“সেনবাগে নাড়ী, চট্টগ্রামে বাড়ী” শাহজাহান খোকনের পারিবারিক পরিচয় সিএন্ডএফ ব্যবসায়ী মিরসরাইয়ে মুক্তিযোদ্ধা মেজর মোস্তফা কলেজে নবীন বরণ উলিপুর সরকারি কলেজের শিক্ষক অলোকেশ রায়েকে বিদায় সম্বর্ধনা মির্জাসহ স্ত্রী-ছেলের বিরুদ্ধে দুদকের পৃথক মামলা কুলিয়ারচরে মাদকাসক্ত ছেলের দেওয়া আগুনে পুড়ল মা-বাবার মাথা গোঁজার ঠাঁই ‎কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে মোংলায় বিক্ষোভ মিছিল যুক্তরাষ্ট্রকে পাঁচ দিনের আলটিমেটাম ইরানের সাইফউদ্দিনের ইনজুরি, এশিয়ান গেমসে কপাল খুলল আলিসের সাগর উত্তাল, কমেছে গ্যাস সরবরাহ শ্মশান এলাকার ঘের ঘিরে মাদক বেচাকেনার অভিযোগ কুতু্বদিয়ায় ১টি গাছ থেকে ৬০হাজার টাকার ডাব বিক্রি শেরপুরে ইংলিশ স্পেলিং স্টার প্রতিযোগিতার কেন্দ্রভিত্তিক পুরস্কার বিতরণ জাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত জাহাঙ্গীর সেলিমের এমপিও ছাড়াতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নামে জাল চিঠি ডোমারে ভিডিপি-টিডিপির গাছের চারা বিতরণ সরকারি প্রণোদনায় চৌদ্দগ্রামে ফারমার্স মিনি কোল্ড স্টোরেজ চালু কালিগঞ্জের চৌমুহনী ফাজিল মাদ্রাসায় এমপি রবিউল বাশারের সংবর্ধনা ও নবীনবরণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চলমান থাকবে: কালিগঞ্জে ইউএনও তানিয়া নগরীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ৪ প্রতিষ্ঠানে ২৯ হাজার টাকা জরিমানা চিলমারীতে "ফ্রেন্ডশীপের (FDIDP) প্রকল্পের সাথে, সরকারি স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের" এডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত।

উত্তাল সমুদ্রে পর্যটকের ঢল

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের প্রভাবে উত্তাল হয়ে উঠেছে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত। জোয়ারের পানির উচ্চতা স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। বড় বড় ঢেউ আছড়ে পড়ছে উপকূলে। কিন্তু তাতেও বসে নেই ভ্রমণে আসা পর্যটকরা। তারা পানিতে নেমে গোসল করছেন।


শুক্রবার (৯জুন) সকাল থেকে কক্সবাজার শহরে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। কক্সবাজার উপকূলকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।


শনিবার (১০জুন) বিকেলের দিকে সৈকতের লাবনি পয়েন্টে গিয়ে দেখা গেছে, অসংখ্য পর্যটক সমুদ্রে দৌড়ঝাঁপ দিচ্ছেন। কেউ কেউ টিউবে গা ভাসিয়ে চলে যাচ্ছেন গভীর সাগরের দিকে। সৈকতের সি-গাল, সুগন্ধা, কলাতলী পয়েন্টেও একই দৃশ্য। লাইফ গার্ডের সদস্যরা নানা চেষ্টা করেও তাদের থামাতে পারছে না। তবে তারা বলছেন টুরিস্ট পুলিশের তৎপরতা না থাকার কারণে এসব পর্যটক উত্তাল সমুদ্রে গোসল করছেন।


সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত সি লাইফ গার্ডের সদস্যরা বলেন, পর্যটকদের সামলানো কঠিন। কেউ কারও কথা শুনছেন না। সাগর যে উত্তাল সেটা কারো কানে যায় না। তবুও আমরা সতর্ক।


নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সমুদ্রে গোসলে নামা প্রসঙ্গে ঢাকা মিরপুর থেকে আসা ইয়াকুব নামক এক পর্যটক বলেন, বন্ধুদের সাথে কক্সবাজার ঘুরতে আসছি। রাতে চলে যাবো। চলে যাওয়ার আগে একটু গোসল করে নিলাম। তবে সাগরের ঢেউ যে এত উত্তাল হবে সেটা জানা ছিল না। আমাদের হলুদ টি শার্ট পরা কয়েকজন লোক নিষেধ করেছিল।


শারমিন নামক আরেক পর্যটক বলেন, এত বড় ঢেউ আগে দেখেনি জীবনেও। এটা প্রথমবার। স্বামীর সাথে আসছিলাম গোসল করতে কিন্তু সাগরের পরিস্থিতি খারাপ দেখে সৈকতে নামতে আর ইচ্ছে করছে না।


কক্সবাজার নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব এইচ এম নজরুল ইসলাম বলেন, এই মূহুর্তে সাগর খুবিই উত্তাল। সাগরে গোসল করতে নামা মানে মৃত্যু ডেকে আনা।পর্যটকদের সতর্ক করতে টুরিস্ট পুলিশের তৎপরতা দরকার। কিন্তু বাস্তবে তা আমরা দেখতে পাচ্ছি না।


কক্সবাজার পর্যটক সেলের ম্যাজিস্ট্রেট মাসুম বিল্লাহ বলেন, সাগর উত্তাল থাকায় লাল পতাকা দিয়ে সাগর উত্তাল যে সেটা বুঝানো হয়েছে। আমাদের বীচ কর্মীরা মাইকিং করে সমুদ্র থেকে তুলে দেওয়া হচ্ছে। পর্যটকদের নিরাপত্তায় আমরা সবসময় প্রস্তুত।

Tag
আরও খবর