যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পেলেন মৌসুমী জাতীয় পতাকার মান রক্ষা করা প্রতিটি সৈনিকের পবিত্র দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য অটুট রাখতে হবে : রাষ্ট্রপতি মহাষ্টমী: দেবীবন্দনা ও আমাদের সার্থকতা -সচ্চিদানন্দ দে সদয় পীরগাছায় ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন !! তদন্ত প্রতিবেদনে অনিয়ম ও অর্থ দাবির অভিযোগ সামাজিক সম্প্রীতি জোরদার হোক দুর্গাপূজায় দেবহাটায় শামীম হত্যা মামলায় ফজলুল হক আমিনী গ্রেপ্তার লোহাগাড়ায় ভাড়া বাসা থেকে কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার সাতকানিয়ায় চুরির অপবাদে যুবককে পিটিয়ে হত্যা রায়পুরে মন্দিরে কাজ করতে গিয়ে ইলেকট্রিশিয়ানের মৃত্যু আদমদীঘিতে কারা নির্যাতিত বিএনপির নেতাকর্মীদের গণসংবধনা তালাক বন্ধ করেছে ফ্যামিলি কার্ড: চিফ হুইপ বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের ভাতা বাড়ানো হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী সাব্বির আহমেদ রনিকে চেয়ারম্যান করে BJUS-এর ২২ সদস্যের বোর্ড কমিটি গঠন মিরসরাইয়ে হাইতকান্দি ইউপিতে জামায়াতের চেয়ারম্যান ও সদস্য প্রার্থী ঘোষণা চিলাহাটির পূজামণ্ডপে অনুদান বিতরণ ডোমারে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে আনসার কম্যান্ড্যান্ট নাঙ্গলকোটের ৬নং মক্রমপুরে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সাইফুল মালেক শিপন নন্দীগ্রামে ৪৫০ পিস ইয়াবাসহ কারবারি হোসেন আলী আবারও গ্রেফতার মিরসরাইয়ে ১৩তম বিজলী শিক্ষোন্নয়ন বৃত্তি পেল ৭৭ শিক্ষার্থী

এবার মার্কেট-বিপণিবিতান খোলা রাখার সময় কি উন্মুক্ত?

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 26-03-2023 06:02:33 am

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে রাত ৮টার পর সারাদেশে দোকান, বিপণিবিতান, মার্কেট বন্ধ রাখার বিষয়ে গত বছরের জুনে নির্দেশনা দেয় সরকার। বর্তমানে এ নির্দেশনা বলবৎ রয়েছে। তবে সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে অনেক অঞ্চলেই রাত ৮টার পর দোকান, বিপণিবিতান, মার্কেট খোলা থাকছে।


এর মধ্যেই চলে এসেছে পবিত্র রমজান মাস। আসছে ঈদুল ফিতর। এরইমধ্যে বিভিন্ন মার্কেটে ঈদুল ফিতরকেন্দ্রিক বিক্রিও শুরু হয়ে গেছে। তবে রমজান বা ঈদকেন্দ্রিক মার্কেট খোলা রাখার বিষয়ে এখনো নতুন কোনো নির্দেশনা দেয়নি সরকার।


এদিকে, ঈদ ও রোজাকে সামনে রেখে গত মাসে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি রাত ১০টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার দাবি জানায়। তবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে এখনো এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি।


শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীলরা জানিয়েছেন, দোকান, বিপণিবিতান, মার্কেট খোলা রাখার বিষয়ে ২০২২ সালে যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল, সেটিই এখনো বলবৎ রয়েছে। অর্থাৎ রাত ৮টার পর বিপণিবিতান, মার্কেট খোলা রাখা যাবে না। তবে রোজা ও ঈদ উপলক্ষে বাড়তি সময় মার্কেট খোলা রাখার একটি প্রস্তাব এসেছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।


অন্যদিকে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এবার বিদ্যুতের সমস্যা নেই। তাই মার্কেট উন্মুক্তভাবে খোলা রাখার সুযোগ দিতে হবে। মার্কেট খোলা রাখার ক্ষেত্রে কোনো সময় বেঁধে দেওয়া উচিত হবে না। সরকার যদি মার্কেট খোলা রাখার ক্ষেত্রে সময় বেঁধে দেয়, তাহলে তার প্রতিবাদ করা হবে।


বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, এখন বিুদ্যতের সমস্যা নেই। তাই মার্কেট উন্মুক্তভাবে খোলা থাকবে। ব্যবসায়ীরা যতক্ষণ খুশি দোকান, মার্কেট খোলা রাখতে পারবেন। সরকার থেকে মার্কেট খোলা রাখার সময় বেঁধে দিলে আমরা প্রতিবাদ করবো।


সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী- রাত ৮টার পর বিপণিবিতান, মার্কেট খোলা রাখার সুযোগ নেই, বিষয়টি উল্লেখ করলে তিনি বলেন, ‘এমন কোনো নিয়ম নেই। ব্যবসায়ীরা যতক্ষণ খুশি মার্কেট খোলা রাখতে পারবেন। আমার কাছে যে তথ্য আছে, তাতে এবার মার্কেট খোলা রাখার ক্ষেত্রে সরকার কোনো সময় বেঁধে দেবে না।’


শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. তৌফিকুল আরিফ বলেন, ‘দোকান, বিপণিবিতান, মার্কেট খোলা রাখার বিষয়ে আগে যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল, সেটাই এখন কার্যকর আছে। সে হিসেবে রাত ৮টা পর্যন্ত মার্কেট, বিপণিবিতান খোলা রাখা যাবে।’


তিনি বলেন, ‘মার্কেট বাড়তি সময় খোলা রাখার বিষয়ে একটি প্রস্তাব এসেছে। তবে এখনো এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। নতুন নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত আগের নির্দেশনায় কার্যকর থাকবে। অর্থাৎ রাত ৮টার পর মার্কেট খোলা রাখা যাবে না।’


বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে গত বছরের ১৯ জুন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ানের সভাপতিত্বে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, এমপ্লয়ার্স ফেডারেশন, এফবিসিসিআই, এমসিসিআই, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি, ঢাকা চেম্বারসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী মালিক সংগঠন ও শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং বাণিজ্য, বিদ্যুৎ, শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


বৈঠক থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় রাত ৮টার পর সারাদেশে দোকান, বিপণিবিতান, মার্কেট বন্ধ রাখা হবে। পরের দিন অর্থাৎ ২০ জুন থেকে এ নিয়ম কার্যকর করা হয়। তবে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এ নিয়ম কার্যকর না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে রাখা হয়-


>> ডক, জেটি, স্টেশন, বিমানবন্দর এবং পরিবহন সার্ভিস টার্মিনাল অফিস।

>> তরিতরকারি, মাছ, মাংস, দুগ্ধজাতীয় সামগ্রী, রুটি, পেস্ট্রি, মিষ্টি এবং ফুল বিক্রির দোকান।

>> ওষুধ, অপারেশন সরঞ্জাম, ব্যান্ডেজ অথবা চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সামগ্রীর দোকান।

>> দাফন ও অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পাদনের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিক্রির দোকান।

>> তামাক, সিগারেট, পান-বিড়ি, বরফ, খবরের কাগজ, সাময়িকী বিক্রির দোকান এবং দোকানে বসে খাওয়ার (হালকা) নাশতা বিক্রির খুচরা দোকান।

>> খুচরা, পেট্রল বিক্রির জন্য পেট্রলপাম্প এবং মেরামত কারখানা নয় এমন মোটরগাড়ির সার্ভিস স্টেশন।

>> নরসুন্দর এবং কেশ প্রসাধনীর দোকান।

>> যেকোনো ময়লা নিষ্কাশনকারী প্রতিষ্ঠান ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র।

>> যেকোনো শিল্প, ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠান যা জনগণকে শক্তি আলো অথবা পানি সরবরাহ করে এমন প্রতিষ্ঠান।

>> ক্লাব, হোটেল, রেস্তোরাঁ, খাবার দোকান, সিনেমা অথবা থিয়েটার।


এরপর গত বছরের ২২ জুন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে এক নির্দেশনা দিয়ে ঈদুল আজহা উপলক্ষে ১ জুলাই থেকে ১০ জুলাই পর্যন্ত দোকানপাট, মার্কেট, বিপণিবিতান রাত ৮টার পরিবর্তে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার সুযোগ দেওয়া হয়।

আরও খবর




6ac3391cdab47-051026114356.webp
পাঁচ দিনের ব্যবধানে কমলো স্বর্ণের দাম

১৩ দিন ৭ ঘন্টা ৩৮ মিনিট আগে