উলিপুরে ট্রেনে কাটা পরে বৃদ্ধার মৃত্যু লোহাগড়ায় গ্রাম পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের মাসব্যাপী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ" কোর্সের উদ্ধোধন ঝিনাইগাতীর নকশী সীমান্ত থেকে ১৪৭ বোতর ভারতীয় ইস্কাফ সিরাপ উদ্ধার নালিতাবাড়ীর সিবিও নেতৃবৃন্দের জামালপুরের উন্নয়ন সংঘের সীডস প্রকল্প পরিদর্শন মাঝ নদীতে ইঞ্জিন বিকল হয়ে ট্রলারডুবে নিখোঁজ দুই জেলে ইসরায়েলে ভোট আজ, চ্যালেঞ্জের মুখে নেতানিয়াহু জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী কুলিয়ারচরে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কর্মঘণ্টায় তালা: চরম ভোগান্তিতে সেবাগ্রহীতারা রাষ্ট্র কাঠামোর সংস্কার না হলে তারেক রহমানও একই পথে হাঁটবেন: নাহিদ ইসলাম দুধ-কলা একসঙ্গে খেলে শরীরে কী ঘটে? ইয়োহেই সাসাকাওয়ার নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রী সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ার করতেও পিছপা হবে না পুলিশ : আইজিপি চুনতিতে ৪০ বছর পর উদ্ধার বনভূমিতে বৃক্ষরোপণ সিংড়ায় স্বামীর থাপ্পড়ে স্ত্রীর মৃত্যুর অভিযোগ সিংড়ায় স্বামীর থাপ্পড়ে স্ত্রীর মৃত্যুর অভিযোগ জয়পুরহাটে হত্যা মামলার ২৩ বছর পর মোজাম নামে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড শ্যামনগরে দলিত জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে মতবিনিময় সভা মারকাজুত তাহফিজ মাদ্রাসার ১৮ সংবর্ধিত হাফেজকে নিয়ে কক্সবাজার ভ্রমণের ঘোষণা, এক বছরে হিফজ সম্পন্নকারীদের চট্টগ্রাম-কক্সবাজার বিমানে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি ঝিনাইগাতীর সীডস প্রকল্পের সিবিও নেতৃবৃন্দের দেওয়ানগঞ্জে সিএসএ কার্যক্রম পরিদর্শন ও অভিজ্ঞতা বিনিময় জাবিপ্রবির সার্বিক উন্নয়নে রাষ্ট্রপতির সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস

পীরগাছায় সন্তানদের নিয়ে দিশেহারা ছাত্র আন্দোলনে নিহত মনজুর স্ত্রী রহিমা

ছাত্র আন্দোলনে নিহত মনজুর স্ত্রী ও তার সন্তানরা। উপরে মনজু।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে গত ২০ জুলাই পুলিশের গুলিত আহত হন মঞ্জু মিয়া (৪১)। একমাস চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ২০ আগস্ট ঢাকায় মারা যান তিনি। এরপর তার স্ত্রী রহিমা বেগম (৩১) ঢাকা থেকে স্বামীর লাশ তার স্বামীর গ্রামের বাড়ি রংপুরের পীরগাছায় ছাওলা ইউনিয়নের জুয়ানে নিয়ে আসেন। দাফনের একমাস পার হলেও দুই সন্তানকে নিয়ে দিশেহারা রহিমা বেগম। কি করবেন, কোথায় যাবেন কিছুই ভেবে পাচ্ছেনা। স্বামী মারা যাওয়ার পর স্বামীর বাড়ির লোকেরা তাকে বাঁকা চোখে দেখেন। খোঁজ-খবর নেন না। শ^শুর ইনছার আলী ঠিকমতো কথা বলেন না এমনকি রহিমার কারণে নাকি তার ছেলে মারা গেছে এমন অপবাদ দেন। ভবিষ্যতে শহিদের স্ত্রী হিসেবে সরকারি সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন রহিমা। রহিমার বাবার বাড়ি একই উপজেলার তাম্বুলপুর ইউনিয়নের সাহেব বাজারে। ছিয়াশি বয়সের তার বাবা আব্দুর রহমান থাকেন সরকারি জমিতে। বয়সের ভারে কোন কাজকর্ম করতে পারেন না। তার উপর স্বামী হারা মেয়ে। বর্তমানে রহিমা বেগম তার বাবার বাড়িতে আছেন। কি করে তাকে ও এতিম সন্তানদের খাওয়াবেন এমন আকুতি বাবা আব্দুর রহমানের। একদিকে শ^শুরবাড়ির লোকজনের অবহেলা অন্যদিকে বাবার বাড়ির আর্থিক অস্বচ্ছলতা। স্বামী মারা যাওয়ার পর উপজেলা প্রশাসন ও জামায়াতের পক্ষ থেকে যতটুকু আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। তা ঢাকা থেকে স্বামীর লাশ নিয়ে আসা পরিবহন ভাড়া, দাফনকার্য, পাওনাদারকে দিয়েই শেষ।

কাঁন্নজড়িত কন্ঠে রহিমা বেগম বলেন, আমার স্বামীকে হারিয়ে এখন আমি দিশেহারা। দুই সন্তান নিয়ে কোথায় যাবো? আমি কি শহিদের স্ত্রী হিসেবে মর্যাদা পাবো না। এসময় তিনি সরকারের কাছে শহিদের স্ত্রী হিসেবে মর্যাদার দাবি করেন। রহিমা বেগম মঞ্জুর মিয়ার দ্বিতীয় স্ত্রী। প্রথম স্ত্রীর ঘরে দুই সন্তানও রয়েছে। তবে প্রথম স্ত্রী অন্যের ঘর করছেন বলে জানান রহিম বেগম। 

রহিমার বাবা আব্দুর রহমান বলেন, আমি নিজেও কোন কর্ম করতে পারিনা। স্বামী হারা মেয়ে ও তার দুই সন্তানকে কি করে খাওয়াব? রহিমার শ্বশুর ইনছার আলী জানান, রহিমা বেগম আমার কথামতো চলছেনা। এনিয়ে তার সাথে আমাদের সম্পর্কটা ভালো যাচ্ছে না, সত্য! 


আরও খবর