সাতক্ষীরায় একই পরিবারের চারজনকে অচেতন করার অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে একই পরিবারের চার সদস্যকে খাবার বা পানীয়ের সঙ্গে চেতনানাশক জাতীয় পদার্থ মিশিয়ে অচেতন করার অভিযোগ উঠেছে। অসুস্থ অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে কালিগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ধলবাড়িয়া ইউনিয়নের বাজুয়াগড় গ্রামে। অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২১ সেপ্টেম্বর দিনগত রাতে বাজুয়াগড় গ্রামের মৃত জিয়াত আলী গাজীর ছেলে শোকর আলী গাজী (৪০), তার স্ত্রী ঝুমা পারভীন (৩০), ছেলে পিনন গাজী (১০) ও মেয়ে জিমি পারভীন (১৪) অসুস্থ হয়ে অচেতন হয়ে পড়েন।
পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, ওই দিন দুপুরের পর কোনো এক সময় খাবার অথবা পানীয়ের সঙ্গে চেতনানাশক জাতীয় কোনো পদার্থ মিশিয়ে দেওয়া হয়ে থাকতে পারে। পরে পরিবারের লোকজন তাদের অচেতন অবস্থায় দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। স্থানীয়দের দাবি, রাত ১২টার দিকে চারজনকেই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
স্থানীয় আব্দুস সালাম বলেন, ওই রাতে তার বাসা থেকে একটি মোটর চুরি হয়। একই সময়ে শোকর আলীর একটি গাছ কেটে দেওয়ার ঘটনাও ঘটে। এরপর দুপুরের পর শোকর আলীর পরিবারের চার সদস্য অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের কালিগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ভুক্তভোগী পরিবারের আরও অভিযোগ, তাদের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে এর আগেও নিজ জমির বিভিন্ন ফলজ ও বনজ গাছ কেটে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আর্থিক ও সামাজিকভাবে হয়রানি করার জন্য মিথ্যা ও সাজানো মামলা দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। এসব ঘটনার ধারাবাহিকতায় পরিবারের সদস্যদের অচেতন করার ঘটনাটি ঘটতে পারে বলে তারা ধারণা করছেন।
তবে খাবার বা পানীয়ের সঙ্গে আদৌ কোনো চেতনানাশক জাতীয় পদার্থ মেশানো হয়েছিল কি না, কিংবা কী কারণে পরিবারের চার সদস্য অসুস্থ হয়ে অচেতন হয়েছেন—তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। চিকিৎসকদের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য জানা যায়নি। তদন্তের পরই ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে কালিগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি তদন্ত করে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৭ ঘন্টা ৫৮ মিনিট আগে
৮ ঘন্টা ২৪ মিনিট আগে
৮ ঘন্টা ৫১ মিনিট আগে
৯ ঘন্টা ২৫ মিনিট আগে
১১ ঘন্টা ১ মিনিট আগে
১১ ঘন্টা ২৬ মিনিট আগে
১২ ঘন্টা ২৩ মিনিট আগে
১৩ ঘন্টা ৪ মিনিট আগে