সাতক্ষীরায় প্রযুক্তির সহায়তায় নারী প্রকল্পের ফ্রিল্যান্সর প্রশিক্ষণ শেষে ল্যাবটপ বিতরণ নোয়াখালীতে ১১ বছর পর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার নোয়াখালীতে ১১ বছর পর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার উপকূলে জেলেদের জন্য ‘লাইফলাইন’ হতে পারে স্টারলিংক ইন্টারনেট ইতালি বাংলাদেশ থেকে আরও কর্মী নিয়োগ করতে আগ্রহী : প্রধান উপদেষ্টাকে মাত্তেও ফের বাড়ল সোনার দাম, কাল থেকেই কার্যকর উর্দু ভাষায় পাকিস্তান মাতাবে সিয়ামের ‘জংলি’, চলছে ডাবিং কালীগঞ্জে কিশোরী উদ্ধারে এসে হামলার শিকার যশোরের তিন পুলিশ সদস্য ও এক গৃহবধূ মিরসরাইয়ে তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নে ছাত্র সমাবেশ গলায় লিচু আটকে প্রাণ গেল শিশুর অবশেষে বদলি হলেন ৫ যুবককে হেনেস্তাকারী ইসলামপুর সার্কেলের সেই এএসপি বানিয়াচংয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক সাতক্ষীরায় বিজিবি’র অভিযানে কাটাগ্রা ট্যাবলেট, ১০ বোতল মদসহ ৬ লক্ষাধিক টাকার মালামাল আটক হাসনাত আব্দুল্লাহর উপর হামলার প্রতিবাদে মোংলায় বিক্ষোভ শামীম ওসমান পরিবারের দুই সহযোগী সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার সাতক্ষীরায় আম সংগ্রহের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মধুপুরে বিএনপি নেতর বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ মিছিল মধুপুরে সাবেক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ মিছিল নালিতাবাড়ীতে পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন, ও দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত নালিতাবাড়ীতে দুর্নীতি বিরোধী বিষয়ক ফোকাল পার্সনদের দুর্নীতি ও এর প্রতিরোধ এবং তথ্য অধিকার আইন বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

বরিশাল সিটি নির্বাচন এবং একটি নির্মোহ পর্যালোচনা


◾ মোঃখালিদ হোসাইন আরাফাত: 


বরিশাল সিটি করপোরেশন এবং সদর এ ৯১ পরবর্তী সময় থেকে মুজিবুর রহমান সরোয়ার (যুগ্ম মহাসচিব, জাতীয়তাবাদী দল, বিএনপি) ২০০৮ পর্যন্ত একক প্রভাব ছিল। এটা কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। কিন্তু ২০০৮ পরবর্তী তে বরিশালে রাজনীতির পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।

দক্ষিণ অঞ্চলের রাজনীতির আরেক প্রভাবশালী সেরনিয়াবাত পরিবার বরিশাল শহরে ও প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা শুরু করে, যদি দক্ষিণ বঙ্গের আওয়ামী লীগের মূল ধারক ও বাহক এই পরিবার।


পাশাপাশি ২০০০ সাল থেকে বরিশাল এর রাজনীতিতে সক্রিয় হতে শুরু করে পীর সাহেব চরমোনাই বা পীর পরিবার।২০০১ সালে ইউপি চেয়ারম্যান থেকে তাদের রাজনীতি শুরু হয়।মূল অবস্থান ও লক্ষ্য করা যায় ২০০৮ এর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে।দ্বিতীয় পীর তথা মুফতি ফয়জুল করীম সাহেবের মূলধারার রাজনীতিতে উপস্থিতি জনসাধারণ এবং গণমাধ্যমের আকর্ষণ করে। 


অর্থাৎ ২০০৮ পরবর্তী তে বরিশালের রাজনীতিতে ৩ টা প্রভাব বলয় সৃষ্টি হতে শুরু হয়। সরোয়ার ভাইয়ের শক্তিহ্রাস পীর পরিবার ও সেরনিয়াবাত পরিবার এর শহরমুখী আগ্রাসন। এরমধ্যে হিরণ ভাই (সেরনিয়াবাত এর স্নেহ ধন্য) সদর আসনের সাংসদ নির্বাচিত হয়ে যায়,কিন্তু সিটি নির্বাচনে আবারও সরোয়ার সমর্থিত কামাল ভাই মেয়র হয়।অর্থাৎ আওয়ামী ও বিএনপি সমতা সৃষ্টি হয়।এদিকে পীর পরিবার আস্তে আস্তে আগাতে শুরু করে। তাদের জাতীয় রাজনীতির প্রভাব বরিশালে ও পরতে শুরু করে। ২০১৪ নির্বাচনে বিএনপি এবং পীর পরিবার অংশ না নেওয়ায় সেরনিয়াবাত পরিবার আরও একধাপ এগিয়ে যায়।


সর্বশেষ ২০১৮ এর জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং সিটি নির্বাচনের সময় বরিশালের রাজনীতি তিন ধারায় বিভক্ত এটা স্পষ্ট হয়ে যায়।সিটি নির্বাচনে পীর পরিবার মনোনীত প্রিন্সিপাল মাহবুব, সাদেক সেরনিয়াবাত ও সরোয়ার ভাইয়ের শক্তি পরীক্ষা হয়।প্রশাসন আর সরকারের কাছে সরোয়ার ভাই এবং প্রিন্সিপাল মাহবুব যৌথ ভাবে হেরে যায়।সাদেক যেহেতু শেখ হাসিনার ভ্রাতুষ্পুত্র তাই মেয়র হওয়ার পরে তার প্রভাব প্রতিপত্তির সেচ্ছাচারী আচারণ স্বয়ং ফুফু ও আস্থা হারায়।গোটা বরিশাল শহরে এক ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করে। 


আবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ও মুফতি ফয়জুল করীম ও সরোয়ার ভাই রাতের ভোটে হেরে যায়,জাহিদ ফারুক শামীম (সাবেক সেনা কর্মকর্তা,বাহাউদ্দীন নাসিম, আমু সমর্থিত) নৌকা প্রতীকে বিজয়ী হয়।এরপর স্থানীয় সরকার নির্বাচনে পীর পরিবার এর ৩/৪ জন ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে যায়।কিন্তু সেরনিয়াবাত পরিবার এর কারণে জাহিদ ফারুক শামীম (নৌকার এমপি)কোনঠাসা হয়ে যায়। ফলে নিজেদের ভিতর মনোমালিন্য সৃষ্টি হয়। 


ফলে ২০২৩ এর সিটি নির্বাচনে সাদেক মনোনয়ন বঞ্চিত হয়,প্রতীক পায় ফারুক সমর্থিত খোকন সেরনিয়াবাত (সাদেক এর চাচা)এদিক বিএনপি নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার কথা বললেও সাবেক মেয়র কামাল ভাইয়ের ছেলে রূপম নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে অপরদিকে পীর পরিবার থেকে পীরের ছোট দুই ভাইয়ের একজন অর্থাৎ মুফতি ফয়জুল করীম ও চরমোনাই ইউনিয়নের সাবেক ২ বারের চেয়ারম্যান মুফতি আবুল খায়ের। আগামী ২৭ তারিখ ঘোষণা করা হবে যে কোনো একজন কে।


‌তবে রূপম রাজনীতিতে তেমন অভিজ্ঞতা সম্পন্ন না,আবার পীর পরিবার এর আবুল খায়ের সাহেব কে সিটি নির্বাচনের মূল প্রভাব কতটুকু রাখতে পারে এ ব্যাপারে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। যদিও আবুল খায়ের সাহেব কে মেয়র পদের জন্য স্টকে রাখা হয়েছিল। তবে মুফতি ফয়জুল করীম হলে, খোকন সেরনিয়াবাত এর সাথে পীর পরিবার এর মূল ভোটযুদ্ধের আভাস পাওয়া যাবে। 

‌পীর পরিবার ও সেরনিয়াবাত পরিবার এর মধ্যে কারা থাকবে নগরী নিয়ন্ত্রণে তা হয়ত সিটি নির্বাচনেই দেশবাসী জানতে পারবে। 


লেখক মোঃখালিদ হোসাইন আরাফাত, ছাত্র সংগঠক এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক

আরও খবর
deshchitro-6801d6dae401c-180425103642.webp
Take early steps to resolve waterlogging in Dhaka

১৮ দিন ৫ ঘন্টা ২৫ মিনিট আগে




deshchitro-67f32034a3e9c-070425064540.webp
সড়কে মৃত্যুর মিছিল বন্ধ হোক

২৯ দিন ৯ ঘন্টা ১৬ মিনিট আগে


67f00c4be906d-040425104355.webp
অবহেলার পাত্র নাকি সভ্যতার স্থপতি?

৩১ দিন ১৭ ঘন্টা ১৮ মিনিট আগে


deshchitro-67e77b5f5d7ad-290325104727.webp
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ঈদ ভাবনা

৩৮ দিন ৫ ঘন্টা ১৫ মিনিট আগে


67e68cb231674-280325054906.webp
ঈদের শুভেচ্ছা জানানোর জন্য বার্তা

৩৮ দিন ২২ ঘন্টা ১৩ মিনিট আগে