ইসলামপুরে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল, প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভ পেট্রোলিয়াম ফুটবল ফেস্ট সিজন-৯ এর শিরোপা জিতল শ্যাডো স্ট্রাইকার্স গত ১৭ বছর ইতিহাস বিকৃত করা হয়েছে, বুলু নারী সেজে অনলাইনে প্রেম', পুরুষ হয়ে আরেক পুরুষকে বিয়ে করল প্রবাসী যুবক মুহূর্তের ঝড়ে মধুপুরে লণ্ডভণ্ড ৫৩ হেক্টর কলা-পেঁপের খেত নবীনদের পদচারণায় প্রাণ পেল দক্ষিণ নড়াইল শিমুলিয়া মহাবিদ্যালয় শ্যামনগর দেবীপুর কমিউনিটি ক্লিনিকে এমএমএস ট্যাবলেট বিতরণ উদ্বোধন ধর্ম-বর্ণ কারো সুযোগে বাধা হবে না: প্রধানমন্ত্রী নাঙ্গলকোট বাজার ব্যবসায়ী সংস্থার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা চিলমারীতে "চরে ইনক্লুসিভ কালচারাল ও স্পোর্টস ইভেন্ট" অনুষ্ঠিত হয়েছে পবিপ্রবিতে সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বে মারামারি, ক্যাম্পাসে উত্তেজনা আশাশুনিতে জমি দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন ডোমারে যুব রেড ক্রিসেন্টের পরিচ্ছন্নতা অভিযান আধুনগরে অবৈধ করাতকলে ১৬ হাজার টাকা জরিমানা ব্যাংকে বন্ধক থাকা জমি তৃতীয় পক্ষকে দখল বুঝিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওসির বিরুদ্ধে আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি ও সুন্নাহ অনুসরণের অঙ্গীকার নিয়ে 'ইকরামুল উম্মাহ্ ফাউন্ডেশন'-এর নতুন কমিটি গঠন নড়িয়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাগর সাময়িক বহিষ্কার প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা তারালী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আর নেই একজন"মাস্টার মশাই'' অধ্যাপক নূরুল ইসলামে স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত

শ্রীমঙ্গলের অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্মিত হয়নি শহীদ মিনার

ভাষা আন্দোলনের ৭৪ বছর পেরিয়ে গেলেও মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলারগোপালবাড়ি অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আজও নির্মিত হয়নি কোনো স্থায়ী শহীদ মিনার। ফলে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে হাজার হাজার শিক্ষার্থী। সচেতন মহলের আশঙ্কা, শিক্ষা জীবনেই শ্রদ্ধা নিবেদনের সুযোগ না পেলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ভাষা আন্দোলনের চেতনা ও দেশপ্রেম থেকে বিমুখ হতে পারে। মৌলভীবাজার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, জেলায় মোট ১ হাজার ৫১টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে ৪৪৮টিতে শহিদ মিনার থাকলেও ৬০৩টি বিদ্যালয়ে স্থায়ী শহিদ মিনার নেই। একই চিত্র জেলার মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শহীদ মিনার না থাকায় ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে বঞ্চিত হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে যদি বাধাগ্রস্ত হয় তাহলে আগামী প্রজন্ম শহীদদের সম্মান করতে ভুলে যাবে, যা ভাষা শহীদদের জন্য অসম্মানজনক বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলার এসব প্রতিষ্ঠানে ২১ ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে অস্থায়ী কাঠামো তৈরি করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এতে ভাষা আন্দোলনের চেতনা শিক্ষার্থীদের মাঝে যথাযথভাবে তুলে ধরতে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। শিক্ষার্থীরা আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, আমাদের স্কুলে শহীদ মিনার না থাকায় একুশে ফেব্রুয়ারিতে আমরা ফুল দিয়ে শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে পারি না। আমাদের দাবি, প্রতিটি স্কুলে যেন দ্রুত শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়। স্থানীয়রা জানান, শহিদ মিনার না থাকায় অনেক বিদ্যালয়ে কলাগাছ, বাঁশ ও কাগজ দিয়ে প্রতীকী মিনার নির্মাণ করে ফুল দিয়ে ভাষা শহিদদের স্মরণ করা হয়। আবার কিছু শিক্ষার্থী অন্য প্রতিষ্ঠানের শহিদ মিনারে গিয়ে শ্রদ্ধা জানান। শিক্ষক ও অভিভাবকদের দাবি, ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি ও চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে সঠিকভাবে পৌঁছে দিতে দ্রুত সব বিদ্যালয়ে শহিদ মিনার নির্মাণ করা হোক। বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির শ্রীমঙ্গল উপজেলা সভাপতি কল্যাণ দেব জীবন বলেন, শহিদ মিনার শুধু একটি স্থাপনা নয়, এটি আমাদের আত্মপরিচয়ের প্রতীক। শিক্ষার্থীরা যদি নিজ বিদ্যালয়েই শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে পারে, তাহলে তাদের মধ্যে ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস ও চেতনা আরও গভীরভাবে গড়ে উঠবে। এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সফিউল আলম বলেন, জেলার প্রায় অধিকাংশ বিদ্যালয়ে স্থায়ী শহিদ মিনার নেই। এ বিষয়ে নতুন সরকারের কাছে প্রতিটি বিদ্যালয়ে শহিদ মিনার নির্মাণ তৈরির প্রস্তাব পাঠানে হবে।
Tag
আরও খবর