গোয়ালন্দে মেয়র পদপ্রার্থী জাহাঙ্গীর খানের উদ্যোগে পথচারীদের মধ্যে শরবত বিতরণ শান্তিগঞ্জে প্র'তা'র'ক স্বাধীন গ্রে'প্তা'র ইসলামী ব্যাংক সমুহ থেকে পাচারকৃত টাকা ফেরত আনার দাবিতে জয়পুরহাটে মানববন্ধন শ্যালিকাকে ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইল মামলায় ডা. রাফসান জানি গ্রেফতার ঈদের ছুটিতে ঘরমুখো পবিপ্রবি: শিক্ষার্থীদের আনন্দ-অনুভূতির গল্প আদমদীঘিতে ইসলামী ব্যাংকিং ধ্বংসের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে মানববন্ধন কমিউনিটি পুলিশিংকে আদর্শ সংগঠন হিসাবে গড়ে তুলতে চাই : আইজিপি-আলী হোসেন ফকির ইসলামী ব্যাংকে সুশাসন ফিরিয়ে আনার দাবিতে ইসলামী সচেতন গ্রাহক ফোরামের মানববন্ধন আজ বিশ্ব সিজোফ্রেনিয়া দিবস কালিগঞ্জে তরুণী অপহরণের চেষ্টায় আটক ২ কুতুবদিয়ায় 'নিদেক' ফটোগ্রাফি এক্সিবিশন প্রতিযোগিতা সম্পন্ন লাখাইয়ে ঈদুল আজহা উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের ফোর্স মোবিলাইজেশন। কুরবানির বর্জ্য পরিবেশসম্মতভাবে অপসারণে ইয়ুথ নেটওয়ার্ক ফর ডেভেলপমেন্টের সচেতনতা কার্যক্রম চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নসহ দেশবাসীকে বিএনপি নেতা সাজ্জাদ উল্লাহর ঈদের শুভেচ্ছা মিরসরাইয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়েরের ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত ক্ষেতলালে যুবকের মরদেহ উদ্ধার হামের রোগীদের দায়িত্বরত ডাক্তার ও নার্সদের ঈদের ছুটি বাতিল : স্বাস্থ্যমন্ত্রী আগামী এক মাসের মধ্যেই রামিসা হত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হবে: প্রধানমন্ত্রী কোম্পানীগঞ্জ দুটি আমের জন্য শিশুকে অমানবিক নির্যাতন সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবিতে শ্রীমঙ্গলে সংবাদ সম্মেলন

বালিয়াডাঙ্গীতে শহীদ কমরেড কম্পরাম সিংহ স্মৃতি কমপ্লেক্স এর শুভ উদ্বোধন

বালিয়াডাঙ্গী  উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে  উপজেলার পাড়িয়া ইউনিয়নের শহীদ কমরেড কম্পরাম সিংহ স্মৃতি কমপ্লেক্স এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয় । 


১৯৪০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে লাহিড়ী হাটে জমিদারদের স্বেচ্ছাচার মূলক তোলা আদায়ের বিরুদ্ধে কৃষকদের সংগঠিত করেন যা রাজনৈতিক ইতিহাসে “তোলাবাটি” আন্দোলন নামে খ্যাত হয়। এই আন্দোলনের নেতৃত্বদানের দায়ে গ্রেফতার বরণ করেন এবং তিনমাস বন্দী জীবন কাটান। ১৯৪৭ সালে বঙ্গীয় প্রাদেশিক পার্টি সম্মেলনে প্রতিনিধিরূপে নির্বাচিত হন।

 

তোলাবাটি আন্দোলন শেষ না হতেই সমগ্র উত্তরবঙ্গে বর্গা চাষীদের তেভাগা আন্দোলন সংগঠিত হয় এবং কম্পরাম সিংহ সেই আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। তিনি বালিয়াডাঙ্গী, রাণীশংকৈল, আটোয়ারী থানায় তেভাগা আন্দোলনে নেতৃত্ব প্রদান করেন। এই সময় তার উপর সরকারি হুলিয়া থাকায় দুই বছর আত্মগোপন করেন। ইনি জীবনে সমস্ত সঞ্চয় কমিউনিস্ট পার্টিকে দান করে সর্বক্ষণের কর্মী হয়ে যান। 


পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর মুসলিম লীগ শাসনামলে ১৯৪৯-এ পুনরায় গ্রেফতার হন। অন্যান্য কৃষক নেতা কর্মীর সাথে রাজবন্দি হিসেবে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে খাপড়া ওয়ার্ডে অন্তরীণ ছিলেন। এই সময় রাজবন্দিদের উপর মুসলিম লীগ সরকারের অত্যাচার উৎপীড়নের প্রতিবাদে এবং রাজবন্দি ও সাধারণ বন্দিদের মানবেতর পরিবেশ থেকে মানবিক পরিবেশে উন্নীত করার দাবিতে রাজবন্দিরা যে আন্দোলন করেন, রাজশাহী কারাগারে তিনি তার নেতৃত্ব প্রদান করেন। 


১৯৫০ সালের ২৪ এপ্রিল রাজশাহী সেন্ট্রাল জেলে আটজন রাজবন্দীকে কনডেমড সেল বা ফাঁসির আসামীর নির্জন সেলে আটকে রাখলে তীব্র বিক্ষোভে সামিল হন বাকি বন্দীরা। তাদের কুখ্যাত খাপরা ওয়ার্ডে পাঠানো হয়। জেলার বিলের নির্দেশে বাইরে থেকে নির্মমভাবে গুলি চালায় কারারক্ষীরা। এর ফলে শহীদ হন সাম্যবাদী কর্মী কম্পরাম সিং। তার সাথে শহীদ হন আরো ছয়জন। শ্রমিক নেতা বিজন সেন, সুধীন ধর, হানিফ সেখ, দিলওয়ার হোসেন, ছাত্র নেতা আনোয়ার হোসেন এবং ছাত্র সংগঠক সুখেন ভট্টাচার্য। 


আজ শহীদ কম্পরাম সিংহ স্মৃতি কমপ্লেক্স উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে তেভাগা আন্দোলনের নেতা শহীদ কম্পরাম সিংহকে চির অমর করে রাখলেন। 


বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে 

মোঃ সাবিরুল ইসলাম, মাননীয় বিভাগীয় কমিশনার, রংপুর বিভাগ, রংপুর মহোদয় শহীদ কমরেড কম্পরাম সিংহ স্মৃতি কমপ্লেক্স শুভ উদ্ধোধন করেন।জনাব মোঃ মাহবুবুর রহমান, জেলা প্রশাসক মহোদয় উক্ত অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন। স্বাগত বক্তব্য পেশ করেন বিপুল কুমার , উপজেলা প্রশাসক বালিয়াডাঙ্গী। 

উক্ত অনুষ্ঠানে  উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেন জনাব মো: আলী আসলাম, চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ, বালিয়াডাঙ্গী, জনাব মো: মাজহারুল ইসলাম সুজন, সাংগঠনিক সম্পাদক, ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামীলীগ, জনাব মোহাম্মদ আলী, সভাপতি, উপজেলা আওয়ামীলীগ ।    জনাব মো: দবিরুল ইসলাম, সভাপতি উপজেলা কমিউনিষ্ট পার্টি, জনাব মো: ফজলে রাব্বী রুবেল, চেয়ারম্যান, পাড়িয়া ইউপি। 

আরো উপস্থিত ছিলেন জনাব মো: মাজেদুর রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ, জনাব মোছা: আলেয়া পারভীন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ, জনাব মোছা: ফাতেহা তুজ জোহুরা, সহকারি কমিশনার (ভূমি),জনাব মো: খায়রুল আনাম, অফিসার ইনর্চাজ বালিয়াডাঙ্গী থানা, উপজেলার সকল দপ্তর প্রধানগন, জনাব দিলীপ কুমার চ্যাটার্জী, চেয়ারম্যান, ২নং চাড়োল ইউপি, জনাব সমর কুমার চ্যাটার্জী, চেয়ারম্যান, ৩নং ধনতলা ইউপি, জনাব মো: সাহাবুদ্দীন মিয়া, চেয়ারম্যান, ৪নং বড়পলাশবাড়ী ইউপি, জনাব মো: সোহেল রানা, চেয়ারম্যান, ৫নং দুওসুও ইউপি, জনাব মো: আকালু চেয়ারম্যান, ৭নং আমজানখোর ইউপি, মো: সলেমান আলী, ডিপুটি কমান্ডার ও পাড়িয়া ইউনিয়নের সকল মুক্তিযোদ্ধাগন, সকল ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যগন, প্রেস ও ইলেকট্রিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ, শিক্ষক বৃন্দ, কম্পরাম সিংহের পরিবারবর্গের সদস্যবৃন্দ এবং প্রতিষ্ঠানের ছাত্র/ছাত্রীবৃন্দ এবং অত্র এলাকার সুধীবৃন্দ।

Tag
আরও খবর