নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে তিন ইট ভাটাকে অর্থদন্ড আগামী প্রজন্ম সম্ভাবনা নাকি সংকটের অশনি সংকেত? কাজী এহসানুল হক জিহাদ আমার কলম কখনো বিক্রি করবো না : শ্রীমঙ্গলের ইউএনও জিয়াউর রহমান, গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে নবাগত ইউএনও’র মতবিনিময় ঝিনাইগাতীতে পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ঝিনাইগাতীর দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ঝিনাইগাতীতে অন্তর্ভুক্তিকরণ ও আদিবাসীদের অধিকার বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত লাখাইয়ে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে কারণে অতিষ্ঠ জনজীবন। শান্তিগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের বর্ণাঢ্য উদ্বোধন প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ, নগ্ন ভিডিও ধারণ করে চাঁদাবাজি: গ্রেপ্তার ১ আশাশুনিতে ইউনিয়ন পরিষদের জেন্ডার একশন প্ল্যান বিষয়ক কর্মশালা ৫ বছরের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী দেশের ১৪ জেলায় তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়লেও সংলাপ ইস্যুতে এখনও সিদ্ধান্তহীন ইরান হামে আক্রান্ত হয়ে দেশে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু চিলমারীতে "কৃষকদের নিয়ে পার্টনার কংগ্রেসের" কর্মশালা অনুষ্ঠিত শার্শায় চাঁদাবাজি ও মারপিটের ঘটনায় থানায় ৩ জনের নামে এজাহার দায়ের: আটক ১ আদমদীঘিতে প্রিপেইড মিটার সংযোগ বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন ঝিনাইগাতীতে পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ঝিনাইগাতীতে জেন্ডার সমতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ঝিনাইগাতীতে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

পীরগাছায় সন্তানদের নিয়ে দিশেহারা ছাত্র আন্দোলনে নিহত মনজুর স্ত্রী রহিমা

ছাত্র আন্দোলনে নিহত মনজুর স্ত্রী ও তার সন্তানরা। উপরে মনজু।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে গত ২০ জুলাই পুলিশের গুলিত আহত হন মঞ্জু মিয়া (৪১)। একমাস চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ২০ আগস্ট ঢাকায় মারা যান তিনি। এরপর তার স্ত্রী রহিমা বেগম (৩১) ঢাকা থেকে স্বামীর লাশ তার স্বামীর গ্রামের বাড়ি রংপুরের পীরগাছায় ছাওলা ইউনিয়নের জুয়ানে নিয়ে আসেন। দাফনের একমাস পার হলেও দুই সন্তানকে নিয়ে দিশেহারা রহিমা বেগম। কি করবেন, কোথায় যাবেন কিছুই ভেবে পাচ্ছেনা। স্বামী মারা যাওয়ার পর স্বামীর বাড়ির লোকেরা তাকে বাঁকা চোখে দেখেন। খোঁজ-খবর নেন না। শ^শুর ইনছার আলী ঠিকমতো কথা বলেন না এমনকি রহিমার কারণে নাকি তার ছেলে মারা গেছে এমন অপবাদ দেন। ভবিষ্যতে শহিদের স্ত্রী হিসেবে সরকারি সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন রহিমা। রহিমার বাবার বাড়ি একই উপজেলার তাম্বুলপুর ইউনিয়নের সাহেব বাজারে। ছিয়াশি বয়সের তার বাবা আব্দুর রহমান থাকেন সরকারি জমিতে। বয়সের ভারে কোন কাজকর্ম করতে পারেন না। তার উপর স্বামী হারা মেয়ে। বর্তমানে রহিমা বেগম তার বাবার বাড়িতে আছেন। কি করে তাকে ও এতিম সন্তানদের খাওয়াবেন এমন আকুতি বাবা আব্দুর রহমানের। একদিকে শ^শুরবাড়ির লোকজনের অবহেলা অন্যদিকে বাবার বাড়ির আর্থিক অস্বচ্ছলতা। স্বামী মারা যাওয়ার পর উপজেলা প্রশাসন ও জামায়াতের পক্ষ থেকে যতটুকু আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। তা ঢাকা থেকে স্বামীর লাশ নিয়ে আসা পরিবহন ভাড়া, দাফনকার্য, পাওনাদারকে দিয়েই শেষ।

কাঁন্নজড়িত কন্ঠে রহিমা বেগম বলেন, আমার স্বামীকে হারিয়ে এখন আমি দিশেহারা। দুই সন্তান নিয়ে কোথায় যাবো? আমি কি শহিদের স্ত্রী হিসেবে মর্যাদা পাবো না। এসময় তিনি সরকারের কাছে শহিদের স্ত্রী হিসেবে মর্যাদার দাবি করেন। রহিমা বেগম মঞ্জুর মিয়ার দ্বিতীয় স্ত্রী। প্রথম স্ত্রীর ঘরে দুই সন্তানও রয়েছে। তবে প্রথম স্ত্রী অন্যের ঘর করছেন বলে জানান রহিম বেগম। 

রহিমার বাবা আব্দুর রহমান বলেন, আমি নিজেও কোন কর্ম করতে পারিনা। স্বামী হারা মেয়ে ও তার দুই সন্তানকে কি করে খাওয়াব? রহিমার শ্বশুর ইনছার আলী জানান, রহিমা বেগম আমার কথামতো চলছেনা। এনিয়ে তার সাথে আমাদের সম্পর্কটা ভালো যাচ্ছে না, সত্য! 


আরও খবর