◾দ্বীন মোহাম্মদ লিমন : এক প্রাণবন্ত ও প্রতীকী সাংস্কৃতিক আয়োজনে, হারনেট ফাইন আর্টস এবং বাংলাদেশে অবস্থিত জাপান দূতাবাসের যৌথ উদ্যোগে, ঢাকাস্থ দূতাবাস প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হলো ঐতিহাসিক চিত্রকলা প্রদর্শনী " উৎপত্তির দৃষ্টি" ।
এই প্রদর্শনী ২৬ জুলাই ২০২৫ পর্যন্ত চলবে, যা বাংলাদেশের শিল্প ঐতিহ্য এবং জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বকে এক গভীর শ্রদ্ধার মাধ্যমে উদযাপন করছে।
প্রদর্শনীর উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন কিউরেটর ও হারনেট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সেক্রেটারি জেনারেল আলিশা প্রধান। তিনি হারনেট ফাইন আর্টস-এর সাংস্কৃতিক আন্দোলনের শিকড় থেকে একটি বৈশ্বিক শিল্প বিনিময় মঞ্চে রূপান্তরের যাত্রা তুলে ধরেন।
তিনি সাংস্কৃতিক কূটনীতির গুরুত্ব এবং হেরনেটের ঐতিহ্য ও উদ্ভাবনের মিলনে এক সহনশীল ও শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যৎ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপানের ডেপুটি চিফ অব মিশন "তাকাহাশি নাওকি", যিনি সাংস্কৃতিক কূটনীতির শক্তি ও জনগণের মাঝে সম্পর্ক জোরদারের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
"গেস্ট অব অনার" হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্পেনের রাষ্ট্রদূত "গ্যাব্রিয়েল সিসতিয়াগা ও কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত "পার্ক ইয়ং-সিক", যাঁরা শিল্পের মাধ্যমে আন্তঃসাংস্কৃতিক বোঝাপড়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
হারনেট ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মনির প্রধান তাঁর বক্তব্যে সংগঠনটির দীর্ঘস্থায়ী শিল্পনিষ্ঠার কথা বলেন। তিনি হারনেট ফাইন আর্টস-এর অর্জনের প্রতি গর্ব প্রকাশ করে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে জাতীয় ঐতিহ্য তুলে ধরার লক্ষো তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্বাক্ত করেন।
অনুষ্ঠানের "প্রধান অতিথি ছিলেন প্রখ্যাত শিল্পী "মোনিরুল ইসলাম", যিনি বাংলাদেশের শিল্প আন্দোলনের বিকাশ ও পথিকৃৎদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ ইউনুস, আহমেদ শামসুদ্দোহা, নাইমা হক, ফরিদা জামান, শেখ আফজাল, মুস্তাফা খালিদ পলাশ" এবং হেরনেট ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান "মনির প্রধান"। জাপান দূতাবাসের সাংস্কৃতিক বিশেষজ্ঞ কাজি বুশরা আহমেদ
তিথি সুচারুভাবে অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন।
উদ্বোধনী আয়োজনে উপস্থিত অতিথিদের জন্য একটি বিশেষ ভিডিও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়, যেখানে হেরনেট ফাইন আর্টস-এর যাত্রাপথ, গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প ও জাতীয়-আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে তাদের অবদান তুলে ধরা হয়। এছাড়া, বিশ্বখ্যাত শিল্পী "প্রীমা নাজিয়া আন্দালীব" এর এক অনন্য পারফরম্যান্স আর্ট পরিবেশন করা হয়, যা দর্শকদের মুগ্ধ করে এবং প্রদর্শনীর মূল থিম-পরিচয়, রূপান্তর ও সৃজনশীল মুক্তির প্রতিফলন ঘটায়।
এই প্রদর্শনী বাংলাদেশের শিল্প-আন্দোলনের পথিকৃৎদের প্রতি কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রথম শ্রদ্ধা নিবেদন। এখানে প্রদর্শিত হচ্ছে "জয়নুল আবেদিন, এস এম সুলতান, মোহাম্মদ কিবরিয়া, নভেরা আহমেদ, রশীদ চৌধুরী, কামরুল হাসান ও সফিউদ্দিন আহমেদ" এর দুর্লভ কাজ ও আর্কাইভাল ট্রিবিউট-যাঁরা প্রত্যেকে বাংলাদেশের শিল্প পরিচয়ের ভিত্তি নির্মাণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।
এই পরম্পরার পাশাপাশি, প্রদর্শনীতে রয়েছে বাংলাদেশের ৪৭ জন খ্যাতিমান ও উদীয়মান শিল্পীর নির্বাচিত শিল্পকর্ম, যা স্মৃতি, সহনশীলতা ও কল্পনার ওপর এক আন্তঃপ্রজন্ম সংলাপ তৈরি করেছে।
১৯ ঘন্টা ৩৩ মিনিট আগে
১৯ ঘন্টা ৪২ মিনিট আগে
১ দিন ১ ঘন্টা ৩৪ মিনিট আগে
১ দিন ১৫ ঘন্টা ২৩ মিনিট আগে
১ দিন ১৯ ঘন্টা ৪৭ মিনিট আগে
১ দিন ১৯ ঘন্টা ৫০ মিনিট আগে
১ দিন ২০ ঘন্টা ৫৩ মিনিট আগে
১ দিন ২১ ঘন্টা ৫৪ মিনিট আগে