জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে দেশসেরা গলাচিপার ইউএনও ইজাজুল নোয়াখালীর সেনবাগে ইউনিয়ন বাড়ল,কাবিলপুর ভেঙে নতুন ১০ নম্বর ইয়ারপুর : উন্নয়নের দুয়ার আরও বিস্তৃত মিরসরাইয়ে IBIT পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট চট্টগ্রামের আয়োজনে ‘কারিগরি শিক্ষা: সমৃদ্ধ আগামীর চাবিকাঠি’ শীর্ষক সেমিনার মিরসরাইয়ে ইছাখালী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক কমিটি ঘোষণা, আহবায়ক ফজলুল করিম চৌধুরী; সদস্য সচিব এম. আরিফুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রীকে ব্রিকস-দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে আমন্ত্রণ ভারতের জাবিপ্রবিতে ম্যানেজমেন্ট বিভাগের নবীনদের বরণ জুলাই অভ্যুত্থান দমনে ৩ লাখ গুলি ব্যবহার ক্ষেতলালে নিজ অর্থায়নে গ্রামীণ রাস্তা সংস্কার, প্রশংসায় ভাসছেন যুবদল নেতা দিল্লিতে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার শ্যামনগরে আশি কেজি নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল আগুনে পুড়িয়ে ধব্বংস কুলিয়ারচরে দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত আশাশুনিতে ৪৬ হাজার টাকার ভারতীয় শাড়ীসহ চোরাকারবারী আটক চুরি হওয়া মিনি ট্রাক নারায়ণগঞ্জ থেকে উদ্ধার, আন্তঃজেলা চোর চক্রের সদস্য গ্রেপ্তার পটলের ১০ম মৃত্যুবার্ষিকীতে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের সঙ্গে প্রতিমন্ত্রীর পুতুলের মধ্যাহ্নভোজ রামগঞ্জগামী আল-আরাফাহ বাসের সঙ্গে ড্রাম ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ১০ ছাড়িয়েছে ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টি, দুপুরের মধ্যে হালকা বর্ষণের পূর্বাভাস সরাসরি ২০২৭ বিশ্বকাপে খেলা নিশ্চিত বাংলাদেশের আজ সাবেক মন্ত্রী ফজলুর রহমান পটলের ১০ মৃত্যু বার্ষিকী বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরামের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন রাবির ইয়াসিন আরাফাত বিজয় সংসদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতিমূলক সভা শুরু

একটি মৃত্যু, দুটি চোখ, অজানা ভবিষ্যৎ

একটি মৃত্যু, দুটি চোখ, অজানা ভবিষ্যৎ


একটি ছোট মেয়ে, মাত্র কয়েক বছরের, তার মাকে হারিয়েছে, নিজের চোখের সামনে। পারিবারিক কলহের এক পর্যায়ে, তার বাবা চলন্ত অটো থেকে লাথি মেরে ফেলে দেন তার মাকে। কিছুক্ষণ পরেই হাসপাতালে মৃত্যু হয় মায়ের।


এখন বাবা জেলে। আর সেই মেয়েটি একা নয়—তার ১২ বছরের একটি ভাইও আছে। দুজনেই এখন মা-বাবা হারা। ভবিষ্যৎ অন্ধকারে। নিরাপত্তা নেই, নির্ভরতা নেই, ভালোবাসা নেই।


এই ঘটনা শুধু একটি পরিবারের নয়—এটা আমাদের সমাজের এক নির্মম বাস্তবতা।


স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া, কথাকাটাকাটি, রাগ—এসব হয়। কিন্তু আমরা কি বুঝতে পারি, এই দ্বন্দ্বে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় যারা, তারা হলো সন্তানরা?তারা কিছুই বোঝে না, শুধু হারিয়ে ফেলে—নিজেদের শৈশব, ভবিষ্যৎ, নিরাপত্তা। এক মুহূর্তের রাগ, প্রতিশোধ বা অপমানের কারণে তারা চিরদিনের জন্য ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত হয়ে যায়।


বাবা-মার উচিত, সন্তানদের মুখের দিকে তাকিয়ে হলেও নিজেদের মধ্যে সংযম রাখা। একটি ঝগড়া যদি দুটি শিশুর জীবন ধ্বংস করে দেয়, তাহলে সেই ঝগড়ার কোনো জয় নেই—সেখানে সবাই হারে।


আমাদের উচিত এই বাস্তবতাকে উপেক্ষা না করা। এই ঘটনা থেকে শিক্ষা নেওয়া—না শুধু অভিভাবকদের, বরং সমাজ, প্রতিবেশী, পরিবার, প্রশাসন—সবার।



সন্তানদের চোখে যেন আমরা একটি নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়ে দিতে পারি। যেন আর কোনো শিশু চোখের সামনে মা-বাবাকে হারিয়ে না ফেলে।


সাঈদ আহাম্মেদ 

সহকারী শিক্ষক (ইংরেজি)

শিক্ষক প্রশিক্ষক (ইংরেজি), 

এনসিটিবি ও ব্রিটিশ কাউন্সিল।

Tag
আরও খবর