আশাশুনির নাকতাড়া কমিউনিটি ক্লিনিক ভবনের নাজুক অবস্থায় জীবন শংসয় বাঘায় দু'টি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও তাজা গুলিসহ এক নারী আটক শ্যামনগর ভয়েস অব সিটিজেন্স কমিটির অর্ধ-বার্ষিক সভা লাখাইয়ে মাদকবিরোধী পৃথক অভিযানে ৯০পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার। ১০ দিনেও খোঁজ মেলেনি ফোরকানের ‎যান্ত্রিক ত্রুটির জেরে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন অর্ধেকে জাতীয় গ্রিডে বড় ধরনের সংকটের শঙ্কা ‎ প্রাণবৈচিত্র্য সমৃদ্ধ কৃষি খামার গড়ে তুলেছেন উপকূলের চন্দনা রানী সাতক্ষীরা বিচার বিভাগের সমস্যা দ্রুতই সমাধান হবে: আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান মানবতার আহবান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ২য় ধাপে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সম্পন্ন বর্ণাঢ্য আয়োজনে কুষ্টিয়া কালিশংকরপুর হাইফ্লায়া পিজন ক্লাবের নতুন কমিটি গঠন বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশি নিহত, বিজিবির দাবি ১ আদানির বন্ধ ইউনিট বিদ্যুৎ সরবরাহে ফিরছে আজই আ. লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ আসন্ন ইউপি নির্বাচনে কুলিয়ারচরের সালুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা ঘোষণা কুষ্টিয়ায় ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ মিছিল পীরগাছায় SNK DREAM Foundation-এর উদ্যোগে জার্সি ও ফুটবল বিতরণ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইরান আত্মসমর্পণ করবে না হোয়াটসঅ্যাপে ব্যক্তিগত চ্যাট গোপন রাখবেন যেভাবে সৌদি আরবে হুথিদের হামলায় মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত চরবংশী ইউপি নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেন ফারুক কবিরাজ

আষাঢ়েও কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টির দেখা নেই, দুশ্চিন্তায় কৃষক

মুন্সি শাহাব উদ্দীন, চট্টগ্রাম 

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া ও সাতকানিয়া উপজেলার আকাশে প্রতিদিনই কালো মেঘের আনাগোনা থাকলেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টি। বর্ষার প্রথম মাস আষাঢ় প্রায় শেষের দিকে, অথচ পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়ায় চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন দুই উপজেলার কৃষকরা।

স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জমিতে প্রয়োজনীয় পানি না থাকায় গরু কিংবা ট্রাক্টর দিয়ে চাষাবাদ করা যাচ্ছে না। ফলে আমন ধানের আবাদ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। বছরের এই সময়টিতে মাঠে ধান রোপণের ব্যস্ততা থাকার কথা থাকলেও অধিকাংশ জমি এখনো অনাবাদি পড়ে রয়েছে।

কৃষকদের ভাষ্য, কৃষিকাজই তাদের প্রধান জীবিকার উৎস। সারা বছরের খাদ্যের জোগান নিশ্চিত করতে তারা আমন ধানের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সময়মতো বৃষ্টি না হওয়ায় জমি প্রস্তুত করতে পারছেন না। এতে উৎপাদন কমে যাওয়ার পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কাও বাড়ছে।

লোহাগাড়ার এক কৃষক বলেন, “আষাঢ় প্রায় শেষ, কিন্তু এখনো কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টি হয়নি। জমিতে পানি না থাকায় ট্রাক্টর নামাতে পারছি না। আল্লাহর কাছে দোয়া করি, তিনি যেন রহমতের বৃষ্টি দান করেন। তাহলে ধান রোপণ করে শীত মৌসুমে ফসল ঘরে তুলতে পারব।”

এদিকে বৃষ্টির অভাবে ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। অনেকের মতে, বর্ষাকাল হলেও আবহাওয়া যেন চৈত্র মাসের দাবদাহের মতো। অতিরিক্ত গরমে শিশু, বৃদ্ধ ও শ্রমজীবী মানুষ সবচেয়ে বেশি কষ্টে রয়েছেন।

কৃষক ও এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, আল্লাহর রহমতে দ্রুত কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টি নেমে আসুক। তাহলে জমিতে চাষাবাদ শুরু হবে, কৃষকের মুখে ফিরবে স্বস্তির হাসি এবং প্রকৃতি ফিরে পাবে তার স্বাভাবিক রূপ।


Tag
আরও খবর