ঝিনাইগাতীর ভালুকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে জলাবদ্ধতা নিরসন ও রাস্তা উন্মুক্তের দাবিতে মানববন্ধন তৃণমূলে প্রাথমিক শিক্ষার রূপান্তর: নড়িয়ার বাস্তবতা, চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা জীববৈচিত্র্য রক্ষায় আজ থেকে তিন মাস বন্ধ সুন্দরবনের দুয়ার নড়িয়ার কেদারপুরে বাড়িতে ঢুকে হামলা-ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে জয়পুরহাটের সোহেল; ছেলেকে ফিরে পেতে মায়ের আকুতি মায়ানমারে বিস্ফোরকের গুদামে বিস্ফোরণ, নিহত ৫৫ আদালতে সোহেল রানা, রামিসা হত্যার বিচার শুরু আজ প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের টাকা বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ : সঠিকভাবে টাকা বিতরণ করা হয়েছে মর্মে দাবি সংশ্লিষ্টদের সকলকে কাঁদিয়ে চির নিদ্রায় সাহিত হলেন দক্ষিণ নড়াইল শিমুলিয়া মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ কাজী তাকিবুর রহমান জয়পুরহাটে ‘ব্লু লাইন এক্সপ্রেস’ ঢাকাগামী কোচের যাত্রা শুরু শিশুদের মোবাইল ফোন আসক্তি: পড়াশোনায় অমনোযোগের নীরব সংকট গোয়ালন্দে ভূমি অফিসে দুর্ধর্ষ চুরি,বিএনপি নেতার ছেলের ভাঙ্গারির দোকান হতে মালামাল উদ্ধার কিশোর গ্যাং ও মাদক ব্যবসায়ীদের ভালো হয়ে যাওয়ার জন্য ৬ মাসের সময় দিলেন ডা. আব্দুল্লাহ তাহের। মধুপুর প্রেসক্লাবের নব নির্মিত ভবনের শুভ উদ্বোধন করলেন: আইসিটি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এমপি পানিতে ডুবে নিখোঁজের ৩০ ঘন্টা পর স্কুল ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার শহীদ জিয়ার কর্মময় জীবন অনুপ্রেরণার উৎস : এমপি বাবু লাখাইয়ে প্রেসক্লাব এর ঈদপুর্নমিলনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। রায়পুরে সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে হামলার শিকার সাংবাদিক আব্দুল আহাদ, প্রতিবাদে মানববন্ধনের ঘোষণা লাখাইয়ে মসজিদে সিজদাহ্ রত অবস্থায় এক মুসল্লীর মৃত্যু। ২ নং সুন্দরবন ইউনিয়নে খাল খনন সংস্কার পরিদর্শনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক

বিয়ে করার শর্তে জামিন পেলেন সাবেক এমপি

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 13-03-2023 02:46:36 pm

ধর্ষণ মামলায় বিয়ের শর্তে ও ১০ হাজার টাকা মুচলেকায় পাবনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার আজিজুল হক আরজু ওরফে ফারুক জামিন পেয়েছেন। 


সোমবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৫ এর বিচারক জামিন মঞ্জুর করেন।


নিজের নাম-পরিচয় পরিবর্তন করে তালাকপ্রাপ্ত নারীকে বিয়ে ও প্রতারণার ঘটনায় আরজুর বিরুদ্ধে মামলা হয়। গত বছরের ২২ এপ্রিল শিক্ষানবিশ এক আইনজীবীর মাধ্যমে মামলাটি করেন এক নারী। 


চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৫ এ আরজু আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। 


মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০০০ সালের ডিসেম্বরে প্রথম স্বামীর সঙ্গে বাদীর বিয়ে বিচ্ছেদ হয়। এরপর তিনি একটি ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিতে চাকরি করছিলেন। বাসায় নিঃসঙ্গ জীবনযাপন করায় আত্মীয়স্বজনরা তাকে আবার বিয়ে  দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছিলেন। 


একপর্যায়ে ২০০১ সালের শেষদিকে বাদীর চাচার মাধ্যমে আসামির (খন্দকার আজিজুল হক আরজু ওরফে ফারুক) সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে আসামি নিয়মিত বাদীর সঙ্গে যোগাযোগ রেখে তাকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করেন এবং এক পর্যায়ে সফল হন। আসামি তাকে জানান, তার প্রথম পক্ষের স্ত্রী মারা গেছেন। 


অভিযোগে আরও বলা হয়, সামাজিক নির্ভরতা ও একাকিত্বের অবসানসহ নানা কারণে বাদী আসামিকে মনেপ্রাণে ভালোবেসে ফেলেন এবং বিয়ের প্রস্তাবে রাজি হন। ২০০৩ সালের ১০ ডিসেম্বর আসামির সঙ্গে তার বিয়ে হয়। ২০০৮ সালের ১৬ জানুয়ারি তাদের একটি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। 


সন্তান গর্ভে আসার পর আসামি বিভিন্ন ছলছাতুরীর মাধ্যমে বাচ্চা নষ্ট করার চেষ্টা করেন। কিন্তু বাদীর দৃঢ়তার কারণে করতে পারেননি। সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর আসামির আচার-আচরণে পরিবর্তন আসে। বাসায় আসা কমিয়ে দেন। বাদীর নামে ফ্ল্যাট কিনে দেওয়ার কথা বললে তার বাবা ১০ লাখ টাকা এবং জমানো আট লাখ টাকা ও ১৫ ভরি ওজনের স্বর্ণালঙ্কার বিক্রি করে আসামিকে টাকা দিলেও কোনো ফ্ল্যাট কিনে দেননি এবং টাকাও ফেরত দেননি।


একপর্যায়ে আসামি বাদীর বাসায় আসা বন্ধ করে দেন। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন তার প্রথম পক্ষের স্ত্রী জীবিত। সেই ঘরে কন্যাসন্তান আছে এবং স্ত্রীর সংসারে বসবাস করেন। আরও জানতে পারেন, বিবাদী এর আগে বাদীর কাছে নিজের নাম ফারুক হোসেন হিসাবে প্রচার করলেও প্রকৃতপক্ষে তার নাম খন্দকার আজিজুল হক আরজু। 


মিথ্যা তথ্য ও পরিচয় দিয়ে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করার জন্যই বাদীকে বিয়ের নামে প্রতারণা করেছেন। এরপর আসামি কয়েকবার নিজে ও ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী দিয়ে বাদীকে আক্রমণ করেন। একপর্যায়ে আসামি বাদীর সঙ্গে বিয়ে, গর্ভপাত ও ঔরসজাত কন্যার পিতৃপরিচয় সরাসরি অস্বীকার করেন।


এ ঘটনায় গত বছরের ২২ এপ্রিল শিক্ষানবিশ এক আইনজীবী আদালতে মামলা করেন। ট্রাইব্যুনাল বাদীর জবানবন্দি নিয়ে পিবিআইকে অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের আদেশ দেন। 


তদন্তের পর ঢাকা মহানগর উত্তর পিবিআইয়ের পুলিশ পরিদর্শক সাব্বির মোহাম্মদ সেলিম ট্রাইব্যুনালে গত ৫ জানুয়ারি অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে মর্মে প্রতিবেদন জমা দেন। মামলার তদন্তে বাদীর কন্যাসন্তানের ডিএনএ পরীক্ষা করানো হয়। সেখানে কন্যাসন্তান বাদীর গর্ভজাত এবং বিবাদী জন্মদাতা বাবা বলে প্রতিবেদনে উঠে আসে।

আরও খবর







6a14792b65dbc-250526103035.webp
সোনাইমুড়িতে ২ বছর পর কঙ্কাল উদ্ধার

৬ দিন ১৮ ঘন্টা ৫২ মিনিট আগে