টপসয়েল কাটা নীরব এক পরিবেশ বিপর্যয় ইউথ লিডালশীপ সামিটে যোগ দিতে অস্ট্রেলিয়া গেলেন অ্যাডভোকেট নাজমুল হাসান নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে তিন ইট ভাটাকে অর্থদন্ড আগামী প্রজন্ম সম্ভাবনা নাকি সংকটের অশনি সংকেত? কাজী এহসানুল হক জিহাদ আমার কলম কখনো বিক্রি করবো না : শ্রীমঙ্গলের ইউএনও জিয়াউর রহমান, গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে নবাগত ইউএনও’র মতবিনিময় ঝিনাইগাতীতে পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ঝিনাইগাতীর দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ঝিনাইগাতীতে অন্তর্ভুক্তিকরণ ও আদিবাসীদের অধিকার বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত লাখাইয়ে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে কারণে অতিষ্ঠ জনজীবন। শান্তিগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের বর্ণাঢ্য উদ্বোধন প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ, নগ্ন ভিডিও ধারণ করে চাঁদাবাজি: গ্রেপ্তার ১ আশাশুনিতে ইউনিয়ন পরিষদের জেন্ডার একশন প্ল্যান বিষয়ক কর্মশালা ৫ বছরের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী দেশের ১৪ জেলায় তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়লেও সংলাপ ইস্যুতে এখনও সিদ্ধান্তহীন ইরান হামে আক্রান্ত হয়ে দেশে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু চিলমারীতে "কৃষকদের নিয়ে পার্টনার কংগ্রেসের" কর্মশালা অনুষ্ঠিত শার্শায় চাঁদাবাজি ও মারপিটের ঘটনায় থানায় ৩ জনের নামে এজাহার দায়ের: আটক ১ আদমদীঘিতে প্রিপেইড মিটার সংযোগ বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন ঝিনাইগাতীতে পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

শহরে গরুর মাংসের দাম ৭৫০ টাকা নির্ধারণ : ক্ষুব্ধ ক্রেতারা

জেলা প্রশাসনের পক্ষে কক্সবাজার শহরে প্রতি কেজি গরু ও খাসির মাংস কত দামে বিক্রি হবে, তা নির্ধারণ করা হয়েছে। মাংস ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে এই দাম ঠিক করা হয়েছে।


গত সোমবার ( ২০ জুন ২০২২) কক্সবাজার পৌরসভার হল রুমে পৌরসভার সিওকে সঙ্গে নিয়ে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু সুফিয়ান মাংস ব্যবসায়ীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় মাংসের বিক্রয়মূল্য ঠিক করা হয়। তাতে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭৫০ টাকা, খাসি ১০০০ টাকা এবং বকরির মাংস ৯০০ টাকায় বিক্রি হবে ঠিক করা হয়। যেখানে একজন ব্যক্তি ১ কেজি মাংসের মধ্যে ২৫০ গ্রাম পর্যন্ত হাড্ডি দিতে পারবেন। এছাড়াও একজন ব্যক্তি যতটুকু ইচ্ছে মাংস নিতে পারবেন। যেমন ১০০ গ্রাম, ২০০ গ্রাম ২৫০ গ্রাম মাংস বিক্রির সিদ্ধান্ত হয়।



এ সিদ্ধান্তের পরে বাজার করতে এসে ক্রেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। এমনই একজন বড় বাজারে পেসকার পাড়া থেকে বাজার করতে আসা আহম্মদ কবির। তিনি বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা যে মূল্য ঠিক করতে বলল, তাতেই ঠিক করে দিল। এর মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের অকারণে মূল্যবৃদ্ধিকে লাইসেন্স দেওয়া হলো। সাধারণ মানুষের কথা কেউ চিন্তা করল না।


ভোক্তা অধিকার নিয়ে কাজ করা ব্যক্তিদের মতে, এক মাস আগের দামের চেয়ে কেজিতে ৫০ টাকা বাড়িয়ে গরুর মাংসের দাম নির্ধারণ করা হলো। এটা কোনোভাবেই ভোক্তার স্বার্থ সংরক্ষণ করে না। শুধু ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা না করে এসব ক্ষেত্রে ক্রেতাদের বক্তব্য বিবেচনায় নেওয়া উচিত। তারা আরও বলেন, মাংসের যে দাম জেলা প্রশাসন নির্ধারণ করে দিয়েছে, এটাও তারা ঠিক রাখতে পারবে কি না, সেটা নিয়েও সন্দেহ আছে।


এদিকে মাংসের বাজার যাচাই করে জানা গেছে, এ বছরের শুরু থেকেই গরুর মাংসের দাম বাড়তে থাকে। জানুয়ারি মাসে ৬৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭০০ টাকায় বিক্রি করা শুরু। এরপর আর নিচে নামলো না। যা এখন ৭৫০ টাকা পর্যন্ত উঠে যায়।


কলাতলি এলাকার বাসিন্দা আব্দুল মজিদ বলেন, গত ৪ মাসে কয়েক দফায় গরুর মাংসের দাম বাড়ানো হয়েছে। ঈদুল আজহার আগে মাংসের দাম ৭৫০ টাকা কেজি নির্ধারণ করেছে। এতে করে ব্যবসায়ীরা আরো বেপরোয়া হয়ে যাবেন। ঈদুল আজহার পর থেকে দেখা যাবে নানা কৌশল প্রয়োগ করে বাড়িয়ে দিবেন ব্যবসায়ীরা।

আরও খবর