উলিপুর উপজেলা প্রাথমিক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ২০২৬ উদ্বোধন বড়লেখায় বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৫ সাতক্ষীরায় ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬ উদ্বোধন ‎মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সভা ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত* লাখাইয়ে বোরোধান হারিয়ে কৃষক দিশেহারা,ঋণ নিয়ে কৃষকের আহাজারী। ‎সুন্দরবনের দস্যুদের মুক্তিপণ দিয়ে ফিরে এলেন ছয় জেলে শ্রীপুরে হুইল চেয়ার-শিক্ষাবৃত্তির চেক ও বাইসাইকেল বিতরণ গনভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে জয়পুরহাটে বিশাল সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল সারা দেশের থানাগুলোকে দালালমুক্ত করার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬-এর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী হালইসার সমাজ কল্যাণ সমিতির জেলাব্যাপী হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ইসলামপুর থানার ওসির পরিচয়ে মামলার ভয় দেখিয়ে ৩ ব্যক্তির কাছে টাকা দাবির অভিযোগ এক ঝড়ে উড়ে গেল ঘর, খোলা আকাশেই দিন-রাত মধুপুরে আঞ্চলিক পর্যায়ে ব্র্যাকের কৃত্রিম প্রজনন সেবা প্রদানকারীদের কারিগরি দক্ষতা ও সেবার মান উন্নয়নে দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ৩৬ বছর পর প্রত্যক্ষ ভোটাভোটি বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির নির্বাচন : বদলে গেল সিলেকশন প্রথা ‎মোংলা- বেনাপোল কমিউটার ট্রেনের ইজারা চুক্তি বাতিল রায়পুরে অপহরণের পর হত্যা, মুক্তিপণ দাবির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মিলল মরদেহ আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে সকলের সমর্থন ও দোয়া প্রত্যাশী আদমদীঘিতে বাক প্রতিবন্ধী যুবককে বলাৎকার, গ্রেপ্তার ১ জয়পুরহাটে দক্ষতা উন্নয়ন ও নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

৫ বিষয়ে অকৃতকার্য হয়ে উত্তরপত্রের সঠিক মূল্যায়ন চেয়ে ববি শিক্ষার্থীর অনশন


বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) এক শিক্ষার্থী দ্বিতীয় বর্ষে পাঁচ বিষয়ে অকৃতকার্য হয়ে পরীক্ষার উত্তরপত্রের সঠিক মূল্যায়ন চেয়ে আমরণ অনশন শুরু করেছেন।



বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ডফ্লোরে ওই শিক্ষার্থী অনশনে বসেন।



অনশনকারী ওই শিক্ষার্থীর নাম শাকিব মিয়া। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের ২০২১–২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।



খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শাকিব মিয়া প্রথম বর্ষেও দুটি বিষয়ে অকৃতকার্য হন। পরে সেগুলো রিটেক দিলে আবারও ফেল করেন। এদিকে দ্বিতীয় বর্ষে ১৩টি বিষয়ের মধ্যে ৫ টি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন। সেসব বিষয়ে খাতার সঠিক মূল্যায়নের দাবিতে তিনি অনশনে বসেছেন।



অনশনরত শাকিব মিয়ার দাবি, তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নের দাবিতে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ায় তাকে পরিকল্পিতভাবে নম্বর কম দিয়ে ফেল করানো হয়েছে। তবে বিভাগীয় চেয়ারম্যান এ অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, পরীক্ষার খাতায় যথাযথ লেখা না থাকায় তিনি অকৃতকার্য হয়েছেন।



অবকাঠামো উন্নয়ন আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী আবু বকর সিদ্দিক জানান, আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়ার সঙ্গে শাকিব মিয়ার কোনো সম্পর্ক নেই। তারা তাকে ভালোভাবে চিনেন না বলেও উল্লেখ করেন।



অনশনরত শাকিব মিয়া অভিযোগ করে বলেন, গত বছর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নের দাবিতে চলা আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার জেরে তাকে পরিকল্পিতভাবে ৫টি বিষয়ে অকৃতকার্য করা হয়েছে। এর মধ্যে দুটি বিষয়ে তাকে ৩৯ ও ৩৮ নম্বর দিয়ে অকৃতকার্য দেখানো হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।



তিনি আরও অভিযোগ করেন, আন্দোলনের সময় থেকেই ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান ড. ধীমান কুমার রায় তাকে বিভিন্নভাবে ফেল করানোর হুমকি দিয়ে আসছিলেন। পরবর্তীতে ফল প্রকাশের পর দেখা যায়, তাকে ৫টি বিষয়ে অকৃতকার্য দেখানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তিনি একাধিকবার বিভাগ ও উপাচার্যের কাছে গেলেও কোনো সমাধান পাননি। তার দাবি, তার পরীক্ষার খাতার সঠিক মূল্যায়ন করে তাকে তৃতীয় বর্ষে উত্তীর্ণ করার ব্যবস্থা করা হোক।




এ বিষয়ে ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক ড. ধীমান কুমার রায় অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, শিক্ষার্থী যে অভিযোগ করেছেন তা সঠিক নয়। তার খাতার সঠিক মূল্যায়ন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এবং বাহিরে দু'দফায় খাতাগুলো মূল্যায়ন করা হয়েছে। এটাই নিয়ম। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষার তিনটি অংশ—লিখিত (তত্ত্বীয়), ব্যবহারিক ও মৌখিক—প্রত্যেক অংশে আলাদাভাবে পাস করতে হয়।



তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী ২ য় বর্ষের ১৩টি বিষয়ের মধ্যে ৫টি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন, যেগুলো সবই তত্ত্বীয় অংশে। খাতায় প্রয়োজনীয় উত্তর না থাকলে শিক্ষকদের পক্ষে নম্বর দেওয়া সম্ভব নয়। তবে একই বিষয়গুলোর ভাইভা ও ল্যাব পরীক্ষায় তিনি উত্তীর্ণ হয়েছেন যেখানে শিক্ষকদের মুল্যায়নের সুযোগ থাকে। এর আগেও প্রথম বর্ষে দুটি বিষয়ে তিনি অকৃতকার্য হন এবং পরবর্তীতে পুনরায় পরীক্ষা দিয়েও সেসব বিষয়ে উত্তীর্ণ হতে পারেননি।



ড. ধীমান কুমার রায় জানান,এই শিক্ষার্থী বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার বিভাগের কাছে এসেছেন এবং উপাচার্যের কাছেও গিয়েছেন। তবে নিয়মের বাইরে গিয়ে কিছু করার সুযোগ নেই। শিক্ষার্থীর কোনো আপত্তি থাকলে নিয়মতান্ত্রিকভাবে খাতা পুনর্মূল্যায়নের জন্য আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নিয়মিত পড়াশোনা করে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্যও তাকে উৎসাহিত করা হয়েছে। তবে তিনি ভিন্ন পথ অবলম্বনের চেষ্টা করছেন, যা নিয়মতান্ত্রিক ভাবে সম্ভব নয়।




Tag
আরও খবর