খুলনা জেলার কয়রা থানার মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের তেতুলতলা গ্রামের মৃত শিহিদুল ইসলাম সরদারের পুত্র আছাদুল ইসলাম ও স্ত্রী মাহফুজা বেগম, মহেশ্বরীপুর গ্রামের বাসিন্দা আঃ রহমান সরদারের পুত্র আঃ রহিম সরদার এবং মহারাজপুর গ্রামের মোসলেম মোড়লের পুত্র আসাদুল মোড়ল, আসাদুল মোড়লের কন্যা ইসরাত জাহান ইশিতা ও আসাদুলের স্ত্রী রায়েতা সুলতানার বিরুদ্ধে অবৈধভাবে মানব পাচার, যৌতুক দাবি ও প্রতারিত করে টাকা আত্মসাৎসহ নানা অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছে মহেশ্বরীপুর গ্রামের হারুন সরদারের কন্যা দুইটি কন্যা সন্তানের জননী আয়শা খাতুন বৃহস্পতিবার সকাল ১১ ঘটিকায় কয়রা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এমন অভিযোগ তুলে ধরেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন মহেশ্বরীপুর গ্রামের মৃত শহিদুল ইসলাম সরদারের পুত্র আছাদুল সরদারের সহিত আমার বিবাহ হয়। আমাদের দুইটি কন্যা সন্তান আছে যাহার নাম যথা আনিসা আক্তার বয়স ৫ ও জান্নাতুল বয়স ২ বছর ৮ মাস। কিন্তু আমার স্বামী আছাদুল আমি স্ত্রী থাকাবস্থায় বিদেশ (সৌদি আরব) থাকাকালীন ও দেশে আসিয়া বিভিন্ন পরনারীতে আসক্ত হইয়া পড়ে এবং আদম পাচারসহ বিদেশে নেওয়ার কথা বলিয়া টাকা আত্মসাৎ করা ইত্যাদি নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। আমি বাধা দিলে আমার কথা না শুনিয়া আমার শাশুড়ি এর কু-পরামর্শে ও কু-প্ররোচনায় আমার ও আমার পিতার নিকট ৫,০০,০০০/- টাকা যৌতুক দাবি করিলে আমি কয়রা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কয়রাতে একটি মামলা করি যাহার নম্বর সিআর-১৮০/২৬।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন আমার স্বামী বিদেশে থাকাকালীন কয়রা উপজেলাধিন মহারাজপুর ইউনিয়নের (বর্তমানে খুলনাতে থাকে) মোসলেম মোড়লের পুত্র আছাদুল মোড়লের কন্যা ইসরাত জাহান ইশিতার সাথে পরিচয় হয় অনলাইনে। পরবর্তীতে ইসরাত জাহান ইশিতার বাবা আছাদুল ও মাতা রায়েতা এবং আমার শাশুড়িসহ তাদের আত্মীয় স্বজন আমার স্বামীর সাথে আমাকে না জানিয়ে গোপনে অনলাইনে বিবাহ দেয়। আমার স্বামীসহ আমার শাশুড়ি, ইশিতা, তার বাবা ও তার মাতা আমাকে আমার বাচ্চাসহ পথে বসিয়ে ইশিতাকে ও ইশিতার পিতাকে সৌদি আরবে নিয়ে যাবে বলিয়া সকল প্রসেস সম্পন্ন করিয়াছে। এছাড়াও আমার স্বামীর কথায়ও দাবি মতে আমার পিতা মাতা ও আত্মীয় স্বজনরা সঞ্চিত টাকা ও সমিতি থেকে ১৪/১৫ লাখ ঋণ উত্তোলন করিয়া আছাদুলকে দিয়াছি যাহার একটি টাকাও আছাদুল পরিশোধ করেন নাই। আমার স্বামীসহ আমার শাশুড়ি ও তাহার আত্মীয় স্বজন, ইশিতা ও তাহার পিতা মাতা আমার কোঁলের দুইটি সন্তানসহ আমার উক্ত ১৪/১৫ লাখ টাকা মেরে দিয়ে আমাকে নিঃস্ব ও অসহায় অবস্থায় ফেলে দিয়েছে। তাছাড়া আমার স্বামী ও আমার স্বামীর সহযোগী স্থানীয় আঃ রহিম বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে মানব পাচারসহ অবৈধভাবে দুর্নীতি করিয়া টাকা আয় করিয়া আসিতেছে। আমি একজন অসহায় ও নির্যাতিতা নারী, আমি প্রশাসনসহ সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, যাহাতে উক্ত প্রতারক স্বামী বিদেশে থাকা অবস্থায়সহ ইশিতা ও তাহার পিতা আমাকে প্রতারিত করিয়া তাহারা বিদেশ গমন করিতে না পারে। 'অতএব বিষয়টি গুরুত্বের সাথে আপনারা প্রচার করলে আমি ন্যায় বিচার পেতে পারি সেজন্য সবিনয় অনুরোধ করছি।
১ ঘন্টা ৫১ মিনিট আগে
২ ঘন্টা ৮ মিনিট আগে
২ ঘন্টা ৪৪ মিনিট আগে
৩ ঘন্টা ৩৪ মিনিট আগে
৩ ঘন্টা ৩৫ মিনিট আগে
৪ ঘন্টা ২০ মিনিট আগে
১০ ঘন্টা ৩৯ মিনিট আগে