নাগেশ্বরীতে ৬৩ পূজামণ্ডপের জন্য তৈরি হচ্ছে প্রতিমা: নিরাপত্তায় পুলিশের বিশেষ নজর ও পরিদর্শন নাগেশ্বরীতে ৬৩ পূজামণ্ডপের জন্য তৈরি হচ্ছে প্রতিমা: নিরাপত্তায় পুলিশের বিশেষ নজর ও পরিদর্শন শিল্পবর্জ্য ও দূষণের কারণে সুপেয় পানি কমছে : পানি সম্পদ মন্ত্রী জয়পুরহাটে মটর শ্রমিক ইউনিয়নের নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক ও শপথ কৃষকরাই দেশ গড়ার যোদ্ধা: রাষ্ট্রপতি লাখাইয়ে উর্ধ্বমুখী নিত্যপণ্যের দাম,অস্তিরতায় নিম্ন আয়ের মানুষ। জাতিসংঘ সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী আশাশুনি হাসপাতালকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করনে নতুন ভবনের সয়েল টেস্ট উদ্বোধন তা’মীরুল মিল্লাতে আলিমে ভর্তি নিয়ে ভোগান্তির অভিযোগ, নির্বাচিত হয়েও ভর্তি হতে পারেননি অনেকে! দিনাজপুরে সম্ভাবনাময় পর্যটন শিল্পের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস এমপি সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমের পীরগাছায় ছেলের হাতে বাবা খুন, ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন ১৬ বছরে পদার্পণ লালপুর উপজেলা প্রেস ক্লাব পীরগাছায় আল হাজরা ইয়াতিমখানার হাফেজ ছাত্রদের পাগড়ী প্রদান উপলক্ষে তাফসির মাহফিলের প্রস্তুতি ও সুধী সমাবেশ কবিরহাটে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা শেরপুরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী জরিপ-এর প্রশিক্ষণ উদ্বোধন ঈশ্বরগঞ্জে নারী ও কন্যা শিশুর সহিংসতা নিরসনে আলোচনা সভা রূপালী ব্যাংকের গোপীনাথপুর শাখার নতুন ভবনের উদ্বোধন সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা ব্রীজের উপর ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালক নিহত কুষ্টিয়া রাজবাড়ী মহা সড়কে ট্রাক- নসিমন সংঘর্ষে ১ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু পরিকল্পিত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বরিশাল মহানগর বিএনপির প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল

‎সুন্দরবনে অগ্নিসংযোগ রোধে পানি ছিটিয়ে ও দাহ্যবস্তু নিয়ে প্রবেশ নিষেধে বনবিভাগের প্রচারণা

ছবি সংগৃহীত

মোংলা প্রতিনিধিঃ

‎

‎সুন্দরবনে শুষ্ক মৌসুমে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড রোধে বনবিভাগ বিশেষ সতর্কতা হিসেবে বনের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে পানি ছিটিয়ে বা ভিজিয়ে দিচ্ছে। ড্রোন নজরদারি, ফায়ার লাইন (মাটি কেটে আগুন বিচ্ছিন্ন করা) তৈরি এবং সেচপাম্প ব্যবহার করে আগুন নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধের কাজ চলছে। এছাড়াও, আগুন লাগলে তা দ্রুত নেভাতে বন সংলগ্ন এলাকায় নদী ও খালের পানি প্রবাহ সচল রাখার পাশাপাশি নদী ড্রেজিংয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

‎

‎প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা: শুকনো পাতা ও জ্বালানি থেকে আগুন ছড়ানো রোধে বনের মাটি পানি দিয়ে ভিজিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

‎

‎সতর্কতা: বনবিভাগ সন্দেহভাজন এলাকায় টহল জোরদার করেছে এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে লিফলেট ও পোস্টার বিতরণ করছে।এ ছাড়াও বিড়ি-সিগারেট, ম্যাচ-লাইটার বা কোন প্রকার বিষ্ফোরক কিংবা দ্যয্য পদার্থ নিয়ে বনে প্রবেশ নিষিধ্য সহ সকল প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছে।

‎

‎কার্যক্রম: অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি কমাতে ফায়ার লাইন তৈরি এবং নদীর পানি ব্যবহার করে ফায়ার সার্ভিস ও বনকর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ করছে।

‎

‎এর আগে, ২০২৩ ও ২০২৪ সালে সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের পর এই বিশেষ ব্যবস্থাগুলো গ্রহণ করা হয়েছে।

‎

‎সুন্দরবনে শুষ্ক মৌসুমে অগ্নিকাণ্ড রোধে বনবিভাগ বর্তমানে অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে রয়েছে। সাম্প্রতিক নির্দেশনা অনুযায়ী, জেলে, বাওয়ালি ও মৌয়ালসহ কোনো বনজীবী বা দর্শনার্থী আগুন, বিড়ি-সিগারেট বা কোনো ধরনের দাহ্য পদার্থ নিয়ে বনে প্রবেশ করতে পারবেন না। 

‎এই সচেতনতা নিশ্চিত করতে বনবিভাগ নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করেছে:

‎* মাইকিং ও প্রচার: সুন্দরবনের নাংলী, চাঁদপাই ও শরণখোলা রেঞ্জসহ বিভিন্ন স্টেশনের আওতাধীন লোকালয় ও বনসংলগ্ন এলাকায় নিয়মিত মাইকিং করা হচ্ছে। সচেতনতা বৃদ্ধিতে লিফলেট বিতরণ ও পোস্টার প্রদর্শনের কাজও চলছে।

‎* প্রবেশপথে তল্লাশি: বনের বিভিন্ন প্রবেশপথ যেমন—জিউধরা, চিলা, জয়মুনি ও কপিলমুনিতে বনকর্মীরা নিবিড় তল্লাশি চালাচ্ছেন যেন কেউ ভুলবশত বা ইচ্ছাকৃতভাবে দাহ্য বস্তু ভেতরে নিতে না পারে।

‎* নিষেধাজ্ঞা ও আইনি ব্যবস্থা: দাহ্য পদার্থ নিয়ে প্রবেশের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। বনবিভাগ সতর্ক করেছে যে, এই নিয়ম অমান্য করলে বা বনের ভেতর আগুন জ্বালালে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‎* অতিরিক্ত নজরদারি: ড্রোন ব্যবহার করে বনের গহীনে নজরদারি চালানো হচ্ছে এবং ফায়ার লাইন তৈরির মাধ্যমে আগাম সুরক্ষা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

‎

‎গত কয়েক বছরে বারবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তদন্তে দেখা গেছে, অসতর্কভাবে ফেলা বিড়ি-সিগারেটের অবশিষ্টাংশ বা মৌয়ালদের ব্যবহৃত মশাল থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল, যে কারণে এবার এই আগাম সতর্কতা।

‎

আরও খবর