ইসলামপুরের সাজাপ্রাপ্ত বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার পত্নীতলায় দিনব্যাপী ফ্রী হেলথ ক্যাম্প ২০২৬ অনুষ্ঠিত চার বছরে ২ কোটি ৪০ লাখ কৃষক কার্ড দেবে সরকার জাতীয় যুব দিবসে যুব পুরস্কার পাচ্ছেন ১৪ জন দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পুলিশের ভূমিকা অগ্রগণ্য: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পীরগাছায় দারুল ইসলাম মাদ্রাসায় সবক প্রদান ও পুরস্কার বিতরণ ২৮ অক্টোবর পল্টনে লগি-বৈঠার নৃশংস হত্যাকাণ্ডে দোষীদের বিচারের দাবিতে বাঘায় জামায়তের বিক্ষোভ মিছিল বাঘায় দিনব্যাপী উদ্যোক্তা সম্মেলন ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় চাঞ্চল্যকর জাকারিয়া হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হুজাইফা গোয়ালন্দে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ল ৩ টি ঘর, গরু ও ৬০ মণ ধান নরসিংদীতে অস্ত্র, মাদক ও নগদ ১০ লাখ টাকাসহ বিপুল সরঞ্জাম উদ্ধার উলিপুর উপজেলা মডেল মসজিদে শুদ্ধ উচ্চারণে পবিত্র কুরআন শরীফ শিখানো হচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা স্থগিত, নতুন তারিখ ঘোষণা বরিশাল শেরে ই বাংলা মেডিকেলে নবজাতকের মৃত্যু, সুষ্ঠু তদন্তের দাবি পরিবারের কুলিয়ারচরে মুছা মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে নবগঠিত এডহক কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত ভোলা খেয়াঘাটে নীরবতা: লঞ্চ বন্ধে সংকটে শ্রমিক ও ইজারাদার,ভোগান্তি যাত্রীদের অসুস্থ বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলামের পাশে হাজী সিরাজুল ইসলাম পীরগাছায় সাতদরগা যুব সংঘের ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে শহীদদের স্বরণে উপজেলা জামায়াতের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত পল্টন হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে শ্রীমঙ্গলে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

নীরব সংকটে ব্যাংক খাত

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 21-08-2022 11:56:20 pm

সংগৃহীত ছবি

◾ নিউজ ডেস্ক


নগদ টাকার চরম সংকটে পড়েছে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো। প্রায় প্রতিদিনই কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ধার নিয়ে দৈনিক চাহিদা মেটাচ্ছে কয়েকটি ব্যাংক। এ খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঋণ আদায় ও নতুন আমানত কমে যাওয়ার পাশাপাশি ডলার সঙ্কটের কারণে এ অবস্থা তৈরি হয়েছে। 


বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার (২১ আগস্ট)ও কয়েকটি ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা ধার নিয়েছে। এর আগে গত ১৭ আগস্ট সাড়ে সাত হাজার কোটি টাকা, ১৬ আগস্ট সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকা এবং ১৪ আগস্ট সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকা ধার দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ জন্য ব্যাংকগুলোকে সর্বোচ্চ সুদ গুনতে হয়েছে ৫ দশমিক ৬ শতাংশ।


বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে না এলে সঞ্চয় ভাঙার প্রবণতা আরও বাড়বে। এতে ব্যাংকের বিনিয়োগ সক্ষমতা কমবে। তাই এমন পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য ব্যাংকগুলোকে ঋণ আদায়ে বেশি মনোযোগী হতে হবে। 


গত অর্থবছরের আগস্ট থেকে ব্যাংকিং খাতে ডলার সঙ্কট দেখা দেয়। এ কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে ডলার কিনে তাদের প্রয়োজনীয় চাহিদা মেটাচ্ছে ব্যাংকগুলো। 


বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, গত অর্থবছরে ডলারের সঙ্কটে পড়া ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে ৭৫০ কোটি ডলার কিনেছে। এর বিপরীতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক অন্য ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে সাড়ে ৬৭ হাজার কোটি টাকা তুলে নেয়। গত অর্থবছরের ধারাবাহিকতায় চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে ব্যাংকগুলোর ডলার সঙ্কট চলতে থাকে। বৈদেশিক মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে ব্যাংকগুলোর কাছে ডলার বিক্রি অব্যাহত রেখেছে।


সর্বশেষ পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত ৪৭ দিনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে ১৭ হাজার ৬০৩ কোটি টাকার বিনিময়ে ১৮৫ কোটি ৩০ লাখ ডলার কিনেছে ব্যাংকগুলো। 


বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যানে ব্যাংকগুলোর হাতে উদ্বৃত্ত তারল্য দেখানো হয়েছে ২ লাখ ৩ হাজার ৪২৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে নগদ অর্থ মাত্র ২০ হাজার কোটি টাকা। বাকি উদ্বৃত্ত অর্থ সরকারি ট্রেজারি বিল ও বন্ডে আটকে রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, জুন শেষে সরকারের কাছে ৩ লাখ ২২ হাজার ৬৯৬ কোটি টাকার ট্রেজারি বিল ও বন্ড রয়েছে, অর্থাৎ এ পরিমাণ ব্যাংকের অর্থ সরকারের কাছে ঋণ আকারে রয়েছে।


ব্যাংকাররা জানিয়েছেন, তাদের কাছে ট্রেজারি বিল ও বন্ড রয়েছে। কিন্তু নগদ অর্থের সঙ্কট রয়েছে। আর এ সঙ্কট মেটাতে অনেক ক্ষেত্রেই দৈনন্দিন ব্যয় মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। বাধ্য হয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে হাত পাততে হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, গত রোববার একটি ব্যাংক দু’দিন মেয়াদি রেপো সুবিধার আওতায় ২৭০ কোটি ৬৪ লাখ টাকার আবেদন করেছিল। বিপরীতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নগদ টাকার সঙ্কটে পড়া ব্যাংকটিকে ১৩৫ কোটি ৩২ লাখ টাকা ধার দেওয়া হয়েছে। এ জন্য ব্যাংকটিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে সুদ গুনতে হবে সাড়ে ৫ শতাংশ হারে।


অপরদিকে ৭ দিন মেয়াদি রেপো সুবিধার আওতায় পাঁচটি ব্যাংক ৯ হাজার ৩৮৪ কোটি ৯৪ লাখ টাকার ঋণ চেয়েছিল, বিপরীতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ব্যাংকগুলোকে ঋণ দেওয়া হয় ৪ হাজার ৬৯২ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। অপরদিকে ১৪টি ব্যাংক দু’দিন মেয়াদি বিশেষ তারল্য সহায়তার আওতায় ৭ হাজার ৪৫১ কোটি ৫০ লাখ টাকার ঋণ চেয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ১৪টি ব্যাংকের চাহিদা অনুযায়ী পুরো অর্থঋণ দেওয়া হয়। সব মিলে রোববারে ২০টি ব্যাংকের ১৭ হাজার ১০৮ কোটি টাকার চাহিদার বিপরীতে ঋণ দেওয়া হয় ১২ হাজার ২৭৯ কোটি ২৯ লাখ টাকা। এ জন্য সুদ গুনতে হয় সাড়ে ৫ শতাংশ থেকে ৫.৬ শতাংশ পর্যন্ত।

আরও খবর
6addad0629845-251026011726.webp
ভরিতে সোনার দাম কমলো ৩ হাজার ৩২৪ টাকা

৪ দিন ৬ ঘন্টা ৫৩ মিনিট আগে







6ac3391cdab47-051026114356.webp
পাঁচ দিনের ব্যবধানে কমলো স্বর্ণের দাম

২৪ দিন ৮ ঘন্টা ২৭ মিনিট আগে