চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত বাঁশখালী ও সাতকানিয়ার ৮ শত বন্যার্তদের ত্রাণ দিলেন মোহাম্মদ জিয়া উদ্দিন সিআইপি নোয়াখালীর উন্নয়ন-সমৃদ্ধির রূপরেখা নির্ধারণে গোলটেবিল বৈঠক আদমদীঘিতে ৪শ পিস এ্যাম্পল ইনজেকশনসহ দুইজন গ্রেপ্তার এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের পাশে কালিগঞ্জ সরকারি কলেজ ছাত্রদল বিশুদ্ধ পানি-স্যালাইন ও শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা উপকরণ বিতরণ ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে মুখ খুলল ভারত মুজিববাদী সংবিধানের পাহারাদার না হয়ে জনগণের সংবিধানের পাহারাদার হোন-জয়পুরহাটে এনসিপি নেতা নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী ক্ষেতলালে টানা বৃষ্টিতে জলাশয় তলিয়ে ভেসে গেল মাছ; ছাত্রদল নেতার ৭–৮ লাখ টাকা ক্ষতি শ্রীমঙ্গলে কুঞ্জবন গ্রামের বেহাল কাঁচা রাস্তা পাকাকরণের দাবিতে মানববন্ধন রাজনগরে আলোহীন জীবনে ১১ সদস্যের বাঁচার লড়াই, সরকার ও বিত্তবানদের সহায়তা চায় দৃষ্টিপ্রতিবন্ধি পরিবার শ্রীমঙ্গলে শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধে চরম ভোগান্তি, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি ঝিনাইগাতীতে দেশীয় মাছ ধরার ৬ হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল আটক ও ধ্বংস নীলডুমুর ১৭বিজিবির উদ্যোগে বন্যাদুর্গতদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা বিতরণ নিজের স্বপ্নের বাইক বিক্রির টাকায় বন্যার্তদের মুখে হাসি, মানবিকতায় অনন্য বড়হাতিয়ার চেয়ারম্যান ‎আশাশুনি সড়কে নির্বিঘ্নে ইজিবাইক চলাচলের দাবীতে মালিক ও চালক সমিতির মানববন্ধন ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞান ইউনিটে প্রতি আসনে ৭ শিক্ষার্থীর লড়াই শান্তিগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষে যুবক নিহত, গ্রেফতার ৩ শিবির ছাড়তেই নীতিগত সমস্যার অভিযোগ, মুখ খুললেন জাবিপ্রবির জাহিদুল গলাচিপায় বিদ্যালয়ের ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ছে, আতঙ্কে শিক্ষক-শিক্ষার্থী গোয়ালন্দে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ৩১ পরিবার পেল ঢেউটিন ও আর্থিক সহায়তা গোয়ালন্দে জরাজীর্ণ ঘরে বসবাসরত বিধবা ফুলজান পেলেন উপজেলা প্রশাসনের সহায়তা

পতনের আগে ২ কারণে হাসিনা-প্রেসিডেন্ট সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 11-11-2024 02:24:26 pm

ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার আগে শেখ হাসিনার সঙ্গে প্রেসিডেন্ট সাহাবুদ্দিনের সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটেছিল। অন্তত দুটি কারণে দুজনের মধ্যে দেখা-সাক্ষাৎ পর্যন্ত বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। 


মতিউর রহমান চৌধুরী সম্পাদিত (মানবজমিনেরও প্রধান সম্পাদক তিনি) জনতার চোখ ম্যাগাজিনে এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। 


প্রতিবেদনে বলা হয়, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারক নিয়োগ ও শ্রম আইন সংশোধন নিয়ে বঙ্গভবন আর গণভবনের মধ্যে চিঠি চালাচালি চলছিল। রীতি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী বিদেশ সফরে গেলে দেশে ফেরার পর প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। কিন্তু ব্যতিক্রম দেখা যায় চীন ও ভারত সফরের পর। সম্পর্কের অবনতি এমনটাই ঘটেছিল যে, প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনের দিকে পা-ই বাড়াননি। এ যখন অবস্থা, তখনই বিচারক নিয়োগের প্রশ্নটি সামনে আসে। 


গণভবন বা আইন মন্ত্রণালয়ের তৎপরতা দেখে প্রেসিডেন্ট বিরক্ত হন। ১৮ এপ্রিল ২০২৪ প্রেসিডেন্ট স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়, সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদে সামগ্রিকতা নিয়োগ সংক্রান্ত প্রক্রিয়া উল্লেখ রয়েছে। নিয়োগের পদ্ধতি স্পষ্ট না থাকায় দীর্ঘদিন থেকে প্রথাগতভাবে নিয়োগ হয়ে আসছে। বিষয়টি লিখিত না থাকলেও আলোচনাক্রমে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে পরামর্শ করার নিয়ম চালু আছে। প্রেসিডেন্টই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। এ নিয়ম ভঙ্গ করে প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকে বঙ্গভবনে একটি সারসংক্ষেপ পাঠানো হয়। সারসংক্ষেপ বহনকারী ব্যক্তি তাৎক্ষণিকভাবে প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরের জন্য চাপ দিতে থাকেন। এতে বিরক্ত হয়ে প্রেসিডেন্ট পাল্টা একটি চিঠি পাঠান সই না করেই। 


এতে তিনি বলেন, যেভাবে সারসংক্ষেপ পাঠানো হয়েছে তাতে প্রেসিডেন্টের এখতিয়ার নিয়েই প্রশ্ন তোলা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট লেখেন, আমি কিছুই জানি না, অথচ আমাকেই চূড়ান্ত অনুমোদন দিতে হবে। প্রচলিত নিয়মনীতি উপেক্ষা করে প্রেসিডেন্টকেই পুতুল বানানো হয়েছে। শুধুমাত্র আমার ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম কেন? দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা পদ্ধতি ও প্রক্রিয়া উপেক্ষা করার কী অর্থ আছে। 


আইনমন্ত্রী প্রেসিডেন্টের সঙ্গে পরামর্শ করারও প্রয়োজন মনে করেননি। সবমিলিয়ে প্রেসিডেন্ট ব্যথিত হন-এটাও উল্লেখ ছিল চিঠিতে। এ চিঠির অনুলিপি দেয়া হয় প্রধানমন্ত্রী, প্রধান বিচারপতি ও আইনমন্ত্রীর দফতরে। 


ওদিকে প্রচলিত শ্রম আইন নিয়েও ভিন্নমত দেখা দেয়। আলোচনা না করে প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষর নেয়ার জন্য সারসংক্ষেপ পাঠানো হয়। এতে প্রেসিডেন্ট মনঃক্ষুণ্ন হন। এতে করেই বঙ্গভবন ও গণভবনের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটতে থাকে। সম্ভবত এসব কারণেই হাসিনা ৫ই আগস্ট ক্ষমতা ও দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় প্রেসিডেন্টের সঙ্গে টেলিফোনেও কোনো যোগাযোগ করেন নি।

আরও খবর