ইরানকে সহায়তার অভিযোগে ভারত ও তুরস্কের ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা পরীমনি জামিন নিতে আদালতে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামো সহযোগিতায় বাংলাদেশ-চীনের সমঝোতা স্মারক সই স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরি কত জোরারগঞ্জ থানায় ছয় মাসে ১০৮ মাদক মামলা, গ্রেপ্তার ১২৬ কারবারি আজ খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী জাপানসহ যে ১২ দেশে কর্মী পাঠাতে লাগবে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন একনেকে ৫৮ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন পরিবেশ রক্ষায় ধামরাইয়ে প্রশাসনের অভিযান, গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো দুই ইটভাটার স্থাপনা ধামরাইয়ের বিভিন্ন এলাকায় বৃহস্পতিবার দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ বন্ধ, আগাম প্রস্তুতির পরামর্শ বানিয়াচংয়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ক্লাবে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ নলডাঙ্গায় স্বর্ণ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, বিচারের দাবিতে মানববন্ধন প্রয়াত সাংবাদিক আব্দুল অদুধ মিয়ার পরিবারের পাশে সোনালী ধারা সম্পাদক মধুপুরে সাংগঠনিক কাঠামো অনুমোদনের দাবিতে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানববন্ধন নাগেশ্বরীতে হাসনাবাদের ১নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তরুণের আইকন আনিছুর রহমান আনিসের দোয়া ও সমর্থন প্রার্থনা আক্কেলপুরে স্ত্রীকে হত্যা মামলায় স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কুলিয়ারচরে বেহাল রাস্তায় মুসল্লিদের চরম ভোগান্তি: সংস্কারের দাবি গ্রামবাসীর ডা. এস এ ফারুকের উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পে চিকিৎসা সেবা পেল দেড় হাজার রোগী, ৩৬০ রোগীর অস্ত্রোপচারের জন্য বাছাই দ্বিতীয় যমুনা-পদ্মা সেতু নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে জামাতে নামাজ পড়তে পারবে কি?

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাস্কর্য ভাঙা নিয়ে তীব্র বিতর্ক!

২০২৪ সালের জানুয়ারিতে উদ্বোধনের মাত্র দেড় বছরের মাথায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাককানইবি) 'অঞ্জলি লহ মোর' ভাস্কর্যটি ভেঙে ফেলা হয়েছে, যা ক্যাম্পাসে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। কাজী নজরুল ইসলামের একটি গানের নামে নামকরণ করা এই ভাস্কর্যটি বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদ এবং পুরাতন কলা অনুষদ ভবনের মাঝখানের পুকুরপাড়ে স্থাপন করা হয়েছিল। তবে, গত ৫ আগস্টের পর নতুন প্রশাসন দায়িত্ব নেওয়ার পরই এটি ভাঙার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।


বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ পুকুরগুলোর সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য চার কোটিরও বেশি টাকার একটি বৃহৎ প্রকল্পের অংশ হিসেবে এই ভাস্কর্যটি নির্মাণ করা হয়েছিল। এই ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে শিক্ষার্থীরা ও শিক্ষাবিদদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।


অনেক শিক্ষার্থীর মতে, এটি নিছক একটি ভাস্কর্য ভাঙা নয়, বরং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বলি। এই ভাস্কর্যটি নির্মাণ করেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৌমিত্র শেখর, যার বিরুদ্ধে বিভিন্ন দুর্নীতি ও নিয়োগ সংক্রান্ত অভিযোগ ছিল।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান এবং প্রকৌশল দপ্তরের উপ-প্রধান প্রকৌশলী মো. মাহবুবুল ইসলাম দুজনেই 'অবগত নন' বলে মন্তব্য করেন এবং পরিকল্পনা দপ্তরকে জিজ্ঞাসা করার পরামর্শ দেন।

তবে, পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস দপ্তরের পরিচালক মো. হাফিজুর রহমান সরাসরি বলেছেন, "বর্তমান প্রশাসন ভাস্কর্যটি গ্রহণ করেনি, তাই এটি ভাঙা হয়েছে। সিদ্ধান্ত এসেছে উপাচার্য স্যারের পক্ষ থেকেই।" তিনি আরও যোগ করেন যে, ৫ আগস্টের পর শিক্ষার্থীরাই প্রথমে এর বিরুদ্ধে আপত্তি জানিয়েছিল এবং ভাঙার চেষ্টা করেছিল।

উপাচার্যের রুটিন দায়িত্বে থাকা ট্রেজারার অধ্যাপক ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকীও এ বিষয়ে আলোকপাত করেছেন। তিনি জানান, "অনেক আগেই ডিনবৃন্দ ও সংশ্লিষ্টদের নিয়ে একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তখন নানা বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, বিশেষ করে এই ভাস্কর্য নিয়েই অনেক আপত্তি উঠেছিল। সেই সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতেই হয়তো এটি ভাঙা হয়েছে।"


এই ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। কেউ কেউ এটিকে একটি নান্দনিক স্থাপনার ধ্বংসযজ্ঞ বলে মনে করছেন, আবার কেউ কেউ প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করছেন। এই ভাস্কর্য ভাঙার পেছনের আসল কারণ এবং এর ভবিষ্যৎ প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।

আরও খবর



গণমাধ্যমে আগুন: স্বাধীনতার সীমানা কোথায়?

৩১৯ দিন ২৩ ঘন্টা ৪ মিনিট আগে





ছয় দফা দাবিতে উপাচার্যের দরজায় "সাদা দল"

৩৪৬ দিন ১২ ঘন্টা ৫৭ মিনিট আগে