বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে মানসম্মত শিক্ষার বিকল্প নেই, উল্লেখ করে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের স্থান প্রতিষ্ঠিত করতে হলে ভালো রেজাল্ট করতে হবে। বিশ্বমানের শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে। পুরনো ধাচের শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তন আনতে হবে। শিক্ষার মূল্যায়ন হয় বিশ্বায়নে, কোন একটি প্রতিষ্ঠানে নয়। বর্তমান সরকারের প্রধান উদ্দেশ্য আগামীর বাংলাদেশ। আর এই আগামীর বাংলাদেশের কারিগর হচ্ছে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
তাই শিক্ষকদের যেমন মেধাবী হতে হবে, তেমনি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা করে ভালো রেজাল্ট করতে হবে। বিশ্বায়নের যুগের প্রতিযোগিতায় টিকতে না পারলে আমাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার। এজন্য প্রধানমন্ত্রী কারিগরি শিক্ষার উপর, মেডিকেল সাইন্স এর উপর, বিভিন্ন টেকনোলজির উপর এবং এ আইয়ের উপর অধিক গুরুত্ব দিয়েছেন।
শিক্ষার এই মান উন্নয়নে জিডিপির শতকরা পাঁচ ভাগ শিক্ষাখাতে ব্যয়ের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) ১২টায় হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনে নবীন বরণ ও মোরক উন্মোচন অনুষ্ঠানে হাবিপ্রবি'র ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড.মো. এনামউল্ল্যা এর সভাপতিত্বে অনন্যাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দিনাজপুর ৪ আসনের (চিরিরবন্দর, খানসামা) এমপি ও জাতীয় সংসদের হুইপ মোঃ আখতারুজ্জামান মিয়া, দিনাজপুর সদর ৩ আসনের এমপি সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, দিনাজপুরে ১ আসনের (বীরগঞ্জ, কাহারোল) এমপি মোঃ মঞ্জুরুল ,,ইসলাম মঞ্জু, দিনাজপুর ২ আসনের (বিরল ,বোচাগঞ্জ) এমপি সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক, হাবিপ্রবির প্রো. ভাইস চ্যান্সেলর ড. মোঃ শফিকুল ইসলাম সিকদার, হাবিপ্রবির ট্রেজারার ড.এম জাহাঙ্গীর কবিরসহ আরো অনেকে।
শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন বিশ্বে জনসংখ্যা হ্রাস পাওয়ায় মানবসম্পদ হ্রাস পাচ্ছে। সেখানে আমাদের দেশে জনসংখ্যা ক্রমশই বৃদ্ধি পাচ্ছে। অধিক জনসংখ্যাকে অভিশাপ মনে না করে, আশীর্বাদ হিসেবে নিয়ে, জনসংখ্যাকে মানর সম্পদে রূপান্তরিত করতে পারলে আমাদের দেশ হবে বিশ্বের রোল মডেল। এছাড়া শিক্ষামন্ত্রী বিশ্বে নার্সিং এর চাহিদার উপর গুরুত্বারোপ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে নার্সিং স্কুল করার উপর ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেন। এছাড়াও তিনি আরো বলেন যে বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন শিক্ষার্থীর পিছনে সরকারের ৮ লক্ষ টাকা খরচ হয়, আর তার পরিবারের খরচ হয় প্রায় ৫ লক্ষ টাকা। সব মিলিয়ে একজন শিক্ষার্থীর পিছনে ১৩ লক্ষ টাকা ব্যয় করার পর যদি সে ভালো রেজাল্ট করতে না পারে , তাহলে ওই পরিবার ও দেশের ভবিষ্যৎ কি হবে ?সেটা চিন্তা করতে হবে। তাই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশ্ববিদ্যালয় ও নিজেদের স্থান করে নিতে হলে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর গুরুত্ব অপরিসীম। সর্বোপরি গ্লোবালাইজেশনের এই যূগে শিক্ষার্থীদের বিশ্বমানের শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার উপরেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। এর আগে ২০২৬ সালের নবাগত শিক্ষার্থীদের ফুলের উষ্ণ শুভেচ্ছায় বরণ করে নেওয়া হয়। এ সময় হাবিপ্রবি ছাত্রদলের আহবায়ক পলাশ বার্নাড দাস, সদস্য সচিব ফরহাদ ইসলাম, যুগ্ম আহবায়ক মোস্তাফিজুর রহমান সুমনসহ ছাত্রদল হাবিপ্রবি শাখার অন্যান্য নেতাকর্মীরা।
১ দিন ৪ ঘন্টা ৯ মিনিট আগে
৬ দিন ১ ঘন্টা ২৯ মিনিট আগে
৬ দিন ১ ঘন্টা ৩৯ মিনিট আগে
৬ দিন ২১ ঘন্টা ১২ মিনিট আগে
৭ দিন ১ ঘন্টা ১৩ মিনিট আগে
৭ দিন ২ ঘন্টা ৫০ মিনিট আগে
৯ দিন ২ ঘন্টা ১৪ মিনিট আগে