চট্টগ্রামের চন্দনাইশে নানার বাড়িতে যাওয়ার পথে দুই বোনকে অপহরণের চেষ্টার পর বড় বোনকে একটি পোল্ট্রি ফার্মে নিয়ে গণ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় চন্দনাইশ থানায় মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত তিন আসামির মধ্যে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
মামলার এজাহার সূত্রে
জানা যায়,
গত ১৮
জুন বিকাল
আনুমানিক ৪টার
দিকে চন্দনাইশ
পৌরসভার গাছবাড়িয়া
এলাকার বাসিন্দা
আবদুল্লাহ আল মামুনের দুই মেয়ে—খাঁনহাট মমতাজ
বেগম উচ্চ
বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী কানিজ
ফাতেমা চাঁদনী
(১৬) এবং
৭ম শ্রেণির
শিক্ষার্থী সাফা মারওয়া ইকরা (১৪)
নানার বাড়ি
যাওয়ার উদ্দেশ্যে
নিজ বাড়ি
থেকে বের
হয়।
এজাহারে অভিযোগ করা
হয়, একই
দিন সন্ধ্যা
আনুমানিক ৭টার
দিকে চন্দনাইশ
পৌরসভার গাছবাড়ীয়া
দুর্লভপাড়া এলাকায় হযরত শাহ ছৈয়দ
জালাল উদ্দিন
আউলিয়া (রহ.)
মাজার শরিফের
সামনে পাকা
রাস্তায় পৌঁছালে
মো. ফয়সাল
(২৬) ও
মো. জাহেদ
(২৯) জোরপূর্বক
তাদের একটি
সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নেয়।
পরে সিএনজিটি গাছবাড়িয়া
কলেজ গেটের
দিকে যাওয়ার
সময় ছোট
বোন সাফা
মারওয়া ইকরা
কৌশলে চলন্ত
সিএনজি থেকে
নেমে যায়
বলে এজাহারে
উল্লেখ করা
হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, বড়
বোন কানিজ
ফাতেমা চাঁদনীকে
নিয়ে আসামিরা
চন্দনাইশ উপজেলার
কাঞ্চনাবাদ ইউনিয়নের পূর্ব এলাহাবাদ অংশপাড়া
এলাকায় বোরহান
উদ্দিনের মালিকানাধীন
শাহা আমিন
পোল্ট্রি ফার্মের
উত্তর-পশ্চিম
কোণে নিয়ে
যায়।
সেখানে রাত
আনুমানিক ১১টা
থেকে পরদিন
১৯ জুন
ভোর সাড়ে
৪টা পর্যন্ত
তিনজন মিলে
তাকে ধর্ষণ
করে বলে
মামলায় অভিযোগ
করা হয়েছে।
পরবর্তীতে ভিকটিম বাড়িতে
ফিরে পরিবারের
কাছে বিষয়টি
জানালে তার
বাবা আবদুল্লাহ
আল মামুন
তাকে চন্দনাইশ
খাঁনহাট পপুলার
ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে চিকিৎসা করান।
এ ঘটনায় ২৮
জুন ভিকটিমের
বাবা বাদী
হয়ে চন্দনাইশ
থানায় তিনজনের
বিরুদ্ধে মামলা
দায়ের করেন। মামলায় মো. ফয়সাল (২৬),
মোহাম্মদ জাহিদুল
ইসলাম (২৭)
ও মো.
জাহেদ (২৯)-কে আসামি
করা হয়েছে।
চন্দনাইশ থানার এফআইআর
নং-১৫,
তারিখ ২৮
জুন ২০২৬
খ্রিস্টাব্দে নারী ও শিশু নির্যাতন
দমন আইন
২০০০ (সংশোধনী-২০২৫)-এর
৭/৯(৩) ধারায়
মামলাটি রুজু
করা হয়েছে।
চন্দনাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
এস এম দিদারুল ইসলাম সিকদার জানায়, মামলা
দায়েরের পর
অভিযান চালিয়ে
এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা
হয়েছে।
ঘটনায় ব্যবহৃত
একটি সিএনজি
অটোরিকশাও উদ্ধার করা হয়েছে।
অপর আসামিকে
গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মামলাটির তদন্তভার চন্দনাইশ
থানার পুলিশ
পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. লিটন মিয়ার
ওপর ন্যস্ত
করা হয়েছে। তিনি আরোও জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্তাধীন
রয়েছে এবং
বর্তমানে এলাকার
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
১ ঘন্টা ৫৩ মিনিট আগে
৩ ঘন্টা ৪ মিনিট আগে
৩ ঘন্টা ১৬ মিনিট আগে
৩ ঘন্টা ২৯ মিনিট আগে
৪ ঘন্টা ১৪ মিনিট আগে
৪ ঘন্টা ৩২ মিনিট আগে