নির্বাচন কমিশন (ইসি) স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই চন্দনাইশ উপজেলা, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভায় নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে। ভোটের মাঠে প্রস্তুত বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীরা। উপজেলা, দুই পৌরসভা ও প্রতিটি ইউনিয়নে বিএনপি সমর্থিত অর্ধ-ডজন প্রার্থীসহ প্রতিটি পদে ১০ জনের অধিক সম্ভাব্য প্রার্থী নির্বাচনী প্রচারণায় নেমে পড়েছেন।
নির্বাচন কমিশন আগামী
ডিসেম্বর মাস
থেকে স্থানীয়
সরকার নির্বাচন
অনুষ্ঠানের ঘোষণা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে
চন্দনাইশ উপজেলা,
চন্দনাইশ ও
দোহাজারী পৌরসভা
এবং প্রতিটি
ইউনিয়ন পরিষদ
নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীরা
মাঠপর্যায়ে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
গত ৩১
জুলাই থেকে
ভোটার তালিকা
হালনাগাদ কার্যক্রম
শুরু হয়ে
১০ আগস্ট
ভোটকেন্দ্রের খসড়া তালিকা প্রকাশ করা
হয়।
যেকোনো সময়
তফসিল ঘোষণা
করে নভেম্বর-ডিসেম্বরে স্থানীয়
সরকার নির্বাচন
করার পরিকল্পনা
রয়েছে বলে
ঘোষণা দেওয়া
হয়েছে।
বিগত ২০২৪ সালের ৫
আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে
আওয়ামী লীগ
সরকারের পতনের
পর এমপি-মন্ত্রী থেকে
শুরু করে
স্থানীয় পর্যায়ের
জনপ্রতিনিধিরাও আত্মগোপনে চলে যান।
তারা চলে
যাওয়ার পর
অন্তর্বর্তী সরকার সরকারি কর্মকর্তাদের অতিরিক্ত
দায়িত্ব দিয়ে
প্রশাসক নিয়োগের
মাধ্যমে স্থানীয়
সরকারের প্রশাসনিক
কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। দুই বছরের অধিক সময়
ধরে উপজেলা,
ইউনিয়ন পরিষদ
ও পৌরসভার
কার্যক্রম চলছে টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে। এসব কারণে নাগরিক সেবা
কার্যক্রম বিঘ্নিত হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য
অনুযায়ী, চট্টগ্রামের
চন্দনাইশ উপজেলার
দুই পৌরসভা
ও আটটি
ইউনিয়ন নির্বাচনের
উপযোগী রয়েছে। ইসি সূত্র জানায়, চন্দনাইশ
পৌরসভার মেয়াদ
শেষ হয়েছে
২৭ মার্চ
এবং দোহাজারী
পৌরসভার মেয়াদ
শেষ হবে
২০২৮ সালের
২০ আগস্ট। ২০২২ সালের ৫ জানুয়ারি
চন্দনাইশের সাতটি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন
অনুষ্ঠিত হয়। সীমানা জটিলতার কারণে সাতবাড়িয়া
ইউনিয়ন পরিষদের
নির্বাচন দুই
দফায় অনুষ্ঠিত
হয়নি।
আগামী ইউনিয়ন পরিষদ
নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিটি
ইউনিয়নে অর্ধ-ডজনের অধিক
প্রার্থী মাঠ
চষে বেড়াচ্ছেন। আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা
মাঠে না
থাকলেও নাগরিক
কমিটির ব্যানারে
অন্যান্য রাজনৈতিক
দলের প্রার্থীরা
মাঠে রয়েছেন।
কাঞ্চনাবাদ ইউনিয়নে সম্ভাব্য
প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপি সমর্থিত সাইফুল
করিম, বেলাল
উদ্দিন চৌধুরী,
জাহাঙ্গীর আলম, মো. হারুনুর রশিদ,
ওসমান গনি
বাবুল, মাস্টার
সেলিম উল্লাহ,
নাগরিক কমিটির
প্রার্থী লায়ন
নজরুল ইসলাম
ও সাবেক
মেম্বার রফিকুল
ইসলাম রয়েছেন।
জোয়ারা ইউনিয়নে বিএনপি
সমর্থিত মোজাম্মেল
হক বেলাল,
কামরুল ইসলাম
চৌধুরী, মিজানুর
রহমান, সাইফুল
ইসলাম, কামাল
উদ্দিন পারভেজ,
এলডিপি সমর্থিত
সাবেক চেয়ারম্যান
জসিম উদ্দিন
এবং নাগরিক
কমিটির গোলাম
আজাদ শিশু
সম্ভাব্য প্রার্থী
হিসেবে মাঠে
রয়েছেন।
বরকল ইউনিয়নে বিএনপি
সমর্থিত শহিদুর
রহমান খান,
অ্যাডভোকেট আমিনুল হক চৌধুরী, প্রকৌশলী
মুজিবুর রহমান,
নাসির উদ্দিন
সিকদার, এলডিপি
সমর্থিত সাবেক
চেয়ারম্যান মোতাহের মিয়া ও মো.
সাঈদ সম্ভাব্য
প্রার্থী।
বরমা ইউনিয়নে বিএনপি
সমর্থিত আ.ক.ম. মোজাম্মেল হক,
নাজিমুল হক
চৌধুরী, মো.
রোকন উদ্দিন
চৌধুরী সিআইপি,
নাসির উদ্দিন,
আবদুর রহিম
চৌধুরী, এলডিপি
সমর্থিত মোছলেম
খান, আমিনুল
হক রাশেদ,
সাবেক চেয়ারম্যান
খোরশেদ আলম
টিটু এবং
নাগরিক কমিটির
প্রার্থী সাবেক
মেম্বার নওশা
মিয়া সম্ভাব্য
প্রার্থী হিসেবে
প্রচারণা চালাচ্ছেন।
বৈলতলী ইউনিয়নে বিএনপি
সমর্থিত অ্যাডভোকেট
শফিউল হক
চৌধুরী সেলিম,
তরিকুল ইসলাম
টুটুল, কর
আইনজীবী মাহবুব
আলম, সাবেক
মেম্বার সামশুদ্দিন,
নওশা মিয়া
সওদাগর, আবুল
কাসেম ভুঁইয়া,
আবুল কাসেম
চৌধুরী, সরোয়ার
হোসেন ও
মিজানুর রহমান
এবং নাগরিক
কমিটির সাবেক
চেয়ারম্যান এস.এম. সায়েম সম্ভাব্য
প্রার্থী হিসেবে
মাঠে রয়েছেন।
সাতবাড়িয়া ইউনিয়নে বিএনপি
সমর্থিত জসিম
উদ্দিন চৌধুরী
মিন্টু, সিরাজুল
ইসলাম, প্রকৌশলী
আমিনুল ইসলাম,
প্রবাসী রফিক
উদ্দিন আহম্মেদ,
মীর মহিউদ্দিন,
এলডিপি সমর্থিত
সামশুল আলম,
স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রবাসী নুরুল হক,
নুরুল আফসার
ও হাশিমপুর
ইউনিয়নে বিএনপি
সমর্থিত বাহা
উদ্দিন চৌধুরী,
আরিফুল ইসলাম
মারুফ, এলডিপি
থেকে বিএনপিতে
যোগদানকারী সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো.
আলী, আবদুল
কাদের, এলডিপি
সমর্থিত মোজাম্মেল
হক তালুকদার,
স্বতন্ত্র সাবেক চেয়ারম্যান আলমগীরুল ইসলাম
চৌধুরী ও
মো. আবসার
উদ্দিন চৌধুরী
সম্ভাব্য প্রার্থী
হিসেবে প্রচারণা
চালাচ্ছেন।
ধোপাছড়ি ইউনিয়নে বিএনপি
সমর্থিত জে.এইচ. সেলিম,
সাবেক মেম্বার
মজিবুল হক
খোকা, এলডিপি
থেকে বিএনপিতে
যোগদানকারী সাবেক চেয়ারম্যান আবু ইউছুফ
চৌধুরী, আবদুল
মান্নান রানা,
এলডিপি সমর্থিত
নুরুল আমিন
এবং স্বতন্ত্র
সাবেক চেয়ারম্যান
মোরশেদুল আলমসহ
বিভিন্ন ইউনিয়নে
আরও অনেকে
প্রার্থী হওয়ার
প্রত্যয় ব্যক্ত
করেছেন।
নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার
সময় যতই
ঘনিয়ে আসছে,
ততই সম্ভাব্য
প্রার্থীরা নিজ নিজ এলাকায় প্রার্থিতা
জানান দিয়ে
বিভিন্ন সামাজিক
অনুষ্ঠানে যোগদানের পাশাপাশি তাদের সমর্থকদের
মাধ্যমে সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। এক কথায়, চন্দনাইশের বিভিন্ন
ইউনিয়ন পরিষদে
নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে।
৪৪ মিনিট আগে
১ ঘন্টা ১২ মিনিট আগে
১ ঘন্টা ১৭ মিনিট আগে
১ ঘন্টা ৩৩ মিনিট আগে
১ ঘন্টা ৩৯ মিনিট আগে
২ ঘন্টা ১১ মিনিট আগে