ভিটেমাটি নেই, ঝুঁকিপূর্ণ ঘরে গবাদিপশুসহ বসবাস—মানবেতর জীবনযাপন এক পরিবারের পীরগাছায় সন্ত্রাসী কায়দায় বাড়ীঘরে হামলা ভাংচুর জমি দখলের চেষ্টা থানায় অভিযোগ NEAB-এর কেন্দ্রীয় সহ-দপ্তর সম্পাদক হলেন অভয়নগর উপজেলার কৃতি সন্তান প্রকৌশলী ইরফান কাদির টাঙ্গাইলের মধুপুরে পরিত্যক্ত কূপে ট্র্যাজেডি, বাবা-ছেলেসহ ৪ জনের মৃত্যু বানিয়াচং মডেল প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন সভাপতি শিব্বির আহমদ, সেক্রেটারি, আব্দাল মিয়া শ্যামনগরে বজ্রপাতে এক জেলের মৃত্যু সুবর্ণচরে যাত্রী ছাউনিতে মানসিক প্রতিবন্ধী নারীর সন্তান প্রসব ময়মনসিংহ উত্তর জেলা ছাত্রদলের কমিটিতে ঈশ্বরগঞ্জের রোমান যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক লোহাগাড়ায় খেলতে গিয়ে পানিতে ডুবে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু এক পরিবারের ৪৩ সদস্যের বসবাস, এ যেন এক টুকরো বাংলাদেশ চৌদ্দগ্রাম মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশনের(বিএমবিএফ) উদ্যোগে পরিচিতি কার্ড বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ১৫ বছরেও সংস্কার হয়নি রুপাতলী গ্যাস্টারবাইন পাটনিবাড়ি সড়ক, রাজবাড়ী জেলা বিএডিসি'র কমিটি গঠন:সভাপতি পাংশার ফিরোজ, সাধারণ সম্পাদক গোয়ালন্দের হুমায়ুন নির্বাচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি রোধে ৫ সদস্যের কমিটি গঠনের নির্দেশ পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পে বদলে যাবে ২৪ জেলার দৃশ্যপট, কৃষি ও কর্মসংস্থানে নতুন সম্ভাবনা হাইতিকে হারিয়ে টেবিলের শীর্ষে ব্রাজিল জাতিসংঘে বাংলাদেশ: রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে দ্রুত প্রত্যাবাসনে জোর রোটার‍্যাক্ট ক্লাব অব রাজশাহী ইউনিভার্সিটির নেতৃত্বে ওয়াসিফ-তামিম ‎সুন্দরবনের তলদেশে সুপেয় পানির বিশাল ভাণ্ডার: উপকূলীয় সংকটে নতুন আশার সঞ্চার জাতি গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হলো শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগ : প্রধানমন্ত্রী

ভিটেমাটি নেই, ঝুঁকিপূর্ণ ঘরে গবাদিপশুসহ বসবাস—মানবেতর জীবনযাপন এক পরিবারের

গবাদিপশুসহ বসবাস

রংপুরের পীরগাছায় এক হতদরিদ্র পরিবারের অভাব-অনটন আর অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটছে। মাথা গোঁজার ঠাঁই না থাকায় পরিবারের সদস্যরা গবাদিপশুর সঙ্গে একই ঘরে বসবাস করছেন। ভাঙন ও জরাজীর্ণ অবস্থার কারণে যেকোনো সময় বাড়িটি ধসে পড়ার আশঙ্কা থাকলেও তাদের যাওয়ার মতো অন্য কোনো জায়গা নেই। উপজেলার ছাওলা ইউনিয়নের তাজ তালুক গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে এমন দৃশ্য! 

পরিবারটির সদস্যরা জানান, একসময় তাদের বসতভিটা ছিল। নানা মারা যাওয়ার পর নানা বাড়ির ভিটা ছেড়ে দিতে হয়। বর্তমানে রাস্তার পাশের একটি ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে ছোট একটি ঘর নির্মাণ করে বসবাস করছেন তারা। পরিবারের সদস্য সংখ্যা বেশি হলেও ঘরটি অত্যন্ত ছোট হওয়ায় মানুষ ও গবাদিপশু একই ঘরে থাকতে বাধ্য হচ্ছে।

কেশব চন্দ্র রায় বলেন, “আমরা খুব কষ্টে জীবনযাপন করছি। ভ্যানচালিয়ে যা আয় করি, তা দিয়ে কোনোমতে দুই মুঠো খাবার জোটে।”

তিনি আরও জানান, সম্প্রতি তাদের একটি গরু অসুস্থ হয়ে মারা গেছে। বর্তমানে যে গরুটি রয়েছে সেটিও অসুস্থ। ঘরের চারপাশের মাটি ভেঙে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে বাঁশের খুঁটি দিয়ে কোনোভাবে ঘরটি ঠেকিয়ে রাখা হয়েছে। তবে যেকোনো সময় ঘরটি বাইশের ডারা নদীতে ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

কেশবের স্ত্রী গীতা রাণী বলেন, তাদের কোনো জমিজমা বা নিরাপদ বসবাসের জায়গা নেই। ছোট ছোট সন্তানদের নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটছে। তাই একটি নিরাপদ ঘর ও প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তারা। কেশব চন্দ্রের ১ মেয়ে এবং ৩ ছেলে রয়েছে। আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে তাদের লেখাপড়া চালাতে পারেনি।

স্থানীয়দের মতে, পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে মানবেতর জীবনযাপন করছে। দ্রুত সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগে তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

এবিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার আশ্বাস দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিন।

আরও খবর