অনটন।  গ্রাম সমাজে  কৃষি অর্থনীতিতে  এরূপ উত্থান-পতন প্রক্রিয়া চক্রাকারে চলতে থাকে। নজর এড়ায়না সমাজবিজ্ঞানীদের,  এক পাকিস্তানী সমাজবিজ্ঞানী এর নাম দিলেন 'সাইক্লিক্যাল কুলাকিজম'। সে যা হোক- হরিচাঁদ ঠাকুরের(১৮১২-১৮৭৮) মানুষগুলি ছিল এর থেকেও আরও বেশি বিপাকে। কারন তখন বাংলা ছিল প্রচন্ডভাবে ব্রাহ্মণ্যবাদের শিকার। এরই প্রভাবে পরিবারে কঠোরভাবে অনুষ্ঠিত হত  শ্রাদ্ধ, মৃত্যুভোজ, বিবাহভোজ, অন্নপ্রাশন, শনিপুজা, দোষকাটা পুজা, চিকিৎসার নামে বিভিন্ন বৈদ্য  খরচ-খরচা, রোগমুক্তির পুরষ্কার ইত্যাদি ইত্যাদি। মরা-ছাড়া, বন্যা বা খরায় ফসলহীনতা, পণের টাকা যোগানো  এ সবেও পরিবারগুলি আর্থিকভাবে ভেঙ্গে পড়তো। দরিদ্রতা ছিল তাদের  নিত্য সঙ্গী।  এ ধরণের মানুষ ও পরিবারগুলি সহজে বিভিন্ন কুসংস্কারে জড়িয়ে পড়বে এটাই স্বাভাবিক।


অর্থ-সম্পদে নিম্ন অবস্থানে থাকা কম আয়ের মানুষ সাধারনত যারা কৃষি পেশা অবলম্বন করে জীবন অতিবাহিত করে তারাই আজকের প্রসঙ্গে অনগ্রসর। হরিচাঁদ ঠাকুরের দৃষ্টি এই শ্রেণির দিকে  আগে পড়ে।  অনগ্রসর এই  জাতি-সম্প্রদায়টি  বেদ-বিধির সুফল থেকে বঞ্চিত। পূজার্চনা বলতে   এরা কিছু প্রাকৃতিক পূজাকর্ম করতো। এক কথায় যে গুলিতে পুরোহিত লাগতো না। সার্বজনীন পূজা পাটে অংশ নিলেও তারা ছিল পেছনের সারিতে। সমাজে তখন প্রবল বর্ণাশ্রম প্রথা কার্যকরী। ইংরেজরা এসে গেছে।  তা না হলে কতদূর যে গড়াতো তার অনুমান করা কঠিন। সতীদাহ প্রথা বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির মাধ্যমে বন্ধ ঘোষিত হলো ১৮২৯ সালে।  হাজার বছরের নিশ্চল 'স্বয়ং সম্পূর্ণ গ্রাম সম্প্রদায়' প্রতিষ্ঠানটি ভাঙতে বসেছে।    ইংরেজরা হয়তো কিছু আইনের পরিবর্তন করতে পারে। কিন্তু হিন্দু সমাজের স্থায়ী বিষয়গুলিতে তাদের কিছু করার নেই, বর্ণবাদের সুযোগে খৃষ্টান করা ছাড়া।  বলে রাখা ভাল, হরিচাঁদ ঠাকুর কিন্তু ইংরেজ শাসনের বিরুদ্ধে ছিলেন। কৃষক বিদ্রহে তাঁর এলাকায় তার বড় প্রমান আছে।  হরিচাঁদ ঠাকুর অবশেষে এই শোষিত, বঞ্চিত, অবহেলিত, কুসংস্কারাচ্ছন্ন  অনগ্রসর শ্রেণির অর্থনৈতিক ও সামাজিক মুক্তির জন্য তাঁর সমস্ত  দৃষ্টি নিবদ্ধ করলেন। গঠন করলেন মতুয়া নামের ধর্মীয় সম্প্রদায়।  তাঁর অনুসারী অগণিত  মতুয়া ভক্তদেরকে তিনি সূক্ষ্ণ সনাতন ধর্ম পালনের উপদেশ দিয়ে গেলেন।

লেখক : প্রণব মন্ডল, শিক্ষার্থী ; খুলনা ইউনিভার্সিটি।

Tag
আরও খবর





deshchitro-6a2c36a763867-120626104111.webp
রামিসা ধর্ষণ মামলার রায় হতে পারে অনুকরণীয়

৭১ দিন ২১ ঘন্টা ১৬ মিনিট আগে