গোয়ালন্দে মেয়র পদপ্রার্থী জাহাঙ্গীর খানের উদ্যোগে পথচারীদের মধ্যে শরবত বিতরণ শান্তিগঞ্জে প্র'তা'র'ক স্বাধীন গ্রে'প্তা'র ইসলামী ব্যাংক সমুহ থেকে পাচারকৃত টাকা ফেরত আনার দাবিতে জয়পুরহাটে মানববন্ধন শ্যালিকাকে ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইল মামলায় ডা. রাফসান জানি গ্রেফতার ঈদের ছুটিতে ঘরমুখো পবিপ্রবি: শিক্ষার্থীদের আনন্দ-অনুভূতির গল্প আদমদীঘিতে ইসলামী ব্যাংকিং ধ্বংসের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে মানববন্ধন কমিউনিটি পুলিশিংকে আদর্শ সংগঠন হিসাবে গড়ে তুলতে চাই : আইজিপি-আলী হোসেন ফকির ইসলামী ব্যাংকে সুশাসন ফিরিয়ে আনার দাবিতে ইসলামী সচেতন গ্রাহক ফোরামের মানববন্ধন আজ বিশ্ব সিজোফ্রেনিয়া দিবস কালিগঞ্জে তরুণী অপহরণের চেষ্টায় আটক ২ কুতুবদিয়ায় 'নিদেক' ফটোগ্রাফি এক্সিবিশন প্রতিযোগিতা সম্পন্ন লাখাইয়ে ঈদুল আজহা উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের ফোর্স মোবিলাইজেশন। কুরবানির বর্জ্য পরিবেশসম্মতভাবে অপসারণে ইয়ুথ নেটওয়ার্ক ফর ডেভেলপমেন্টের সচেতনতা কার্যক্রম চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নসহ দেশবাসীকে বিএনপি নেতা সাজ্জাদ উল্লাহর ঈদের শুভেচ্ছা মিরসরাইয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়েরের ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত ক্ষেতলালে যুবকের মরদেহ উদ্ধার হামের রোগীদের দায়িত্বরত ডাক্তার ও নার্সদের ঈদের ছুটি বাতিল : স্বাস্থ্যমন্ত্রী আগামী এক মাসের মধ্যেই রামিসা হত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হবে: প্রধানমন্ত্রী কোম্পানীগঞ্জ দুটি আমের জন্য শিশুকে অমানবিক নির্যাতন সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবিতে শ্রীমঙ্গলে সংবাদ সম্মেলন

ইতিহাসের পাতায় শুধু ঠাঁই পেতে বসেছে ঠাকুরগাঁও এর মৃৎশিল্প


কালের বিবর্তনে আধুনিকতার ছোঁয়ায় মাটির তৈরি জিনিসপত্রের দিন দিন ব্যবহার কমতে শুরু করেছে। প্রযুক্তির উন্নয়নের ফলে মাটির তৈরি জিনিসের বিকল্প হিসেবে বাজার দখল করে নিয়েছে প্লাস্টিক, অ্যালুমিনিয়াম, স্টিল ও সিরামিক।


ফলে আধুনিক প্রযুক্তির তৈরি জিনিসপত্রের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে হারিয়ে যাচ্ছে মাটির তৈরি অনেক পণ্য। তবে মাটির তৈরি কিছু জিনিসপত্র এখনো বাজারে পুরোপুরি হারিয়ে যায়নি। শহরে মাটির তৈরি ফুলদানি ও বাহারি মাটির হাঁড়ির এখনো কদর রয়েছে।

বলছিলাম -

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকঁচা ইউনিয়নের পালপাড়া গ্রামের বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরেই মৃৎশিল্পের সাথে জড়িত। তারা তৈরী করেন মাটির হাঁড়ি, পুতুল, কলসি, প্রদীপসহ রকমারি জিনিসপত্র। তবে সময়ের পরিবর্তনের কারণে বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে বিলুপ্তির পথে এই শিল্প। 


মৃৎশিল্পিরা বলছেন, বর্তমান বাজারে প্লাস্টিক পণ্যের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় মাটির তৈরী জিনিসপত্রের কদর কমে গেছে। ফলে জীবিকা নির্বাহে কষ্ট হচ্ছে। তবে ঐতিহ্যের টানে এখনও এই শিল্পে জড়িত রয়েছেন বলে জানালেন মৃৎশিল্পীরা। 


তবে জেলার ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের কর্মকর্তারা বলছেন, আধুনিকতার সাথে সামঞ্জস্য রেখে পণ্য উৎপাদন করলে এই শিল্প হারাবে না। বরং কদর আরও বাড়বে। 


এদিকে, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি বলছেন, সরকারি সুযোগসুবিধা পেলে এই শিল্প টিকিয়ে রাখা সম্ভব। 


আঁকচা পালপাড়া গ্রামের মৃৎশিল্পীরা আশাবাদী, সবার সহযোগিতা পেলে ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব।


উল্লেখ্য,  আঁকচা  ইউনিয়নে পাল সম্প্রদায়ভুক্ত প্রায় ৭০০ পরিবার বাস করেন। এক সময় ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্পকে ঘিরে ছিল বছরব্যাপী অবিরাম কর্মযজ্ঞ। কালের বিবর্তনে দিনে দিনে এর ব্যাপ্তি কমতে শুরু করেছে। এখন কমবেশি ২০০ পরিবার এ পেশায় সম্পৃক্ত রয়েছে। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার পাশাপাশি একটি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী এই শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে।

আরও খবর