চার বছরে ২ কোটি ৪০ লাখ কৃষক কার্ড দেবে সরকার জাতীয় যুব দিবসে যুব পুরস্কার পাচ্ছেন ১৪ জন দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পুলিশের ভূমিকা অগ্রগণ্য: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পীরগাছায় দারুল ইসলাম মাদ্রাসায় সবক প্রদান ও পুরস্কার বিতরণ ২৮ অক্টোবর পল্টনে লগি-বৈঠার নৃশংস হত্যাকাণ্ডে দোষীদের বিচারের দাবিতে বাঘায় জামায়তের বিক্ষোভ মিছিল বাঘায় দিনব্যাপী উদ্যোক্তা সম্মেলন ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় চাঞ্চল্যকর জাকারিয়া হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হুজাইফা গোয়ালন্দে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ল ৩ টি ঘর, গরু ও ৬০ মণ ধান নরসিংদীতে অস্ত্র, মাদক ও নগদ ১০ লাখ টাকাসহ বিপুল সরঞ্জাম উদ্ধার উলিপুর উপজেলা মডেল মসজিদে শুদ্ধ উচ্চারণে পবিত্র কুরআন শরীফ শিখানো হচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা স্থগিত, নতুন তারিখ ঘোষণা বরিশাল শেরে ই বাংলা মেডিকেলে নবজাতকের মৃত্যু, সুষ্ঠু তদন্তের দাবি পরিবারের কুলিয়ারচরে মুছা মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে নবগঠিত এডহক কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত ভোলা খেয়াঘাটে নীরবতা: লঞ্চ বন্ধে সংকটে শ্রমিক ও ইজারাদার,ভোগান্তি যাত্রীদের অসুস্থ বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলামের পাশে হাজী সিরাজুল ইসলাম পীরগাছায় সাতদরগা যুব সংঘের ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে শহীদদের স্বরণে উপজেলা জামায়াতের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত পল্টন হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে শ্রীমঙ্গলে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ কুলিয়ারচরে মুছা মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবগঠিত এডহক কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত লাখাইয়ে পূর্ব শত্রুতার জেরে কীটনাশক দিয়ে কৃষকের টমেটো ক্ষেত ধ্বংস,পথে বসেছে কৃষক।

ভিটেমাটি নেই, ঝুঁকিপূর্ণ ঘরে গবাদিপশুসহ বসবাস—মানবেতর জীবনযাপন এক পরিবারের

গবাদিপশুসহ বসবাস

রংপুরের পীরগাছায় এক হতদরিদ্র পরিবারের অভাব-অনটন আর অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটছে। মাথা গোঁজার ঠাঁই না থাকায় পরিবারের সদস্যরা গবাদিপশুর সঙ্গে একই ঘরে বসবাস করছেন। ভাঙন ও জরাজীর্ণ অবস্থার কারণে যেকোনো সময় বাড়িটি ধসে পড়ার আশঙ্কা থাকলেও তাদের যাওয়ার মতো অন্য কোনো জায়গা নেই। উপজেলার ছাওলা ইউনিয়নের তাজ তালুক গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে এমন দৃশ্য! 

পরিবারটির সদস্যরা জানান, একসময় তাদের বসতভিটা ছিল। নানা মারা যাওয়ার পর নানা বাড়ির ভিটা ছেড়ে দিতে হয়। বর্তমানে রাস্তার পাশের একটি ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে ছোট একটি ঘর নির্মাণ করে বসবাস করছেন তারা। পরিবারের সদস্য সংখ্যা বেশি হলেও ঘরটি অত্যন্ত ছোট হওয়ায় মানুষ ও গবাদিপশু একই ঘরে থাকতে বাধ্য হচ্ছে।

কেশব চন্দ্র রায় বলেন, “আমরা খুব কষ্টে জীবনযাপন করছি। ভ্যানচালিয়ে যা আয় করি, তা দিয়ে কোনোমতে দুই মুঠো খাবার জোটে।”

তিনি আরও জানান, সম্প্রতি তাদের একটি গরু অসুস্থ হয়ে মারা গেছে। বর্তমানে যে গরুটি রয়েছে সেটিও অসুস্থ। ঘরের চারপাশের মাটি ভেঙে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে বাঁশের খুঁটি দিয়ে কোনোভাবে ঘরটি ঠেকিয়ে রাখা হয়েছে। তবে যেকোনো সময় ঘরটি বাইশের ডারা নদীতে ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

কেশবের স্ত্রী গীতা রাণী বলেন, তাদের কোনো জমিজমা বা নিরাপদ বসবাসের জায়গা নেই। ছোট ছোট সন্তানদের নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটছে। তাই একটি নিরাপদ ঘর ও প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তারা। কেশব চন্দ্রের ১ মেয়ে এবং ৩ ছেলে রয়েছে। আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে তাদের লেখাপড়া চালাতে পারেনি।

স্থানীয়দের মতে, পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে মানবেতর জীবনযাপন করছে। দ্রুত সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগে তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

এবিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার আশ্বাস দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিন।

আরও খবর