ইসলামপুরে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল, প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভ পেট্রোলিয়াম ফুটবল ফেস্ট সিজন-৯ এর শিরোপা জিতল শ্যাডো স্ট্রাইকার্স গত ১৭ বছর ইতিহাস বিকৃত করা হয়েছে, বুলু নারী সেজে অনলাইনে প্রেম', পুরুষ হয়ে আরেক পুরুষকে বিয়ে করল প্রবাসী যুবক মুহূর্তের ঝড়ে মধুপুরে লণ্ডভণ্ড ৫৩ হেক্টর কলা-পেঁপের খেত নবীনদের পদচারণায় প্রাণ পেল দক্ষিণ নড়াইল শিমুলিয়া মহাবিদ্যালয় শ্যামনগর দেবীপুর কমিউনিটি ক্লিনিকে এমএমএস ট্যাবলেট বিতরণ উদ্বোধন ধর্ম-বর্ণ কারো সুযোগে বাধা হবে না: প্রধানমন্ত্রী নাঙ্গলকোট বাজার ব্যবসায়ী সংস্থার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা চিলমারীতে "চরে ইনক্লুসিভ কালচারাল ও স্পোর্টস ইভেন্ট" অনুষ্ঠিত হয়েছে পবিপ্রবিতে সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বে মারামারি, ক্যাম্পাসে উত্তেজনা আশাশুনিতে জমি দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন ডোমারে যুব রেড ক্রিসেন্টের পরিচ্ছন্নতা অভিযান আধুনগরে অবৈধ করাতকলে ১৬ হাজার টাকা জরিমানা ব্যাংকে বন্ধক থাকা জমি তৃতীয় পক্ষকে দখল বুঝিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওসির বিরুদ্ধে আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি ও সুন্নাহ অনুসরণের অঙ্গীকার নিয়ে 'ইকরামুল উম্মাহ্ ফাউন্ডেশন'-এর নতুন কমিটি গঠন নড়িয়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাগর সাময়িক বহিষ্কার প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা তারালী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আর নেই একজন"মাস্টার মশাই'' অধ্যাপক নূরুল ইসলামে স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত

জীবনে পাওয়া না পাওয়ার হিসাব।

পাওয়া বা না পাওয়ার হিসাব টা সবক্ষেত্রে সমান নয়। একজন হয়তো ঠিক যেমন টা চাইছেন, ঠিক পাশের জন ভাবছেন একেবারে উল্টো। আপনার চাহিদা আর পাশের একজনের চাহিদা সম্পূর্ণ ভিন্ন হতেই পারে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে এই যে, আমরা চাইছি এক, পাই আর এক। যে জিনিসটা খুব করে চাইছি, যে মানুষটাকে খুব করে চাইছি, তা সরে যাচ্ছে অনেক অনেক দূরে। তার মানে কী এই, যে আমাদের যোগ্যতায় সেই জিনিস অথবা মানুষ টা আসে না। আসলেই চাহিদা টা একটু বেশি। অথবা বদলেছে চাওয়ার ধরণ?

ভাবুন একটু। মন দিয়ে ভাবুন। হয়তো একটা সময় যেই মানুষটার প্রতি টান ছিল অনেক অনেক বেশী, আজ কি সেই মানুষটার সাথে কথা বললেই বিরক্ত বোধ হচ্ছে? তার যেই স্বভাব গুলো আপনি কিছুদিন আগেও খুব খুব পছন্দ করেছেন, আজ কী সেইগুলোই অসহ্য বোধ হচ্ছে?

সত্যি বললে, একটু অবাক ই হবেন। এইটা খুব ই স্বাভাবিক একটা বিষয়। অন্তত আমার তাই মনে হয়। মানুষের মন সর্বদা নতুন খোঁজে। নতুন মানুষ, নতুন জিনিস। তবে, সম্পর্ক বলতে আমরা বুঝি চিরন্তন একটা সত্য। একটা মানুষ, একটাই আবেগ। দিনে দিনে বাড়তে হবে। আরও শক্ত করে হাত ধরতে হবে, তাইতো?

তাহলে উপায় টা ঠিক কী?.

পুরাতন জিনিস নাহয় খারাপ বা নষ্ট হলে আপনি ফেলে দিলেন, অথবা চোখের সামনে থেকে সরিয়ে দিলেন। কিন্তু মানুষ? তাকে তো আগলে নিতে হবে। আরও বেশী বুকে জড়িয়ে নিতে হবে।

এইখানে ই ভাবনা এর পরিবর্তন প্রয়োজন। যে মেয়েটাকে সবসময় খোঁপায় গোঁজা গোলাপ দেখে এসেছেন। একদিন, অন্তত একদিন সাধ করে চন্দ্রমল্লিকা এনে নিজের হাতে খোঁপায় গেঁথে দিন। মানুষ টা কিন্তু এক ই থাকলো। বদলে গেল তার রঙ, তার সৌন্দর্য। চোখের কোনে একটু কাজল দিলে আর একটু সুন্দর। আর একটা ছোট্ট রঙিন টিপ। না হয় রঙ মিলিয়ে না ই হলো। সবটাই সবসময় মিলে যেতে হবে, তেমন তো কোনো কথা নেই, তাইনা?

দেখতে হবে আলাদা করে। নাইটল্যাম্প এর আলো বাদ দিয়ে একদিন রাতে মোমবাতি জ্বালিয়ে রাখুন। হলুদ আলোয় হাতে হাত রাখুন।

ছেলেটা সবসময় ফর্মাল শার্ট গায়ে দেয়। আপনি নিজের পছন্দ মতো একটা টিশার্ট নিয়ে আসুন। ছুটির দিনে স্নান সেরে এলে সেটা পড়তে বলুন। সে নিশ্চয়ই পড়বে। তুই বা তুমি করে কথা বলতে ইচ্ছে না করলে আপনি করে বলুন। হ্যাঁ, চারপাশের মানুষ একটু অবাক হবেন। কিন্তু আপনি তো ভালো থাকবেন। তাছাড়া আপনি নিজেই নিজেকে খুশি রাখতে পারছেন, এইটাও ভাবতে হবে। রোদ উঠলে হাত ধরে রোদের দিকে চেয়ে থাকুন। ভোরে উঠে একটু হেঁটে যান। হাত ছাড়বেন না কিন্তু। 

দেখুন, আরো দেখুন। বদলে ফেলুন দেখার ভঙ্গি। চেয়ে থাকুন ততক্ষণ, যতক্ষন অবধি সে লজ্জায় মাথা নিচু না করে।

অনেকটা আগলে রাখতে গেলে দৃষ্টি তে বদল প্রয়োজন। মানুষ নয়, বদলাতে হবে চেয়ে থাকার ধরণ।

বুঝলেন তো??

লেখক : প্রণব মন্ডল, কবি এবং কলামিস্ট।

Tag
আরও খবর