মিরসরাইয়ে মুক্তিযোদ্ধা মেজর মোস্তফা কলেজে নবীন বরণ উলিপুর সরকারি কলেজের শিক্ষক অলোকেশ রায়েকে বিদায় সম্বর্ধনা মির্জাসহ স্ত্রী-ছেলের বিরুদ্ধে দুদকের পৃথক মামলা কুলিয়ারচরে মাদকাসক্ত ছেলের দেওয়া আগুনে পুড়ল মা-বাবার মাথা গোঁজার ঠাঁই ‎কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে মোংলায় বিক্ষোভ মিছিল যুক্তরাষ্ট্রকে পাঁচ দিনের আলটিমেটাম ইরানের সাইফউদ্দিনের ইনজুরি, এশিয়ান গেমসে কপাল খুলল আলিসের সাগর উত্তাল, কমেছে গ্যাস সরবরাহ শ্মশান এলাকার ঘের ঘিরে মাদক বেচাকেনার অভিযোগ কুতু্বদিয়ায় ১টি গাছ থেকে ৬০হাজার টাকার ডাব বিক্রি শেরপুরে ইংলিশ স্পেলিং স্টার প্রতিযোগিতার কেন্দ্রভিত্তিক পুরস্কার বিতরণ জাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত জাহাঙ্গীর সেলিমের এমপিও ছাড়াতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নামে জাল চিঠি ডোমারে ভিডিপি-টিডিপির গাছের চারা বিতরণ সরকারি প্রণোদনায় চৌদ্দগ্রামে ফারমার্স মিনি কোল্ড স্টোরেজ চালু কালিগঞ্জের চৌমুহনী ফাজিল মাদ্রাসায় এমপি রবিউল বাশারের সংবর্ধনা ও নবীনবরণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চলমান থাকবে: কালিগঞ্জে ইউএনও তানিয়া নগরীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ৪ প্রতিষ্ঠানে ২৯ হাজার টাকা জরিমানা চিলমারীতে "ফ্রেন্ডশীপের (FDIDP) প্রকল্পের সাথে, সরকারি স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের" এডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত। চিলমারীতে "ফ্রেন্ডশীপের (FDIDP) প্রকল্পের সাথে, সরকারি স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের" এডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত।

কক্সবাজারে থামছে না বৃষ্টি, স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা

টানা চার দিনের ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে কক্সবাজারে জেলার ৯টি উপজেলার পাঁচ শতাধিক গ্রামের অন্তত দুই লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। পানিবন্দি থাকায় গ্রামগুলোতে দেখা দিয়েছে খাদ্য ও খাবার পানির সংকট। রাস্তা ভেঙে যাওয়ায় ও পানিতে তলিয়ে থাকায় চলাচলের কোনো উপায় নেই। এতে এসব গ্রামের মানুষ চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। একই সঙ্গে মেরিন ড্রাইভ, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টসহ উপকূলীয় এলাকায় ভাঙন অব্যাহত রয়েছে।



মেরিন ড্রাইভ

আবহাওয়া অফিসের কক্সবাজার আঞ্চলিক কার্যালয়ের জ্যৈষ্ঠ পর্যবেক্ষণ কর্মকর্তা দুলাল চন্দ্র দাশ জানিয়েছেন, রবিবার বিকাল ৩টা থেকে সোমবার বিকাল ৩টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ১০৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সোমবার সকাল ৬টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছে ৮১ মিলিমিটার। আগামী আরও তিনদিন বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে।


জেলার টানা বৃষ্টি ১৫টি ইউনিয়নের ২ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে চকরিয়া উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও ঈদগাঁও উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন রয়েছে।অপরদিকে ঈদগাঁও উপজেলার ঈদগাঁও, জালালাবাদ ও পোকখালী ইউনিয়নের ৭০ হাজারের বেশি মানুষ নতুন হয়ে পড়েছে। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে ঈদগাঁও নদীর পানি বেড়ে গিয়ে বিপৎসীমার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে।


মাতা মুহুরী নদী

এদিকে সামুদ্রিক জোয়ারের ঢেউতে মেরিন ড্রাইভ, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের লাবণী, সুগন্ধা পয়েন্ট, মহেশখালী ও কুতুবদিয়া উপজেলার উপকূলীয় এলাকায় ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। মেরিন ড্রাইভের কিছু অংশে জিওব্যাগে বালির বাঁধ তৈরি করে ভাঙন রোধের চেষ্টা করা হলেও নতুন করে আরও কয়েকটি স্পটে ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে। শহরের সড়কের ওপর দিয়ে পানি চলাচল করছে।


তবে এখনো কোনো গ্রামে পানি ওঠেনি। নিচু এলাকার লোকজন নৌকা দিয়ে চলাফেরা করছে। এভাবে বৃষ্টি চলতে থাকলে নিচু এলাকার গ্রামগুলো প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।



জেলা প্রশাসন থেকে বন্যার আগাম প্রস্তুতি হিসেবে আশ্রয়কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত রাখা হয়েছে।


জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শাহীন ইমরান বলেন,জেলায় ৫৪ হাজার ৫০ পরিবার পানিবন্দি, হতাহত এড়াতে মানুষকে নিয়ে আসা হচ্ছে আশ্রয়ণ প্রকল্পে নেওয়া হয়েছে। এই পর্যন্ত জেলায় ৫জনের প্রাণহানি হয়েছে । বড় ধরনের ক্ষতি এড়াতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।


চকরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদী জানান, পার্বত্য জেলা ও চকরিয়ার পাহাড়ি ঢল নেমে আসার মাধ্যম মাতামুহুরি নদী। পাহাড়ি ঢল, বৃষ্টি এবং জোয়ারের ঢেউতে বাঁধ ভেঙে বিভিন্ন ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। চকরিয়ার একটি পৌরসভা ও ১৮টি ইউনিয়নের মধ্যে পৌরসভাসহ ১২ ইউনিয়নের মানুষ পানিবন্দি রয়েছে। এর মধ্যে ব্যাপকভাবে প্লাবিত হয়েছে কাকারা, লক্ষ্যরচর, বুমুবিল ছড়ি, সুরেজপুর-মানিকপুর, কৈয়ারবিল, কোনাখালী ইউনিয়ন। বৃষ্টি না থামার কারনে বন্যার শঙ্কা করা হচ্ছে।



কক্সবাজার সদরের ঝিলংঝা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান টিপু সুলতান বলেন, আমার ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা নিচু হাওয়ায় পানির নিচে আছে রয়েছে। তাদের সরিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।


চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেপি দেওয়ান জানান, টানা চারদিনের বৃষ্টিতে ১২ ইউনিয়নের ১ লাখ ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। বিভিন্ন স্থানে বেড়িবাঁধ ভেঙে জোয়ারের পানি প্রবেশ করে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে।



এদিকে পুরো জেলায়, উখিয়া ও চকরিয়ায় পাহাড় ধসে মা-মেয়েসহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও চারজন। রামুতে পানি ডুবে মারা যায় আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়। সোমবার (৭ আগস্ট) বিকেলে উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মা-মেয়ে, চকরিয়ার বড়ইতলী এলাকায় ভাই-বোন ও রামুর রাজারকুলে দুই বছর বয়সী শিশুর মৃত্যু হয়।

Tag
আরও খবর